খুলনার ডুমুরিয়ায় শরীরে আগুন লেগে দগ্ধ হওয়া গৃহবধূ বিথি বেগমের (২৬) মৃত্যু হয়েছে। উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা থেকে ঢাকা নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
বুধবার (৬ মে) বিকেলে ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তবে ঘটনার পর থেকেই বিথির স্বামী জনি গাজী পলাতক রয়েছেন।
নিহত বিথি বেগম ডুমুরিয়া উপজেলার শাহাপুর গ্রামের গাজী পাড়ার অপু গাজীর মেয়ে। তার দুটি সন্তান (৬ বছর ও ২ বছর বয়সী) রয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত মঙ্গলবার (৫ মে) দুপুরে উপজেলার দক্ষিণ মিকশিমিল গ্রামে জনি গাজীর বাড়িতে পারিবারিক কলহের জেরে বিথি বেগমের শরীরে আগুন লাগে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, পারিবারিক বিবাদের একপর্যায়ে স্বামী জনি গাজী বিথির গায়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেন। এতে তার শরীরের অধিকাংশ অংশ মারাত্মকভাবে দগ্ধ হয়।
গুরুতর অবস্থায় তাকে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং পরে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
ডুমুরিয়া থানার ওসি (তদন্ত) মো. আসের আলী জানান, "প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে পারিবারিক কলহের কারণেই এই ঘটনার সূত্রপাত।
তবে স্বামী জনি গাজী পলাতক থাকায় তাকে এখনো আটক করা সম্ভব হয়নি। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে আজ (বৃহস্পতিবার) দুপুর পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ বা মামলা দায়ের করা হয়নি।"
রঘুনাথপুর ক্যাম্প ইনচার্জ হাসান জানান, ঘটনার দিন জনি গাজীকে এলাকায় দেখা গেলেও বর্তমানে তার কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না। ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে নিহতের জা-কে চিহ্নিত করা হলেও তার সাথেও যোগাযোগ করা সম্ভব হচ্ছে না। স্বামী আগুন ধরিয়ে দিয়েছেন কি না, তা তদন্ত সাপেক্ষে নিশ্চিত হওয়া যাবে।
এদিকে, মামলার বিষয়ে নিহতের পরিবার জানিয়েছে তারা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেবেন। অগ্নিদগ্ধ হয়ে গৃহবধূর এই করুণ মৃত্যুতে এলাকায় গভীর শোক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ মে ২০২৬
খুলনার ডুমুরিয়ায় শরীরে আগুন লেগে দগ্ধ হওয়া গৃহবধূ বিথি বেগমের (২৬) মৃত্যু হয়েছে। উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনা থেকে ঢাকা নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
বুধবার (৬ মে) বিকেলে ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তবে ঘটনার পর থেকেই বিথির স্বামী জনি গাজী পলাতক রয়েছেন।
নিহত বিথি বেগম ডুমুরিয়া উপজেলার শাহাপুর গ্রামের গাজী পাড়ার অপু গাজীর মেয়ে। তার দুটি সন্তান (৬ বছর ও ২ বছর বয়সী) রয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত মঙ্গলবার (৫ মে) দুপুরে উপজেলার দক্ষিণ মিকশিমিল গ্রামে জনি গাজীর বাড়িতে পারিবারিক কলহের জেরে বিথি বেগমের শরীরে আগুন লাগে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, পারিবারিক বিবাদের একপর্যায়ে স্বামী জনি গাজী বিথির গায়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেন। এতে তার শরীরের অধিকাংশ অংশ মারাত্মকভাবে দগ্ধ হয়।
গুরুতর অবস্থায় তাকে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং পরে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
ডুমুরিয়া থানার ওসি (তদন্ত) মো. আসের আলী জানান, "প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে পারিবারিক কলহের কারণেই এই ঘটনার সূত্রপাত।
তবে স্বামী জনি গাজী পলাতক থাকায় তাকে এখনো আটক করা সম্ভব হয়নি। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে আজ (বৃহস্পতিবার) দুপুর পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ বা মামলা দায়ের করা হয়নি।"
রঘুনাথপুর ক্যাম্প ইনচার্জ হাসান জানান, ঘটনার দিন জনি গাজীকে এলাকায় দেখা গেলেও বর্তমানে তার কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না। ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে নিহতের জা-কে চিহ্নিত করা হলেও তার সাথেও যোগাযোগ করা সম্ভব হচ্ছে না। স্বামী আগুন ধরিয়ে দিয়েছেন কি না, তা তদন্ত সাপেক্ষে নিশ্চিত হওয়া যাবে।
এদিকে, মামলার বিষয়ে নিহতের পরিবার জানিয়েছে তারা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেবেন। অগ্নিদগ্ধ হয়ে গৃহবধূর এই করুণ মৃত্যুতে এলাকায় গভীর শোক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন