চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার সুন্দরপুর ইউনিয়নে পদ্মা নদী সংলগ্ন এলাকা থেকে অবৈধভাবে মাটি উত্তোলনের দায়ে এক ব্যক্তিকে অর্থদণ্ড প্রদান করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
মঙ্গলবার পরিচালিত এই অভিযানে একটি মাটিভর্তি ট্রাক্টর জব্দসহ ১৫ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।
প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, সুন্দরপুর ইউনিয়নের ৬, ৭ ও ৮ নং স্পার বাঁধ এলাকায় পদ্মা নদী থেকে অবৈধভাবে মাটি কাটা হচ্ছে—এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযানে নামেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ ইকরামুল হক নাহিদ। অভিযান চলাকালে সুন্দরপুর ইউনিয়নের শিবির হাট এলাকা থেকে মাটি পরিবহনরত অবস্থায় একটি ট্রাক্টরসহ একজনকে আটক করা হয়।
আটককৃত ব্যক্তির নাম মোঃ সুমন আলী (৪০)। তিনি চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার রামকৃষ্ণপুর (জয়ন্দীপুর) গ্রামের মোঃ সোহবুল হকের ছেলে। জিজ্ঞাসাবাদে সুমন আলী স্বীকার করেন যে, তিনি পদ্মা নদীর তীর ঘেঁষে জয়ন্দীপুর এলাকার কৃষি জমি থেকে অবৈধভাবে মাটি উত্তোলন করে বিভিন্ন ইটভাটায় সরবরাহ করছিলেন।
এই অপরাধের ভিত্তিতে ‘ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০১৩’ এর ১৫ ধারায় তাকে ১৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের জনস্বার্থবিরোধী ও পরিবেশ বিধ্বংসী কাজ থেকে বিরত থাকার জন্য তাকে কঠোরভাবে সতর্ক করা হয়।
অভিযান শেষে সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ ইকরামুল হক নাহিদ জানান, নদী রক্ষা ও কৃষি জমির উর্বরতা রক্ষায় অবৈধ মাটি উত্তোলনকারীদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করা হয়েছে। জনস্বার্থে এবং পরিবেশ রক্ষায় প্রশাসনের এই ধরনের কঠোর অভিযান নিয়মিত অব্যাহত থাকবে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ মে ২০২৬
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার সুন্দরপুর ইউনিয়নে পদ্মা নদী সংলগ্ন এলাকা থেকে অবৈধভাবে মাটি উত্তোলনের দায়ে এক ব্যক্তিকে অর্থদণ্ড প্রদান করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
মঙ্গলবার পরিচালিত এই অভিযানে একটি মাটিভর্তি ট্রাক্টর জব্দসহ ১৫ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।
প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, সুন্দরপুর ইউনিয়নের ৬, ৭ ও ৮ নং স্পার বাঁধ এলাকায় পদ্মা নদী থেকে অবৈধভাবে মাটি কাটা হচ্ছে—এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযানে নামেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ ইকরামুল হক নাহিদ। অভিযান চলাকালে সুন্দরপুর ইউনিয়নের শিবির হাট এলাকা থেকে মাটি পরিবহনরত অবস্থায় একটি ট্রাক্টরসহ একজনকে আটক করা হয়।
আটককৃত ব্যক্তির নাম মোঃ সুমন আলী (৪০)। তিনি চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার রামকৃষ্ণপুর (জয়ন্দীপুর) গ্রামের মোঃ সোহবুল হকের ছেলে। জিজ্ঞাসাবাদে সুমন আলী স্বীকার করেন যে, তিনি পদ্মা নদীর তীর ঘেঁষে জয়ন্দীপুর এলাকার কৃষি জমি থেকে অবৈধভাবে মাটি উত্তোলন করে বিভিন্ন ইটভাটায় সরবরাহ করছিলেন।
এই অপরাধের ভিত্তিতে ‘ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০১৩’ এর ১৫ ধারায় তাকে ১৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের জনস্বার্থবিরোধী ও পরিবেশ বিধ্বংসী কাজ থেকে বিরত থাকার জন্য তাকে কঠোরভাবে সতর্ক করা হয়।
অভিযান শেষে সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ ইকরামুল হক নাহিদ জানান, নদী রক্ষা ও কৃষি জমির উর্বরতা রক্ষায় অবৈধ মাটি উত্তোলনকারীদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করা হয়েছে। জনস্বার্থে এবং পরিবেশ রক্ষায় প্রশাসনের এই ধরনের কঠোর অভিযান নিয়মিত অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন