খুলনা প্রেসক্লাবে ঢুকে কর্মরত সাংবাদিকদের ওপর বর্বরোচিত হামলা ও লাঞ্ছনার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে ডুমুরিয়া প্রেসক্লাব।
এক যৌথ বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার সাথে জড়িত ভাড়াটে সন্ত্রাসীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোর দাবি জানিয়েছেন।
বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ উল্লেখ করেন, আগামী ৩০ এপ্রিল অনুষ্ঠিতব্য খুলনা প্রেসক্লাব নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সভাপতি প্রার্থী (দৈনিক প্রবর্তন সম্পাদক) মোস্তফা সরোয়ার এবং সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী (দৈনিক সময়ের খবর সম্পাদক) মো. তরিকুল ইসলামকে টার্গেট করে এই হামলা চালানো হয়। সন্ত্রাসীরা ক্লাবে ঢুকে মোস্তফা সরোয়ারকে না পেয়ে তরিকুল ইসলামকে লাঞ্ছিত করে এবং মোস্তফা সরোয়ারকে প্রাণনাশের হুমকি প্রদান করে।
সাংবাদিক নেতারা বলেন, "পেশাদার সাংবাদিকদের ওপর এ ধরনের হামলা স্বাধীন গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধ করার একটি গভীর ষড়যন্ত্র। যারা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে না, তারাই নির্বাচনকে ঘিরে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে এবং ভাড়াটে সন্ত্রাসী এনে উৎসবমুখর নির্বাচনকে অনিশ্চিত করার অপপ্রয়াস চালাচ্ছে। প্রেসক্লাব প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের ওপর এমন আক্রমণ কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।"
বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের মৌলিক দায়িত্ব। তারা দ্রুততম সময়ে অপরাধীদের আইনের আওতায় আনার পাশাপাশি নির্ধারিত দিনে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানের পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানান।
ডুমুরিয়া প্রেসক্লাব সভাপতি এস এম জাহাঙ্গীর আলম, সাধারণ সম্পাদক শেখ মাহাতাব হোসেন, সাবেক সভাপতি কাজী আবদুল্লাহ, জি এম আবদুস সালাম, এম এ এরশাদ, আনোয়ার হোসেন আকুঞ্জি, মোঃ বিলায়েত হোসেন, আব্দুর রশিদ এলিন, সাব্বির খান ডালিম, এস রফিকুল ইসলাম, জাহিদুর রহমান বিপ্লব, শেখ আব্দুল মজিদ এবং অন্যান্য সদস্যবৃন্দ।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ এপ্রিল ২০২৬
খুলনা প্রেসক্লাবে ঢুকে কর্মরত সাংবাদিকদের ওপর বর্বরোচিত হামলা ও লাঞ্ছনার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে ডুমুরিয়া প্রেসক্লাব।
এক যৌথ বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার সাথে জড়িত ভাড়াটে সন্ত্রাসীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোর দাবি জানিয়েছেন।
বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ উল্লেখ করেন, আগামী ৩০ এপ্রিল অনুষ্ঠিতব্য খুলনা প্রেসক্লাব নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সভাপতি প্রার্থী (দৈনিক প্রবর্তন সম্পাদক) মোস্তফা সরোয়ার এবং সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী (দৈনিক সময়ের খবর সম্পাদক) মো. তরিকুল ইসলামকে টার্গেট করে এই হামলা চালানো হয়। সন্ত্রাসীরা ক্লাবে ঢুকে মোস্তফা সরোয়ারকে না পেয়ে তরিকুল ইসলামকে লাঞ্ছিত করে এবং মোস্তফা সরোয়ারকে প্রাণনাশের হুমকি প্রদান করে।
সাংবাদিক নেতারা বলেন, "পেশাদার সাংবাদিকদের ওপর এ ধরনের হামলা স্বাধীন গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধ করার একটি গভীর ষড়যন্ত্র। যারা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে না, তারাই নির্বাচনকে ঘিরে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে এবং ভাড়াটে সন্ত্রাসী এনে উৎসবমুখর নির্বাচনকে অনিশ্চিত করার অপপ্রয়াস চালাচ্ছে। প্রেসক্লাব প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের ওপর এমন আক্রমণ কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।"
বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের মৌলিক দায়িত্ব। তারা দ্রুততম সময়ে অপরাধীদের আইনের আওতায় আনার পাশাপাশি নির্ধারিত দিনে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানের পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানান।
ডুমুরিয়া প্রেসক্লাব সভাপতি এস এম জাহাঙ্গীর আলম, সাধারণ সম্পাদক শেখ মাহাতাব হোসেন, সাবেক সভাপতি কাজী আবদুল্লাহ, জি এম আবদুস সালাম, এম এ এরশাদ, আনোয়ার হোসেন আকুঞ্জি, মোঃ বিলায়েত হোসেন, আব্দুর রশিদ এলিন, সাব্বির খান ডালিম, এস রফিকুল ইসলাম, জাহিদুর রহমান বিপ্লব, শেখ আব্দুল মজিদ এবং অন্যান্য সদস্যবৃন্দ।

আপনার মতামত লিখুন