চট্টগ্রামে তীব্র গরমের সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে লোডশেডিং। দিনে ও রাতে ঘনঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাটে অতিষ্ঠ নগরবাসী এখন বিকল্প হিসেবে চার্জার ফ্যান, আইপিএস ও সোলার প্যানেলের দিকে ঝুঁকছেন। আর এই বাড়তি চাহিদাকে পুঁজি করে বিক্রেতারা এসব পণ্যের দাম কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিয়েছেন।
নগরের বিভিন্ন এলাকায় বর্তমানে দিনে ৪ থেকে ৬ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ থাকছে না। বিশেষ করে রাতে লোডশেডিংয়ের কারণে জনজীবন ও শিশুদের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। রিয়াজউদ্দিন বাজার ও চকবাজারসহ বিভিন্ন ইলেকট্রনিক্স মার্কেট ঘুরে দেখা গেছে, এক সপ্তাহের ব্যবধানে ছোট-বড় চার্জার ফ্যানের দাম ৪০০ থেকে ৬০০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।
অন্যদিকে আইপিএসের দাম কোম্পানিভেদে ২ থেকে ৪ হাজার টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। ৪ হাজার থেকে ৭ হাজার টাকার চার্জার ফ্যানগুলোর চাহিদা এখন সবচেয়ে বেশি।
ব্যবসায়ীরা জানান, লোডশেডিং বাড়ায় গত এক সপ্তাহে বিক্রি দ্বিগুণ হয়েছে, ফলে অনেক দোকানেই স্টক শেষ হয়ে যাচ্ছে। গ্রাহকদের অভিযোগ, সংকটের সুযোগ নিয়ে ব্যবসায়ীরা বাড়তি মুনাফা লুটছেন।
নগরের রাহাত্তারপুল এলাকার এক বাসিন্দা জানান, একটি আইপিএস কিনতে তাঁর প্রায় ৫০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে, যা সাধারণ মানুষের বাজেটে বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি করছে।
বিদ্যুৎ বিতরণ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রামে বর্তমানে দৈনিক ১ হাজার ৪৮০ থেকে ১ হাজার ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুতের চাহিদার বিপরীতে ২০০ থেকে ২৫০ মেগাওয়াট লোডশেডিং হচ্ছে।
জ্বালানি সংকটের কারণে চট্টগ্রামের অন্তত ৯টি বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ থাকায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে পড়েছে। দ্রুত সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে জনদুর্ভোগ আরও বাড়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ এপ্রিল ২০২৬
চট্টগ্রামে তীব্র গরমের সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে লোডশেডিং। দিনে ও রাতে ঘনঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাটে অতিষ্ঠ নগরবাসী এখন বিকল্প হিসেবে চার্জার ফ্যান, আইপিএস ও সোলার প্যানেলের দিকে ঝুঁকছেন। আর এই বাড়তি চাহিদাকে পুঁজি করে বিক্রেতারা এসব পণ্যের দাম কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিয়েছেন।
নগরের বিভিন্ন এলাকায় বর্তমানে দিনে ৪ থেকে ৬ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ থাকছে না। বিশেষ করে রাতে লোডশেডিংয়ের কারণে জনজীবন ও শিশুদের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। রিয়াজউদ্দিন বাজার ও চকবাজারসহ বিভিন্ন ইলেকট্রনিক্স মার্কেট ঘুরে দেখা গেছে, এক সপ্তাহের ব্যবধানে ছোট-বড় চার্জার ফ্যানের দাম ৪০০ থেকে ৬০০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।
অন্যদিকে আইপিএসের দাম কোম্পানিভেদে ২ থেকে ৪ হাজার টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। ৪ হাজার থেকে ৭ হাজার টাকার চার্জার ফ্যানগুলোর চাহিদা এখন সবচেয়ে বেশি।
ব্যবসায়ীরা জানান, লোডশেডিং বাড়ায় গত এক সপ্তাহে বিক্রি দ্বিগুণ হয়েছে, ফলে অনেক দোকানেই স্টক শেষ হয়ে যাচ্ছে। গ্রাহকদের অভিযোগ, সংকটের সুযোগ নিয়ে ব্যবসায়ীরা বাড়তি মুনাফা লুটছেন।
নগরের রাহাত্তারপুল এলাকার এক বাসিন্দা জানান, একটি আইপিএস কিনতে তাঁর প্রায় ৫০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে, যা সাধারণ মানুষের বাজেটে বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি করছে।
বিদ্যুৎ বিতরণ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রামে বর্তমানে দৈনিক ১ হাজার ৪৮০ থেকে ১ হাজার ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুতের চাহিদার বিপরীতে ২০০ থেকে ২৫০ মেগাওয়াট লোডশেডিং হচ্ছে।
জ্বালানি সংকটের কারণে চট্টগ্রামের অন্তত ৯টি বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ থাকায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে পড়েছে। দ্রুত সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে জনদুর্ভোগ আরও বাড়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আপনার মতামত লিখুন