নজর বিডি
প্রকাশ : সোমবার, ০৪ মে ২০২৬

ক্ষতিকর রং মিশিয়ে আইসক্রিম তৈরি: কারখানা জরিমানা ও বন্ধ

ক্ষতিকর রং মিশিয়ে আইসক্রিম তৈরি: কারখানা জরিমানা ও বন্ধ

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে ক্ষতিকর রং ও ফ্লেভার মিশিয়ে আইসক্রিম তৈরির অভিযোগে একটি কারখানাকে জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। একইসঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।


রোববার (৩ মে) দুপুরে উপজেলার হাউসপুর এলাকায় এই অভিযান পরিচালিত হয়।

প্রতিষ্ঠানের নাম: লোটাস সুপার আইসক্রিম। মালিকের নাম: মো. সাজেদুর রহমান। জরিমানার পরিমাণ: ৫০,০০০ টাকা (ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর ৪৩ ধারায়)। গৃহীত ব্যবস্থা: সাত ফ্রিজ আইসক্রিম জব্দ করে জনসম্মুখে ধ্বংস করা হয় এবং লাইসেন্স না নেওয়া পর্যন্ত কারখানার কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়।

১. অননুমোদিত ক্ষতিকর রং ও ফ্লেভার ব্যবহার। ২. অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা পরিবেশে খাদ্য প্রস্তুত। ৩. ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন না থাকা এবং কেমিক্যালের বৈধ কাগজপত্রের অভাব। ৪. বিএসটিআই-এর যথাযথ অনুমোদন ছাড়া উৎপাদন।

অভিযান পরিচালনা করেন চুয়াডাঙ্গা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ মামুনুল হাসান। তিনি জানান, এ ধরনের অননুমোদিত উপকরণ ব্যবহার জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকি। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান নিয়মিত অব্যাহত থাকবে।

অভিযানে সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা সজীব পাল, ক্যাব প্রতিনিধি মো. রফিকুল ইসলাম এবং জেলা পুলিশের একটি দল।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
নজর বিডি

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬


ক্ষতিকর রং মিশিয়ে আইসক্রিম তৈরি: কারখানা জরিমানা ও বন্ধ

প্রকাশের তারিখ : ০৪ মে ২০২৬

featured Image

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে ক্ষতিকর রং ও ফ্লেভার মিশিয়ে আইসক্রিম তৈরির অভিযোগে একটি কারখানাকে জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। একইসঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।


রোববার (৩ মে) দুপুরে উপজেলার হাউসপুর এলাকায় এই অভিযান পরিচালিত হয়।

প্রতিষ্ঠানের নাম: লোটাস সুপার আইসক্রিম। মালিকের নাম: মো. সাজেদুর রহমান। জরিমানার পরিমাণ: ৫০,০০০ টাকা (ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর ৪৩ ধারায়)। গৃহীত ব্যবস্থা: সাত ফ্রিজ আইসক্রিম জব্দ করে জনসম্মুখে ধ্বংস করা হয় এবং লাইসেন্স না নেওয়া পর্যন্ত কারখানার কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়।

১. অননুমোদিত ক্ষতিকর রং ও ফ্লেভার ব্যবহার। ২. অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা পরিবেশে খাদ্য প্রস্তুত। ৩. ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন না থাকা এবং কেমিক্যালের বৈধ কাগজপত্রের অভাব। ৪. বিএসটিআই-এর যথাযথ অনুমোদন ছাড়া উৎপাদন।

অভিযান পরিচালনা করেন চুয়াডাঙ্গা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ মামুনুল হাসান। তিনি জানান, এ ধরনের অননুমোদিত উপকরণ ব্যবহার জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকি। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান নিয়মিত অব্যাহত থাকবে।

অভিযানে সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা সজীব পাল, ক্যাব প্রতিনিধি মো. রফিকুল ইসলাম এবং জেলা পুলিশের একটি দল।


নজর বিডি

উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল। 
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম। 
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।


 

কপিরাইট © ২০২৬ নজর বিডি সর্বস্ব সংরক্ষিত