পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার ফুলজুড়ী গ্রামের তরুণ সিফাত আকন (১৮) এক অভাবনীয় কৃতিত্ব অর্জন করেছেন। চোখ বাঁধা অবস্থায় দ্রুততম সময়ে ১০টি সার্জিক্যাল মাস্ক পরে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নিজের নাম লিখিয়েছেন তিনি। ১০টি মাস্ক পরতে তার সময় লেগেছে মাত্র ১০.৩২ সেকেন্ড।
চার বছর আগে একটি প্রতিবেদন দেখে গিনেস রেকর্ডের স্বপ্ন বুনতে শুরু করেন সিফাত। করোনাকালীন সময় হওয়ায় মাস্ক নিয়ে কিছু করার পরিকল্পনা করেন তিনি।
এর আগে এই রেকর্ডটি ছিল একজন ভারতীয় নাগরিকের (১১.৫৪ সেকেন্ড)। সিফাত নিজের অধ্যবসায় ও অনুশীলনের মাধ্যমে সেই রেকর্ড ভেঙে নতুন কীর্তি গড়েন।
চলতি বছরের ১৮ জানুয়ারি আবেদনের পর গত ২৮ এপ্রিল গিনেস কর্তৃপক্ষ তাকে ই-মেইলের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি প্রদান করে।সিফাতের পরবর্তী লক্ষ্য এক মিনিটে সর্বোচ্চ সংখ্যক মানুষকে জড়িয়ে ধরা এবং সর্বোচ্চ 'হ্যান্ডশেক' করার রেকর্ড গড়া।
মঠবাড়িয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আকলিমা আক্তার এই অসামান্য অর্জনের জন্য সিফাতকে অভিনন্দন জানিয়েছেন এবং তার পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন। সিফাতের এই সাফল্যে গর্বিত তার পরিবার ও এলাকাবাসী।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ মে ২০২৬
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার ফুলজুড়ী গ্রামের তরুণ সিফাত আকন (১৮) এক অভাবনীয় কৃতিত্ব অর্জন করেছেন। চোখ বাঁধা অবস্থায় দ্রুততম সময়ে ১০টি সার্জিক্যাল মাস্ক পরে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নিজের নাম লিখিয়েছেন তিনি। ১০টি মাস্ক পরতে তার সময় লেগেছে মাত্র ১০.৩২ সেকেন্ড।
চার বছর আগে একটি প্রতিবেদন দেখে গিনেস রেকর্ডের স্বপ্ন বুনতে শুরু করেন সিফাত। করোনাকালীন সময় হওয়ায় মাস্ক নিয়ে কিছু করার পরিকল্পনা করেন তিনি।
এর আগে এই রেকর্ডটি ছিল একজন ভারতীয় নাগরিকের (১১.৫৪ সেকেন্ড)। সিফাত নিজের অধ্যবসায় ও অনুশীলনের মাধ্যমে সেই রেকর্ড ভেঙে নতুন কীর্তি গড়েন।
চলতি বছরের ১৮ জানুয়ারি আবেদনের পর গত ২৮ এপ্রিল গিনেস কর্তৃপক্ষ তাকে ই-মেইলের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি প্রদান করে।সিফাতের পরবর্তী লক্ষ্য এক মিনিটে সর্বোচ্চ সংখ্যক মানুষকে জড়িয়ে ধরা এবং সর্বোচ্চ 'হ্যান্ডশেক' করার রেকর্ড গড়া।
মঠবাড়িয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আকলিমা আক্তার এই অসামান্য অর্জনের জন্য সিফাতকে অভিনন্দন জানিয়েছেন এবং তার পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন। সিফাতের এই সাফল্যে গর্বিত তার পরিবার ও এলাকাবাসী।

আপনার মতামত লিখুন