চাঁপাইনবাবগঞ্জে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের খরিপ-১ মৌসুমে উপশী আউশ ধানের আবাদ ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
সোমবার (৪ মে) দুপুর ১২টায় সদর উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে এই প্রণোদনা কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করা হয়।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর-৩ আসনের সংসদ সদস্য জনাব নুরুল ইসলাম বুলবুল প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) জনাব মারুফ আফজাল রাজনের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রাথমিকভাবে ২০ জন কৃষকের হাতে এই কৃষি উপকরণ তুলে দেওয়া হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, পর্যায়ক্রমে উপজেলার মোট ৭ হাজার ৫০০ জন প্রান্তিক কৃষকের মাঝে এই বীজ ও সার বিতরণ করা হবে।
বিতরণ কার্যক্রমের প্রথম দিনে দেবীনগর ইউনিয়নের কৃষকদের মাঝে জনপ্রতি ৫ কেজি আউশ ধানের বীজ, ১০ কেজি ডিএপি এবং ১০ কেজি এমওপি (পটাশ) সার প্রদান করা হয়।
বিনামূল্যে সরকারি সহায়তা পেয়ে স্থানীয় কৃষকদের মাঝে আনন্দ ও উৎফুল্ল ভাব লক্ষ্য করা গেছে। সুবিধাভোগী কৃষক আব্দুস সালাম বলেন, "ভালো ফলনের আশায় সরকারি এই বীজ ও সার নিতে এসেছি। আশা করছি সঠিক সময়ে বীজ বপনের মাধ্যমে আমরা এ বছর আউশের বাম্পার ফলন ঘরে তুলতে পারব।"
উপজেলা প্রশাসন ও কৃষি বিভাগ জানায়, কৃষকদের আউশ চাষে উদ্বুদ্ধ করতে এবং ফলন বৃদ্ধিতে সরকারের এই বিশেষ প্রণোদনা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ মে ২০২৬
চাঁপাইনবাবগঞ্জে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের খরিপ-১ মৌসুমে উপশী আউশ ধানের আবাদ ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
সোমবার (৪ মে) দুপুর ১২টায় সদর উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে এই প্রণোদনা কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করা হয়।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর-৩ আসনের সংসদ সদস্য জনাব নুরুল ইসলাম বুলবুল প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) জনাব মারুফ আফজাল রাজনের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রাথমিকভাবে ২০ জন কৃষকের হাতে এই কৃষি উপকরণ তুলে দেওয়া হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, পর্যায়ক্রমে উপজেলার মোট ৭ হাজার ৫০০ জন প্রান্তিক কৃষকের মাঝে এই বীজ ও সার বিতরণ করা হবে।
বিতরণ কার্যক্রমের প্রথম দিনে দেবীনগর ইউনিয়নের কৃষকদের মাঝে জনপ্রতি ৫ কেজি আউশ ধানের বীজ, ১০ কেজি ডিএপি এবং ১০ কেজি এমওপি (পটাশ) সার প্রদান করা হয়।
বিনামূল্যে সরকারি সহায়তা পেয়ে স্থানীয় কৃষকদের মাঝে আনন্দ ও উৎফুল্ল ভাব লক্ষ্য করা গেছে। সুবিধাভোগী কৃষক আব্দুস সালাম বলেন, "ভালো ফলনের আশায় সরকারি এই বীজ ও সার নিতে এসেছি। আশা করছি সঠিক সময়ে বীজ বপনের মাধ্যমে আমরা এ বছর আউশের বাম্পার ফলন ঘরে তুলতে পারব।"
উপজেলা প্রশাসন ও কৃষি বিভাগ জানায়, কৃষকদের আউশ চাষে উদ্বুদ্ধ করতে এবং ফলন বৃদ্ধিতে সরকারের এই বিশেষ প্রণোদনা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

আপনার মতামত লিখুন