সাতক্ষীরা থেকে চট্টগ্রামে পাচারের সময় কেমিক্যাল ও কার্বাইড দিয়ে পাকানো প্রায় ৯ হাজার কেজি অপরিপক্ব আম জব্দ করেছে পুলিশ।
জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকি বিবেচনায় বুধবার (২৯ এপ্রিল) দুপুরে জব্দকৃত এই বিপুল পরিমাণ আম ধ্বংস করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) রাত ২টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সাতক্ষীরা সদর থানা পুলিশ একটি বিশেষ অভিযান চালায়। কালিগঞ্জ থেকে চট্টগ্রামগামী একটি ট্রাকে তল্লাশি চালিয়ে ৩৫১টি ক্যারেটে থাকা এই আমগুলো আটক করা হয়। পরে বুধবার দুপুরে বিনেরপোতা এলাকায় পৌরসভার আবর্জনার ভাগাড়ে নিয়ে আমগুলো নষ্ট করে ফেলা হয়।
পুলিশ জানায়, মুনাফালোভী ব্যবসায়ীরা অপরিপক্ব আমে বিষাক্ত কার্বাইড মিশিয়ে কৃত্রিমভাবে পাকিয়ে তা বাজারে ছাড়ার পরিকল্পনা করছিল। এসব আম খেলে সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরির প্রবল আশঙ্কা ছিল।
সাতক্ষীরা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অর্ণব দত্ত বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন "সাধারণ মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের ভেজালবিরোধী অভিযান নিয়মিতভাবে পরিচালিত হচ্ছে। জনস্বার্থ রক্ষায় ভবিষ্যতে এ ধরনের অভিযান আরও জোরদার করা হবে।"

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ এপ্রিল ২০২৬
সাতক্ষীরা থেকে চট্টগ্রামে পাচারের সময় কেমিক্যাল ও কার্বাইড দিয়ে পাকানো প্রায় ৯ হাজার কেজি অপরিপক্ব আম জব্দ করেছে পুলিশ।
জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকি বিবেচনায় বুধবার (২৯ এপ্রিল) দুপুরে জব্দকৃত এই বিপুল পরিমাণ আম ধ্বংস করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) রাত ২টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সাতক্ষীরা সদর থানা পুলিশ একটি বিশেষ অভিযান চালায়। কালিগঞ্জ থেকে চট্টগ্রামগামী একটি ট্রাকে তল্লাশি চালিয়ে ৩৫১টি ক্যারেটে থাকা এই আমগুলো আটক করা হয়। পরে বুধবার দুপুরে বিনেরপোতা এলাকায় পৌরসভার আবর্জনার ভাগাড়ে নিয়ে আমগুলো নষ্ট করে ফেলা হয়।
পুলিশ জানায়, মুনাফালোভী ব্যবসায়ীরা অপরিপক্ব আমে বিষাক্ত কার্বাইড মিশিয়ে কৃত্রিমভাবে পাকিয়ে তা বাজারে ছাড়ার পরিকল্পনা করছিল। এসব আম খেলে সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরির প্রবল আশঙ্কা ছিল।
সাতক্ষীরা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অর্ণব দত্ত বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন "সাধারণ মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের ভেজালবিরোধী অভিযান নিয়মিতভাবে পরিচালিত হচ্ছে। জনস্বার্থ রক্ষায় ভবিষ্যতে এ ধরনের অভিযান আরও জোরদার করা হবে।"

আপনার মতামত লিখুন