গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে কালবৈশাখী ঝড়ে লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে উপজেলার কোচাশহর ইউনিয়নের দক্ষিণ কোচাশহর গ্রাম।
রোববার (২৬ এপ্রিল) বিকেলের এই আকস্মিক ঝড়ে অন্তত ৩০টি পরিবার মারাত্মক ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়েছে। ঝড়ের তাণ্ডবে কাঁচা ঘরবাড়ি, গাছপালা ও ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হওয়ার পাশাপাশি কোচাশহর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়টিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গতকাল বিকেলে হঠাৎ কালো মেঘ জমে প্রবল দমকা হাওয়া ও বজ্রসহ বৃষ্টি শুরু হয়। ঝড়ে অনেকের ঘরের টিন উড়ে গিয়ে পাশের জমিতে পড়েছে, ফলে বেশ কয়েকটি পরিবার বর্তমানে খোলা আকাশের নিচে আশ্রয়হীন অবস্থায় রয়েছে। এছাড়া উপড়ে পড়া গাছের নিচে চাপা পড়েছে অনেক ঘরবাড়ি এবং ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে জমির পাকা ও আধাপাকা ধানক্ষেত।
কোচাশহর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জহুরুল ইসলাম জানান, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে জরুরি সহায়তা প্রয়োজন। তিনি ব্যক্তিগতভাবে ক্ষতিগ্রস্তদের চাল ও নগদ অর্থ প্রদানের উদ্যোগ নিয়েছেন। এদিকে, ঝড়ে পল্লী বিদ্যুতের চারটি খুঁটি ভেঙে পড়ায় গতকাল থেকে উপজেলার বেশ কয়েকটি গ্রাম বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে রয়েছে। গোবিন্দগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ জোনের সহকারী জেনারেল ম্যানেজার রাশেদ আব্দুল্লাহ জানান, দ্রুত মেরামতের কাজ চলছে।
জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর তালিকা ও ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করে দ্রুত সরকারি সহায়তা প্রদানের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ এপ্রিল ২০২৬
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে কালবৈশাখী ঝড়ে লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে উপজেলার কোচাশহর ইউনিয়নের দক্ষিণ কোচাশহর গ্রাম।
রোববার (২৬ এপ্রিল) বিকেলের এই আকস্মিক ঝড়ে অন্তত ৩০টি পরিবার মারাত্মক ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়েছে। ঝড়ের তাণ্ডবে কাঁচা ঘরবাড়ি, গাছপালা ও ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হওয়ার পাশাপাশি কোচাশহর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়টিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গতকাল বিকেলে হঠাৎ কালো মেঘ জমে প্রবল দমকা হাওয়া ও বজ্রসহ বৃষ্টি শুরু হয়। ঝড়ে অনেকের ঘরের টিন উড়ে গিয়ে পাশের জমিতে পড়েছে, ফলে বেশ কয়েকটি পরিবার বর্তমানে খোলা আকাশের নিচে আশ্রয়হীন অবস্থায় রয়েছে। এছাড়া উপড়ে পড়া গাছের নিচে চাপা পড়েছে অনেক ঘরবাড়ি এবং ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে জমির পাকা ও আধাপাকা ধানক্ষেত।
কোচাশহর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জহুরুল ইসলাম জানান, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে জরুরি সহায়তা প্রয়োজন। তিনি ব্যক্তিগতভাবে ক্ষতিগ্রস্তদের চাল ও নগদ অর্থ প্রদানের উদ্যোগ নিয়েছেন। এদিকে, ঝড়ে পল্লী বিদ্যুতের চারটি খুঁটি ভেঙে পড়ায় গতকাল থেকে উপজেলার বেশ কয়েকটি গ্রাম বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে রয়েছে। গোবিন্দগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ জোনের সহকারী জেনারেল ম্যানেজার রাশেদ আব্দুল্লাহ জানান, দ্রুত মেরামতের কাজ চলছে।
জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর তালিকা ও ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করে দ্রুত সরকারি সহায়তা প্রদানের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন