গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে স্কুলে যাওয়ার পথে ষষ্ঠ শ্রেণির এক ছাত্রীকে অপহরণ করে ধর্ষণের পর রাস্তার ধারে ফেলে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
বর্তমানে ওই শিক্ষার্থী বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর পরিবার ও স্থানীয়রা জানান, সোমবার সকালে মেয়েটি তার স্কুল—তালতলা দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে যাচ্ছিল। পথে সকাল ১০টার দিকে ঢাকা-রংপুর মহাসড়কের সামসপাড়া এলাকা থেকে দুই যুবক তাকে জোরপূর্বক একটি অটোরিকশায় তুলে নিয়ে যায়। পরে ফুটানী বাজার এলাকার একটি নির্জন স্থানে তাকে চেতনানাশক ওষুধ খাইয়ে দিনভর ধর্ষণ করা হয়। বিকেল হলে অভিযুক্তরা তাকে অচেতন অবস্থায় একটি ইক্ষু সেন্টারের পাশে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।
স্থানীয় পথচারীরা শিশুটিকে উদ্ধার করে স্বজনদের খবর দিলে প্রথমে তাকে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ওই রাতেই তাকে বগুড়া শজিমেক হাসপাতালে স্থানান্তর করেন চিকিৎসকরা।
গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাম্মেল হক জানান, বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত এ ঘটনায় থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ জমা পড়েনি। অভিযোগ পেলে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ এপ্রিল ২০২৬
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে স্কুলে যাওয়ার পথে ষষ্ঠ শ্রেণির এক ছাত্রীকে অপহরণ করে ধর্ষণের পর রাস্তার ধারে ফেলে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
বর্তমানে ওই শিক্ষার্থী বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর পরিবার ও স্থানীয়রা জানান, সোমবার সকালে মেয়েটি তার স্কুল—তালতলা দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে যাচ্ছিল। পথে সকাল ১০টার দিকে ঢাকা-রংপুর মহাসড়কের সামসপাড়া এলাকা থেকে দুই যুবক তাকে জোরপূর্বক একটি অটোরিকশায় তুলে নিয়ে যায়। পরে ফুটানী বাজার এলাকার একটি নির্জন স্থানে তাকে চেতনানাশক ওষুধ খাইয়ে দিনভর ধর্ষণ করা হয়। বিকেল হলে অভিযুক্তরা তাকে অচেতন অবস্থায় একটি ইক্ষু সেন্টারের পাশে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।
স্থানীয় পথচারীরা শিশুটিকে উদ্ধার করে স্বজনদের খবর দিলে প্রথমে তাকে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ওই রাতেই তাকে বগুড়া শজিমেক হাসপাতালে স্থানান্তর করেন চিকিৎসকরা।
গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজাম্মেল হক জানান, বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত এ ঘটনায় থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ জমা পড়েনি। অভিযোগ পেলে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন