কিশোরগঞ্জে গত কয়েকদিনের টানা ভারী বর্ষণে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। রেকর্ড পরিমাণ এই বৃষ্টিপাতের ফলে হাওরাঞ্চলের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে তলিয়ে যাচ্ছে কৃষকের কষ্টের বোরো ধান। মাঠের ফসল ঘরে তোলা নিয়ে এখন চরম দুশ্চিন্তায় দিন কাটছে হাজারো কৃষকের।
নিকলী আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের তথ্যমতে, জেলায় গত কয়েকদিনে অস্বাভাবিক বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে মঙ্গলবার (৬টা) - বুধবার (৬টা): ১৬০ মিলিমিটার (২৪ ঘণ্টায়)। বুধবার (সকাল ৬টা - দুপুর ১২টা): ৯১ মিলিমিটার। সোমবার: ২০ মিলিমিটার।
আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, বৃষ্টির কারণে জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে এসেছে এবং আগামীকালও বৃষ্টি অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
টানা চার দিনের বৃষ্টিতে হাওরের থৈ থৈ পানিতে সাড়ে নয়শ হেক্টরেরও বেশি জমির ধান সরাসরি তলিয়ে গেছে। তবে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, তলিয়ে যাওয়া জমির পরিমাণ আরও অনেক বেশি।
কৃষি বিভাগের মতে, ইতোমধ্যে প্রায় ৩ হাজার হেক্টর জমি পানির নিচে তলিয়ে গেছে। বৃষ্টির কারণে ধান কাটতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
এছাড়া যে ধানগুলো কেটে আনা হয়েছে, সেগুলো রোদের অভাবে শুকাতে না পেরে পচে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। "মাঠপর্যায়ের তথ্য অনুযায়ী প্রায় ৩ হাজার হেক্টর জমি ইতোমধ্যে পানির নিচে তলিয়ে গেছে। বৃষ্টির ধারা অব্যাহত থাকলে প্লাবিত জমির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে।" — ড. সাদিকুর রহমান, উপপরিচালক, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ এপ্রিল ২০২৬
কিশোরগঞ্জে গত কয়েকদিনের টানা ভারী বর্ষণে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। রেকর্ড পরিমাণ এই বৃষ্টিপাতের ফলে হাওরাঞ্চলের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে তলিয়ে যাচ্ছে কৃষকের কষ্টের বোরো ধান। মাঠের ফসল ঘরে তোলা নিয়ে এখন চরম দুশ্চিন্তায় দিন কাটছে হাজারো কৃষকের।
নিকলী আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের তথ্যমতে, জেলায় গত কয়েকদিনে অস্বাভাবিক বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে মঙ্গলবার (৬টা) - বুধবার (৬টা): ১৬০ মিলিমিটার (২৪ ঘণ্টায়)। বুধবার (সকাল ৬টা - দুপুর ১২টা): ৯১ মিলিমিটার। সোমবার: ২০ মিলিমিটার।
আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, বৃষ্টির কারণে জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে এসেছে এবং আগামীকালও বৃষ্টি অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
টানা চার দিনের বৃষ্টিতে হাওরের থৈ থৈ পানিতে সাড়ে নয়শ হেক্টরেরও বেশি জমির ধান সরাসরি তলিয়ে গেছে। তবে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, তলিয়ে যাওয়া জমির পরিমাণ আরও অনেক বেশি।
কৃষি বিভাগের মতে, ইতোমধ্যে প্রায় ৩ হাজার হেক্টর জমি পানির নিচে তলিয়ে গেছে। বৃষ্টির কারণে ধান কাটতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
এছাড়া যে ধানগুলো কেটে আনা হয়েছে, সেগুলো রোদের অভাবে শুকাতে না পেরে পচে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। "মাঠপর্যায়ের তথ্য অনুযায়ী প্রায় ৩ হাজার হেক্টর জমি ইতোমধ্যে পানির নিচে তলিয়ে গেছে। বৃষ্টির ধারা অব্যাহত থাকলে প্লাবিত জমির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে।" — ড. সাদিকুর রহমান, উপপরিচালক, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।

আপনার মতামত লিখুন