মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান বলেছেন, গত ১০ বছরে দেশ থেকে অফিসিয়ালি ও আনঅফিসিয়ালি কমপক্ষে ৫০ লাখ কোটি টাকা পাচার হয়ে গেছে। আওয়ামী লীগ যখন ক্ষমতা ছেড়ে চলে যায়, তখন সরকারের কোষাগার সম্পূর্ণ শূন্য ছিল।
শনিবার (০২ মে) দুপুরে টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলা পরিষদ হলরুমে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আওতায় সহায়তা সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, "ড. ইউনূসের অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে ১৮ মাস অত্যন্ত প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে সরকার চলেছে। আমরা মাত্র আড়াই মাস আগে দায়িত্ব গ্রহণ করেছি। আমাদের যাত্রা শুরু হয়েছে একেবারে শূন্য হাতে। তা সত্ত্বেও প্রধানমন্ত্রী ফ্যামিলি কার্ড, কৃষি কার্ড এবং ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ সুদে-আসলে মওকুফসহ অনেক জনকল্যাণমূলক প্রকল্প শুরু করেছেন।"
বক্তব্যের একপর্যায়ে তিনি ১৯৭৪ সালের দুর্ভিক্ষের স্মৃতিচারণ করে বলেন, "সেই সময় মানুষ ও কুকুরকে একসাথে ডাস্টবিন থেকে খাবার খেতে দেখেছি। কাফনের কাপড়ের অভাবে মানুষকে কলাপাতা দিয়ে দাফন করতে হয়েছে। কিন্তু জিয়াউর রহমান দায়িত্ব নেওয়ার পর তলাবিহীন ঝুড়ির বাংলাদেশ থেকে একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল।"
অনুষ্ঠানে উপজেলার বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় দরিদ্র শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ, ১৬ জন নারীকে সেলাই মেশিন, ১০টি পরিবারকে টিউবওয়েল, ১৩০ জন শিক্ষার্থীকে ক্রীড়া সামগ্রী, ৩০ জন কৃষককে কৃষি উপকরণ, ১৮ জন নারীকে গবাদি পশু এবং ১৫ জন প্রতিবন্ধীকে হুইল চেয়ার প্রদান করা হয়।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আব্দুল্লাহ আল রনীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হেলাল উদ্দিনসহ স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা এবং রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ মে ২০২৬
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান বলেছেন, গত ১০ বছরে দেশ থেকে অফিসিয়ালি ও আনঅফিসিয়ালি কমপক্ষে ৫০ লাখ কোটি টাকা পাচার হয়ে গেছে। আওয়ামী লীগ যখন ক্ষমতা ছেড়ে চলে যায়, তখন সরকারের কোষাগার সম্পূর্ণ শূন্য ছিল।
শনিবার (০২ মে) দুপুরে টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলা পরিষদ হলরুমে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আওতায় সহায়তা সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, "ড. ইউনূসের অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে ১৮ মাস অত্যন্ত প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে সরকার চলেছে। আমরা মাত্র আড়াই মাস আগে দায়িত্ব গ্রহণ করেছি। আমাদের যাত্রা শুরু হয়েছে একেবারে শূন্য হাতে। তা সত্ত্বেও প্রধানমন্ত্রী ফ্যামিলি কার্ড, কৃষি কার্ড এবং ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ সুদে-আসলে মওকুফসহ অনেক জনকল্যাণমূলক প্রকল্প শুরু করেছেন।"
বক্তব্যের একপর্যায়ে তিনি ১৯৭৪ সালের দুর্ভিক্ষের স্মৃতিচারণ করে বলেন, "সেই সময় মানুষ ও কুকুরকে একসাথে ডাস্টবিন থেকে খাবার খেতে দেখেছি। কাফনের কাপড়ের অভাবে মানুষকে কলাপাতা দিয়ে দাফন করতে হয়েছে। কিন্তু জিয়াউর রহমান দায়িত্ব নেওয়ার পর তলাবিহীন ঝুড়ির বাংলাদেশ থেকে একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল।"
অনুষ্ঠানে উপজেলার বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় দরিদ্র শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ, ১৬ জন নারীকে সেলাই মেশিন, ১০টি পরিবারকে টিউবওয়েল, ১৩০ জন শিক্ষার্থীকে ক্রীড়া সামগ্রী, ৩০ জন কৃষককে কৃষি উপকরণ, ১৮ জন নারীকে গবাদি পশু এবং ১৫ জন প্রতিবন্ধীকে হুইল চেয়ার প্রদান করা হয়।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আব্দুল্লাহ আল রনীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হেলাল উদ্দিনসহ স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা এবং রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন