কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় এক কলেজছাত্রীকে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ ও প্রতারণার দায়ে জনি ওরফে রাজিম (২৮) নামে এক যুবককে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে তাকে এক লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) দুপুরে কুষ্টিয়া নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক জয়নাল আবেদীন পলাতক আসামির অনুপস্থিতিতে এই রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত জনি ভেড়ামারা উপজেলার ষোলদাগ গ্রামের বাদশা মিয়ার ছেলে।
মামলার এজাহার ও আদালত সূত্রে জানা যায় ২০২২ সালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচয়ের সূত্রে জনি নিজেকে সেনাসদস্য পরিচয় দিয়ে ওই ছাত্রীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন।
২০২২ সালের ১ জানুয়ারি ছাত্রীর বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে প্রথমবার ধর্ষণ করেন জনি। এরপর বিয়ের প্রলোভনে বারবার ধর্ষণের ফলে ওই ছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন। পরে বিয়ের শর্ত হিসেবে প্রমোশন ও ঘুষের কথা বলে ছাত্রীর প্রবাসী বাবার কাছ থেকে ৮ লাখ টাকা হাতিয়ে নেন জনি।
টাকা নেওয়ার পর জনি যোগাযোগ বন্ধ করে দেন এবং ছাত্রীর চরিত্র নিয়ে অপবাদ দিয়ে সন্তানকে নিজের বলে অস্বীকার করেন।
২০২৩ সালের ২ মার্চ ওই ছাত্রী পুত্রসন্তান প্রসব করেন এবং ২২ জুন আদালতে মামলা করেন। পরবর্তীতে ডিএনএ টেস্টের মাধ্যমে সন্তানের পিতৃত্ব প্রমাণিত হলে পুলিশ চার্জশিট দাখিল করে।
রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি অ্যাডভোকেট আব্দুল মজিদ জানান, সাক্ষ্য-প্রমাণ ও ডিএনএ রিপোর্টের ভিত্তিতে আসামির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে।
উল্লেখ্য, আসামি জনি ২০২৩ সালে গ্রেপ্তার হয়ে কারাবাস করলেও পরবর্তীতে জামিনে মুক্ত হয়ে বর্তমানে পলাতক রয়েছেন। আদালত তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানার আদেশ দিয়েছেন।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ এপ্রিল ২০২৬
কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় এক কলেজছাত্রীকে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ ও প্রতারণার দায়ে জনি ওরফে রাজিম (২৮) নামে এক যুবককে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে তাকে এক লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) দুপুরে কুষ্টিয়া নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক জয়নাল আবেদীন পলাতক আসামির অনুপস্থিতিতে এই রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত জনি ভেড়ামারা উপজেলার ষোলদাগ গ্রামের বাদশা মিয়ার ছেলে।
মামলার এজাহার ও আদালত সূত্রে জানা যায় ২০২২ সালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচয়ের সূত্রে জনি নিজেকে সেনাসদস্য পরিচয় দিয়ে ওই ছাত্রীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন।
২০২২ সালের ১ জানুয়ারি ছাত্রীর বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে প্রথমবার ধর্ষণ করেন জনি। এরপর বিয়ের প্রলোভনে বারবার ধর্ষণের ফলে ওই ছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন। পরে বিয়ের শর্ত হিসেবে প্রমোশন ও ঘুষের কথা বলে ছাত্রীর প্রবাসী বাবার কাছ থেকে ৮ লাখ টাকা হাতিয়ে নেন জনি।
টাকা নেওয়ার পর জনি যোগাযোগ বন্ধ করে দেন এবং ছাত্রীর চরিত্র নিয়ে অপবাদ দিয়ে সন্তানকে নিজের বলে অস্বীকার করেন।
২০২৩ সালের ২ মার্চ ওই ছাত্রী পুত্রসন্তান প্রসব করেন এবং ২২ জুন আদালতে মামলা করেন। পরবর্তীতে ডিএনএ টেস্টের মাধ্যমে সন্তানের পিতৃত্ব প্রমাণিত হলে পুলিশ চার্জশিট দাখিল করে।
রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি অ্যাডভোকেট আব্দুল মজিদ জানান, সাক্ষ্য-প্রমাণ ও ডিএনএ রিপোর্টের ভিত্তিতে আসামির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে।
উল্লেখ্য, আসামি জনি ২০২৩ সালে গ্রেপ্তার হয়ে কারাবাস করলেও পরবর্তীতে জামিনে মুক্ত হয়ে বর্তমানে পলাতক রয়েছেন। আদালত তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানার আদেশ দিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন