আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে চাঁপাইনবাবগঞ্জে আলোচনার তুঙ্গে উঠে এসেছে বিশালাকৃতির এক গরু, যার নাম রাখা হয়েছে ‘নবাব’।
অস্ট্রেলিয়ান ফ্রিজিয়ান জাতের এই গরুটি বর্তমানে জেলার অন্যতম বড় গরু বলে দাবি করছেন স্থানীয়রা। সম্পূর্ণ দেশীয় ও প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে লালন-পালন করা এই ‘নবাব’কে দেখতে প্রতিদিন ভিড় করছেন উৎসুক মানুষ।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা ইউনিয়নে মহানন্দা নদীর তীরে খামারি আক্তার হোসেনের খামারে জন্ম ও বেড়ে ওঠা এই গরুটির। আক্তার হোসেন জানান, তার নিজস্ব গাভীর বাছুর হিসেবে জন্ম নেওয়া এই গরুটিকে গত তিন বছর ধরে তিনি ও তার পরিবার পরম মমতায় বড় করেছেন। গরুটি এখন পরিবারের সদস্যের মতোই হয়ে উঠেছে।
‘নবাব’-এর প্রধান খাদ্য মহানন্দার চরের নিজস্ব জমিতে উৎপাদিত টাটকা কাঁচা ঘাস। এর বাইরে প্রতিদিন ১০ থেকে ১৫ কেজি দানাদার খাবার হিসেবে গম, ভুট্টা, ছোলা ও গমের ভুষি দেওয়া হয়। খামারি জানান, বর্তমান বাজারে গরুটির পেছনে প্রতিদিন প্রায় ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা খরচ হচ্ছে। আক্তার হোসেন বলেন, “মনের আনন্দে আমি গরুটাকে পালন করছি। কষ্ট হলেও যখন গরুটার দিকে তাকাই তখন সব ক্লান্তি দূর হয়ে যায়।”
বিশালাকৃতির হলেও নবাব বেশ শান্ত প্রকৃতির। স্থানীয় বাসিন্দা তোফাজ্জল হোসেন বলেন, “গরুটি খুব শান্ত শিষ্ট। একটা ছোট বাচ্চাও একে টেনে নিয়ে যেতে পারবে। মূলত প্রাকৃতিক খাবার খেয়ে বড় হওয়ায় এটি এত সুস্থ ও সবল।” স্থানীয়দের ধারণা, গরুটির ওজন প্রায় ২৫ মণ।
খামারি আক্তার হোসেন গরুটির দাম চেয়েছেন ৮ লাখ টাকা। কোরবানি উপলক্ষে কোনো আগ্রহী ক্রেতা যোগাযোগ করলে তিনি গরুটি বিক্রি করবেন বলে জানান।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মোসা. শারমিন আক্তার বলেন, “আমাদের জেলায় চাহিদার চেয়েও ৩০ শতাংশ গবাদি পশু উদ্বৃত্ত রয়েছে।
এই খামারি প্রজনন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ও জাত উন্নয়নের মাধ্যমে গরুটিকে বড় করেছেন। এর গ্রোথ বেশ ভালো। আশা করি খামারি ভালো দাম পাবেন এবং ক্রেতাও সন্তুষ্ট হবেন।”

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ মে ২০২৬
আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে চাঁপাইনবাবগঞ্জে আলোচনার তুঙ্গে উঠে এসেছে বিশালাকৃতির এক গরু, যার নাম রাখা হয়েছে ‘নবাব’।
অস্ট্রেলিয়ান ফ্রিজিয়ান জাতের এই গরুটি বর্তমানে জেলার অন্যতম বড় গরু বলে দাবি করছেন স্থানীয়রা। সম্পূর্ণ দেশীয় ও প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে লালন-পালন করা এই ‘নবাব’কে দেখতে প্রতিদিন ভিড় করছেন উৎসুক মানুষ।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা ইউনিয়নে মহানন্দা নদীর তীরে খামারি আক্তার হোসেনের খামারে জন্ম ও বেড়ে ওঠা এই গরুটির। আক্তার হোসেন জানান, তার নিজস্ব গাভীর বাছুর হিসেবে জন্ম নেওয়া এই গরুটিকে গত তিন বছর ধরে তিনি ও তার পরিবার পরম মমতায় বড় করেছেন। গরুটি এখন পরিবারের সদস্যের মতোই হয়ে উঠেছে।
‘নবাব’-এর প্রধান খাদ্য মহানন্দার চরের নিজস্ব জমিতে উৎপাদিত টাটকা কাঁচা ঘাস। এর বাইরে প্রতিদিন ১০ থেকে ১৫ কেজি দানাদার খাবার হিসেবে গম, ভুট্টা, ছোলা ও গমের ভুষি দেওয়া হয়। খামারি জানান, বর্তমান বাজারে গরুটির পেছনে প্রতিদিন প্রায় ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা খরচ হচ্ছে। আক্তার হোসেন বলেন, “মনের আনন্দে আমি গরুটাকে পালন করছি। কষ্ট হলেও যখন গরুটার দিকে তাকাই তখন সব ক্লান্তি দূর হয়ে যায়।”
বিশালাকৃতির হলেও নবাব বেশ শান্ত প্রকৃতির। স্থানীয় বাসিন্দা তোফাজ্জল হোসেন বলেন, “গরুটি খুব শান্ত শিষ্ট। একটা ছোট বাচ্চাও একে টেনে নিয়ে যেতে পারবে। মূলত প্রাকৃতিক খাবার খেয়ে বড় হওয়ায় এটি এত সুস্থ ও সবল।” স্থানীয়দের ধারণা, গরুটির ওজন প্রায় ২৫ মণ।
খামারি আক্তার হোসেন গরুটির দাম চেয়েছেন ৮ লাখ টাকা। কোরবানি উপলক্ষে কোনো আগ্রহী ক্রেতা যোগাযোগ করলে তিনি গরুটি বিক্রি করবেন বলে জানান।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মোসা. শারমিন আক্তার বলেন, “আমাদের জেলায় চাহিদার চেয়েও ৩০ শতাংশ গবাদি পশু উদ্বৃত্ত রয়েছে।
এই খামারি প্রজনন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ও জাত উন্নয়নের মাধ্যমে গরুটিকে বড় করেছেন। এর গ্রোথ বেশ ভালো। আশা করি খামারি ভালো দাম পাবেন এবং ক্রেতাও সন্তুষ্ট হবেন।”

আপনার মতামত লিখুন