খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার চুকনগরে ব্র্যাক সিড অ্যান্ড অ্যাগ্রো এন্টারপ্রাইজের উদ্যোগে ‘উত্তম কৃষি পদ্ধতি (GAP) এর মাধ্যমে টেকসই, নিরাপদ ও মানসম্মত খাদ্য উৎপাদন’ শীর্ষক এক দিনব্যাপী কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
কর্মশালায় মূলত আমন মৌসুমের উপযোগী ধানের জাত এবং গুড এগ্রিকালচার প্র্যাকটিস (GAP)-এর মূল দিকসমূহ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে রাসায়নিক কীটনাশকের বিকল্প হিসেবে বায়োপেস্টিসাইড ব্যবহারের গুরুত্ব এবং এর পরিবেশবান্ধব দিকগুলো অংশগ্রহণকারীদের সামনে তুলে ধরা হয়।
[caption id="attachment_26241" align="alignnone" width="280"]
ছবি: নজরবিডি.কম[/caption]
প্রশিক্ষক হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করেন কৃষিবিদ মো. মোস্তাফিজুর রহমান। কর্মশালায় আমন ধান ও সবজি উৎপাদনে আধুনিক প্রযুক্তি এবং নিরাপদ ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে হাতে-কলমে ধারণা দেওয়া হয়। বক্তারা জানান, GAP অনুসরণ ও বায়োপেস্টিসাইড ব্যবহারের মাধ্যমে মাটির স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও ফসলের গুণগত মান বৃদ্ধি করা সম্ভব।
উক্ত অনুষ্ঠানে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মাঠ পর্যায়ের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা, লিগ্যাল প্রতিনিধি এবং জেলার প্রায় ৬৪ জন পরিবেশক ও খুচরা বিক্রেতা অংশগ্রহণ করেন। আয়োজকরা আশা প্রকাশ করেন যে, এই পরিবেশকদের মাধ্যমে কৃষকদের কাছে আধুনিক ও পরিবেশবান্ধব কৃষি প্রযুক্তি দ্রুত পৌঁছে যাবে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ এপ্রিল ২০২৬
খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার চুকনগরে ব্র্যাক সিড অ্যান্ড অ্যাগ্রো এন্টারপ্রাইজের উদ্যোগে ‘উত্তম কৃষি পদ্ধতি (GAP) এর মাধ্যমে টেকসই, নিরাপদ ও মানসম্মত খাদ্য উৎপাদন’ শীর্ষক এক দিনব্যাপী কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
কর্মশালায় মূলত আমন মৌসুমের উপযোগী ধানের জাত এবং গুড এগ্রিকালচার প্র্যাকটিস (GAP)-এর মূল দিকসমূহ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে রাসায়নিক কীটনাশকের বিকল্প হিসেবে বায়োপেস্টিসাইড ব্যবহারের গুরুত্ব এবং এর পরিবেশবান্ধব দিকগুলো অংশগ্রহণকারীদের সামনে তুলে ধরা হয়।
[caption id="attachment_26241" align="alignnone" width="280"]
ছবি: নজরবিডি.কম[/caption]
প্রশিক্ষক হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করেন কৃষিবিদ মো. মোস্তাফিজুর রহমান। কর্মশালায় আমন ধান ও সবজি উৎপাদনে আধুনিক প্রযুক্তি এবং নিরাপদ ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে হাতে-কলমে ধারণা দেওয়া হয়। বক্তারা জানান, GAP অনুসরণ ও বায়োপেস্টিসাইড ব্যবহারের মাধ্যমে মাটির স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও ফসলের গুণগত মান বৃদ্ধি করা সম্ভব।
উক্ত অনুষ্ঠানে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মাঠ পর্যায়ের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা, লিগ্যাল প্রতিনিধি এবং জেলার প্রায় ৬৪ জন পরিবেশক ও খুচরা বিক্রেতা অংশগ্রহণ করেন। আয়োজকরা আশা প্রকাশ করেন যে, এই পরিবেশকদের মাধ্যমে কৃষকদের কাছে আধুনিক ও পরিবেশবান্ধব কৃষি প্রযুক্তি দ্রুত পৌঁছে যাবে।

আপনার মতামত লিখুন