দীর্ঘ ৯ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে পাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল) দ্বিতীয় শিরোপা ঘরে তুলল পেশোয়ার জালমি। ফাইনালে বাংলাদেশের তরুণ পেসার নাহিদ রানা এবং অজি অলরাউন্ডার এরন হার্ডির বিধ্বংসী নৈপুণ্যে হায়দরাবাদ কিংসমানকে ৫ উইকেটে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করল বাবর আজমের দল।
বিসিবি প্রধানের বিশেষ অনুমতিতে নিউজিল্যান্ড সিরিজ চলাকালীন ফাইনালে খেলতে আসা নাহিদ রানা তার সামর্থ্যের প্রমাণ দিলেন বড় মঞ্চেই।
হায়দরাবাদ কিংসমান: ১২৯/১০ (১৮ ওভার) (সাইয়ুম আইয়ুব ৫৪, ল্যাবুশেন ২০; হার্ডি ৪/২৭, নাহিদ রানা ২/২২) পেশোয়ার জালমি: ১৩০/৫ (১৫.২ ওভার) (এরন হার্ডি ৫৬, আব্দুল সামাদ ৪৮; মোহাম্মদ আলি ৩ উইকেট) ফল: পেশোয়ার জালমি ৫ উইকেটে জয়ী।
টসে হেরে প্রথমে ব্যাটিংয়ে নেমে সাইয়ুম আইয়ুবের ৪২ বলে ৫৪ রানের ইনিংসের ওপর ভর করে ভালো শুরুর ইঙ্গিত দেয় হায়দরাবাদ। তবে নাহিদ রানার তোপ আর এরন হার্ডির ৪ উইকেটে দিশেহারা হয়ে পড়ে মিডল অর্ডার। ফলে ১৮ ওভারেই ১২৯ রানে গুটিয়ে যায় ল্যাবুশেনের দল।
১৩০ রানের ছোট লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই মহাবিপদে পড়ে পেশোয়ার। বাবর আজম ও মোহাম্মদ হারিস দ্রুত বিদায় নিলে স্কোর দাঁড়ায় ৭ রানে ২ উইকেট। এক পর্যায়ে ৮৫ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়লেও আব্দুল সামাদ (৪৮) এবং এরন হার্ডির অনবদ্য ৩৯ বলে ৫৬ রানের ইনিংস দলকে জয়ের বন্দরে নিয়ে যায়। শেষ পর্যন্ত ১৫.২ ওভারেই জয় নিশ্চিত করে পেশোয়ার।
এই শিরোপা জয়ের মাধ্যমে পিএসএলের অন্যতম সফল দল হিসেবে নিজেদের পুনরাবির্ভাব ঘটালো পেশোয়ার জালমি।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ মে ২০২৬
দীর্ঘ ৯ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে পাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল) দ্বিতীয় শিরোপা ঘরে তুলল পেশোয়ার জালমি। ফাইনালে বাংলাদেশের তরুণ পেসার নাহিদ রানা এবং অজি অলরাউন্ডার এরন হার্ডির বিধ্বংসী নৈপুণ্যে হায়দরাবাদ কিংসমানকে ৫ উইকেটে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করল বাবর আজমের দল।
বিসিবি প্রধানের বিশেষ অনুমতিতে নিউজিল্যান্ড সিরিজ চলাকালীন ফাইনালে খেলতে আসা নাহিদ রানা তার সামর্থ্যের প্রমাণ দিলেন বড় মঞ্চেই।
হায়দরাবাদ কিংসমান: ১২৯/১০ (১৮ ওভার) (সাইয়ুম আইয়ুব ৫৪, ল্যাবুশেন ২০; হার্ডি ৪/২৭, নাহিদ রানা ২/২২) পেশোয়ার জালমি: ১৩০/৫ (১৫.২ ওভার) (এরন হার্ডি ৫৬, আব্দুল সামাদ ৪৮; মোহাম্মদ আলি ৩ উইকেট) ফল: পেশোয়ার জালমি ৫ উইকেটে জয়ী।
টসে হেরে প্রথমে ব্যাটিংয়ে নেমে সাইয়ুম আইয়ুবের ৪২ বলে ৫৪ রানের ইনিংসের ওপর ভর করে ভালো শুরুর ইঙ্গিত দেয় হায়দরাবাদ। তবে নাহিদ রানার তোপ আর এরন হার্ডির ৪ উইকেটে দিশেহারা হয়ে পড়ে মিডল অর্ডার। ফলে ১৮ ওভারেই ১২৯ রানে গুটিয়ে যায় ল্যাবুশেনের দল।
১৩০ রানের ছোট লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই মহাবিপদে পড়ে পেশোয়ার। বাবর আজম ও মোহাম্মদ হারিস দ্রুত বিদায় নিলে স্কোর দাঁড়ায় ৭ রানে ২ উইকেট। এক পর্যায়ে ৮৫ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়লেও আব্দুল সামাদ (৪৮) এবং এরন হার্ডির অনবদ্য ৩৯ বলে ৫৬ রানের ইনিংস দলকে জয়ের বন্দরে নিয়ে যায়। শেষ পর্যন্ত ১৫.২ ওভারেই জয় নিশ্চিত করে পেশোয়ার।
এই শিরোপা জয়ের মাধ্যমে পিএসএলের অন্যতম সফল দল হিসেবে নিজেদের পুনরাবির্ভাব ঘটালো পেশোয়ার জালমি।

আপনার মতামত লিখুন