বাজেটে বিড়ি শিল্পে শুল্ক বৃদ্ধি না করা এবং নিম্নস্তরের সিগারেটের মূল্য বৃদ্ধিসহ পাঁচ দফা দাবিতে উত্তাল হয়ে উঠেছে রংপুর।
বুধবার (৬ মে) সকাল সাড়ে ১০টায় রংপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে বৃহত্তর রংপুর অঞ্চল বিড়ি শ্রমিক ইউনিয়ন এই বিশাল মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে। মানববন্ধন শেষে শ্রমিকরা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রুহুল আমিনের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর একটি স্মারকলিপি প্রদান করেন।
১. আগামী বাজেটে বিড়ি শিল্পে কোনো প্রকার শুল্ক বৃদ্ধি না করা। ২. নিম্নস্তরের সিগারেটের মূল্য উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি করা। ৩. বিড়ি শ্রমিকদের কর্মদিবস বৃদ্ধি করা। ৪. বিড়ি ফ্যাক্টরির লাইসেন্স থাকলেই ব্যান্ডরোল উত্তোলন বাধ্যতামূলক করা। ৫. নকল বিড়ি উৎপাদন ও বিক্রি পুরোপুরি বন্ধ করা।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, বিড়ি একটি দেশীয় ও শ্রমঘন শিল্প। বর্তমানে রংপুর অঞ্চলসহ সারাদেশে প্রায় ১৮ লক্ষ শ্রমিক এই শিল্পের ওপর নির্ভরশীল। তারা অভিযোগ করেন, বিগত সরকার বিদেশি সিগারেট কোম্পানিগুলোকে সুবিধা দিতে গিয়ে এই দেশীয় শিল্পকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিয়েছে।
[caption id="attachment_26614" align="alignnone" width="300"]
ছবি: নজরবিডি.কম[/caption]
বক্তারা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের উদাহরণ টেনে বলেন "শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বলতেন, বিড়ি হলো গরিব মানুষের সিগারেট। যারা দিনমজুর বা রিকশাচালক, তাদের বিনোদনের উপায় সীমিত। তাই বিড়ির ওপর ট্যাক্স বাড়িয়ে তাদের ওপর চাপ বাড়ানো যাবে না।"
শ্রমিক নেতারা আরও যোগ করেন, টোব্যাকো মার্কেটের ৮০ শতাংশ এখন নিম্নস্তরের সিগারেটের দখলে। বিড়ি শিল্পকে বাঁচাতে হলে এই স্তরের সিগারেটের দাম বাড়াতে হবে এবং নকল বিড়ি বন্ধ করে সরকারের রাজস্ব ফাঁকি রোধ করতে হবে।
বৃহত্তর রংপুর অঞ্চল বিড়ি শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আবুল হাসনাত লাবলুর সঞ্চালনায় এবং সভাপতি আমিন উদ্দিন বিএসসি-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ বিড়ি শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক হারিক হোসেন, সহ-সভাপতি মো. নাজিম উদ্দিন, আনোয়ার হোসেন, যুগ্ম সম্পাদক আব্দুল গফুর এবং সাংগঠনিক সম্পাদক শামীম ইসলাম প্রমুখ।
মানববন্ধনে শ্রমিকরা "দেশীয় শিল্প রক্ষা করো", "বিএটির পণ্য বর্জন করো" এবং "বহুজাতিক বেনিয়া হটাও, বিড়ি শ্রমিক বাঁচাও" সংবলিত বিভিন্ন ফেস্টুন প্রদর্শন করেন।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ মে ২০২৬
বাজেটে বিড়ি শিল্পে শুল্ক বৃদ্ধি না করা এবং নিম্নস্তরের সিগারেটের মূল্য বৃদ্ধিসহ পাঁচ দফা দাবিতে উত্তাল হয়ে উঠেছে রংপুর।
বুধবার (৬ মে) সকাল সাড়ে ১০টায় রংপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে বৃহত্তর রংপুর অঞ্চল বিড়ি শ্রমিক ইউনিয়ন এই বিশাল মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে। মানববন্ধন শেষে শ্রমিকরা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রুহুল আমিনের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর একটি স্মারকলিপি প্রদান করেন।
১. আগামী বাজেটে বিড়ি শিল্পে কোনো প্রকার শুল্ক বৃদ্ধি না করা। ২. নিম্নস্তরের সিগারেটের মূল্য উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি করা। ৩. বিড়ি শ্রমিকদের কর্মদিবস বৃদ্ধি করা। ৪. বিড়ি ফ্যাক্টরির লাইসেন্স থাকলেই ব্যান্ডরোল উত্তোলন বাধ্যতামূলক করা। ৫. নকল বিড়ি উৎপাদন ও বিক্রি পুরোপুরি বন্ধ করা।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, বিড়ি একটি দেশীয় ও শ্রমঘন শিল্প। বর্তমানে রংপুর অঞ্চলসহ সারাদেশে প্রায় ১৮ লক্ষ শ্রমিক এই শিল্পের ওপর নির্ভরশীল। তারা অভিযোগ করেন, বিগত সরকার বিদেশি সিগারেট কোম্পানিগুলোকে সুবিধা দিতে গিয়ে এই দেশীয় শিল্পকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিয়েছে।
[caption id="attachment_26614" align="alignnone" width="300"]
ছবি: নজরবিডি.কম[/caption]
বক্তারা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের উদাহরণ টেনে বলেন "শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বলতেন, বিড়ি হলো গরিব মানুষের সিগারেট। যারা দিনমজুর বা রিকশাচালক, তাদের বিনোদনের উপায় সীমিত। তাই বিড়ির ওপর ট্যাক্স বাড়িয়ে তাদের ওপর চাপ বাড়ানো যাবে না।"
শ্রমিক নেতারা আরও যোগ করেন, টোব্যাকো মার্কেটের ৮০ শতাংশ এখন নিম্নস্তরের সিগারেটের দখলে। বিড়ি শিল্পকে বাঁচাতে হলে এই স্তরের সিগারেটের দাম বাড়াতে হবে এবং নকল বিড়ি বন্ধ করে সরকারের রাজস্ব ফাঁকি রোধ করতে হবে।
বৃহত্তর রংপুর অঞ্চল বিড়ি শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আবুল হাসনাত লাবলুর সঞ্চালনায় এবং সভাপতি আমিন উদ্দিন বিএসসি-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ বিড়ি শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক হারিক হোসেন, সহ-সভাপতি মো. নাজিম উদ্দিন, আনোয়ার হোসেন, যুগ্ম সম্পাদক আব্দুল গফুর এবং সাংগঠনিক সম্পাদক শামীম ইসলাম প্রমুখ।
মানববন্ধনে শ্রমিকরা "দেশীয় শিল্প রক্ষা করো", "বিএটির পণ্য বর্জন করো" এবং "বহুজাতিক বেনিয়া হটাও, বিড়ি শ্রমিক বাঁচাও" সংবলিত বিভিন্ন ফেস্টুন প্রদর্শন করেন।

আপনার মতামত লিখুন