টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে নিখোঁজের ১১ দিন পর আমেনা খাতুন (৪০) নামের এক গৃহবধূর অর্ধগলিত ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বুধবার (৬ মে) বিকেলে উপজেলার বাঁশতৈল ইউনিয়নের বংশীনগর দিঘিবাড়ি এলাকার একটি জঙ্গল থেকে তার মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত আমেনা খাতুন ওই গ্রামের আবুল কাশেমের স্ত্রী।
আমেনা খাতুন দীর্ঘ দিন ধরে মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত ১০ বছরের ব্যবধানে তার দুই ছেলের অকাল মৃত্যুতে তিনি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন। এর আগেও তিনি একাধিকবার কাউকে কিছু না বলে বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়েছিলেন। সর্বশেষ গত ২৫ এপ্রিল তিনি বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফিরে আসেননি।
বুধবার বিকেলে স্থানীয় লোকজন বংশীনগর দিঘিবাড়ি জঙ্গলের একটি গাছে তার মরদেহ ঝুলতে দেখে পুলিশে খবর দেয়। পরে পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আমেনার মরদেহ শনাক্ত করেন।
বাঁশতৈল পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) সিদ্দিক হোসেন জানান, মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ওই গৃহবধূ মানসিকভাবে অসুস্থ ছিলেন বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে। তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ মে ২০২৬
টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে নিখোঁজের ১১ দিন পর আমেনা খাতুন (৪০) নামের এক গৃহবধূর অর্ধগলিত ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বুধবার (৬ মে) বিকেলে উপজেলার বাঁশতৈল ইউনিয়নের বংশীনগর দিঘিবাড়ি এলাকার একটি জঙ্গল থেকে তার মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত আমেনা খাতুন ওই গ্রামের আবুল কাশেমের স্ত্রী।
আমেনা খাতুন দীর্ঘ দিন ধরে মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত ১০ বছরের ব্যবধানে তার দুই ছেলের অকাল মৃত্যুতে তিনি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন। এর আগেও তিনি একাধিকবার কাউকে কিছু না বলে বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়েছিলেন। সর্বশেষ গত ২৫ এপ্রিল তিনি বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফিরে আসেননি।
বুধবার বিকেলে স্থানীয় লোকজন বংশীনগর দিঘিবাড়ি জঙ্গলের একটি গাছে তার মরদেহ ঝুলতে দেখে পুলিশে খবর দেয়। পরে পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আমেনার মরদেহ শনাক্ত করেন।
বাঁশতৈল পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) সিদ্দিক হোসেন জানান, মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ওই গৃহবধূ মানসিকভাবে অসুস্থ ছিলেন বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে। তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।

আপনার মতামত লিখুন