খুলনা জেলার ডুমুরিয়া উপজেলায় উৎসবমুখর পরিবেশে সরকারিভাবে অভ্যন্তরীণ বোরো ধান সংগ্রহ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে।
বুধবার (৬ মে) সকাল ১০টায় ডুমুরিয়া উপজেলা খাদ্য গুদাম চত্বরে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মিজ সবিতা সরকার।
উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা সুলতানা খানমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা সোহেল মোঃ জিল্লুর রহমান রিগান এবং উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মোঃ নাজমুল হুদা।
[caption id="attachment_26597" align="alignnone" width="300"]
ছবি: নজরবিডি.কম[/caption]
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন ডুমুরিয়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শেখ মাহতাব হোসেন, এপিএস আলি হাসান, কৃষক প্রতিনিধি মোঃ আব্দুল কুদ্দুস, শেখ আব্দুল গফফার এবং জান্নাতুল ফেরদৌস। পুরো অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন খাদ্য গুদাম কর্মকর্তা মোঃ আমিনুর রহমান।
উদ্বোধনী বক্তব্যে ইউএনও মিজ সবিতা সরকার বলেন, "সরকার কৃষকদের ধানের সঠিক মূল্য দিতে বদ্ধপরিকর। ধান ক্রয়ের ক্ষেত্রে কোনো প্রকার অনিয়ম বা মধ্যস্বত্বভোগীদের (দালাল) হস্তক্ষেপ সহ্য করা হবে না। প্রকৃত কৃষকরাই যেন গুদামে ধান বিক্রি করতে পারেন, তা নিশ্চিত করা হবে।" তিনি কৃষকদের আশ্বস্ত করেন যে ধানের মূল্য সরাসরি তাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা হবে, ফলে কোনো আর্থিক ঝুঁকি থাকবে না।
ধান সংগ্রহের নিয়মাবলী: ১. কৃষকের অ্যাপ: লটারিতে বিজয়ী নিবন্ধিত কৃষকরাই কেবল ধান বিক্রির সুযোগ পাবেন। ২. আর্দ্রতা ও মান: ধানের আর্দ্রতা অবশ্যই সর্বোচ্চ ১৪% হতে হবে। ধান হতে হবে পরিষ্কার, পুষ্ট ও চিটামুক্ত। ৩. নির্ধারিত সীমা: প্রান্তিক ও মাঝারি কৃষকদের সুযোগ দিতে নির্দিষ্ট সিলিং (Ciling) অনুসরণ করা হবে, যাতে বড় ব্যবসায়ীরা কৃষকের নাম ব্যবহার করে ফায়দা নিতে না পারে।
ইউএনও কৃষকদের পরামর্শ দেন যেন তারা ধান ভালোভাবে শুকিয়ে ও পরিষ্কার করে গুদামে নিয়ে আসেন। তিনি সতর্ক করে বলেন, যদি কোনো কর্মকর্তা বা ব্যক্তি কৃষকদের হয়রানি করার চেষ্টা করে, তবে তাৎক্ষণিকভাবে যেন প্রশাসনকে জানানো হয়।
আলোচনা সভা শেষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খাদ্য গুদাম চত্বরে বৃক্ষরোপণ করেন।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ মে ২০২৬
খুলনা জেলার ডুমুরিয়া উপজেলায় উৎসবমুখর পরিবেশে সরকারিভাবে অভ্যন্তরীণ বোরো ধান সংগ্রহ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে।
বুধবার (৬ মে) সকাল ১০টায় ডুমুরিয়া উপজেলা খাদ্য গুদাম চত্বরে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মিজ সবিতা সরকার।
উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা সুলতানা খানমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা সোহেল মোঃ জিল্লুর রহমান রিগান এবং উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মোঃ নাজমুল হুদা।
[caption id="attachment_26597" align="alignnone" width="300"]
ছবি: নজরবিডি.কম[/caption]
অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন ডুমুরিয়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শেখ মাহতাব হোসেন, এপিএস আলি হাসান, কৃষক প্রতিনিধি মোঃ আব্দুল কুদ্দুস, শেখ আব্দুল গফফার এবং জান্নাতুল ফেরদৌস। পুরো অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন খাদ্য গুদাম কর্মকর্তা মোঃ আমিনুর রহমান।
উদ্বোধনী বক্তব্যে ইউএনও মিজ সবিতা সরকার বলেন, "সরকার কৃষকদের ধানের সঠিক মূল্য দিতে বদ্ধপরিকর। ধান ক্রয়ের ক্ষেত্রে কোনো প্রকার অনিয়ম বা মধ্যস্বত্বভোগীদের (দালাল) হস্তক্ষেপ সহ্য করা হবে না। প্রকৃত কৃষকরাই যেন গুদামে ধান বিক্রি করতে পারেন, তা নিশ্চিত করা হবে।" তিনি কৃষকদের আশ্বস্ত করেন যে ধানের মূল্য সরাসরি তাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা হবে, ফলে কোনো আর্থিক ঝুঁকি থাকবে না।
ধান সংগ্রহের নিয়মাবলী: ১. কৃষকের অ্যাপ: লটারিতে বিজয়ী নিবন্ধিত কৃষকরাই কেবল ধান বিক্রির সুযোগ পাবেন। ২. আর্দ্রতা ও মান: ধানের আর্দ্রতা অবশ্যই সর্বোচ্চ ১৪% হতে হবে। ধান হতে হবে পরিষ্কার, পুষ্ট ও চিটামুক্ত। ৩. নির্ধারিত সীমা: প্রান্তিক ও মাঝারি কৃষকদের সুযোগ দিতে নির্দিষ্ট সিলিং (Ciling) অনুসরণ করা হবে, যাতে বড় ব্যবসায়ীরা কৃষকের নাম ব্যবহার করে ফায়দা নিতে না পারে।
ইউএনও কৃষকদের পরামর্শ দেন যেন তারা ধান ভালোভাবে শুকিয়ে ও পরিষ্কার করে গুদামে নিয়ে আসেন। তিনি সতর্ক করে বলেন, যদি কোনো কর্মকর্তা বা ব্যক্তি কৃষকদের হয়রানি করার চেষ্টা করে, তবে তাৎক্ষণিকভাবে যেন প্রশাসনকে জানানো হয়।
আলোচনা সভা শেষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খাদ্য গুদাম চত্বরে বৃক্ষরোপণ করেন।

আপনার মতামত লিখুন