গোপালগঞ্জে শ্রমিক সংকটে পড়া অসহায় কৃষকদের পাশে দাঁড়িয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি ও গোপালগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য এস এম জিলানী।
আজ বুধবার সকাল ৬টা থেকে নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে তিনি টুঙ্গিপাড়ার কৃষকদের ধান কেটে বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার কার্যক্রম শুরু করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শ্রমিক সংকটের কারণে টুঙ্গিপাড়া উপজেলার গুয়াধানা গ্রামের দরিদ্র কৃষকদের জমির ধান কাটা নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা দেখা দেয়। বৃষ্টির আশঙ্কায় সোনালী ফসল নষ্ট হওয়ার উপক্রম হলে এস এম জিলানী স্থানীয় বিএনপি ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীদের নিয়ে নিজে ধান কাটায় অংশ নেন। সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, আগামী এক সপ্তাহ প্রতিদিন সকাল ৬টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত এই ধান কাটা কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।
কষ্টের ফসল ঘরে তুলতে পেরে স্থানীয় কৃষকরা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন। এক কৃষক বলেন, "শ্রমিক না পাওয়ায় বৃষ্টির ভয়ে খুব চিন্তায় ছিলাম। এভাবে আমাদের ধান কেটে ঘরে পৌঁছে দেওয়ায় আমরা অনেক উপকৃত হয়েছি।"
এ বিষয়ে এস এম জিলানী এমপি বলেন, "চলতি বোরো মৌসুমে শ্রমিক সংকটের কারণে অনেক কৃষক তাদের ধান সময়মতো ঘরে তুলতে পারছেন না। কৃষকের সোনালী ফসল যাতে নষ্ট না হয়, সেজন্যই আমরা নেতাকর্মীদের নিয়ে এই উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। আগামী এক সপ্তাহ আমাদের এই স্বেচ্ছাসেবী কার্যক্রম চলবে।"

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ মে ২০২৬
গোপালগঞ্জে শ্রমিক সংকটে পড়া অসহায় কৃষকদের পাশে দাঁড়িয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি ও গোপালগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য এস এম জিলানী।
আজ বুধবার সকাল ৬টা থেকে নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে তিনি টুঙ্গিপাড়ার কৃষকদের ধান কেটে বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার কার্যক্রম শুরু করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শ্রমিক সংকটের কারণে টুঙ্গিপাড়া উপজেলার গুয়াধানা গ্রামের দরিদ্র কৃষকদের জমির ধান কাটা নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা দেখা দেয়। বৃষ্টির আশঙ্কায় সোনালী ফসল নষ্ট হওয়ার উপক্রম হলে এস এম জিলানী স্থানীয় বিএনপি ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীদের নিয়ে নিজে ধান কাটায় অংশ নেন। সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, আগামী এক সপ্তাহ প্রতিদিন সকাল ৬টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত এই ধান কাটা কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।
কষ্টের ফসল ঘরে তুলতে পেরে স্থানীয় কৃষকরা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন। এক কৃষক বলেন, "শ্রমিক না পাওয়ায় বৃষ্টির ভয়ে খুব চিন্তায় ছিলাম। এভাবে আমাদের ধান কেটে ঘরে পৌঁছে দেওয়ায় আমরা অনেক উপকৃত হয়েছি।"
এ বিষয়ে এস এম জিলানী এমপি বলেন, "চলতি বোরো মৌসুমে শ্রমিক সংকটের কারণে অনেক কৃষক তাদের ধান সময়মতো ঘরে তুলতে পারছেন না। কৃষকের সোনালী ফসল যাতে নষ্ট না হয়, সেজন্যই আমরা নেতাকর্মীদের নিয়ে এই উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। আগামী এক সপ্তাহ আমাদের এই স্বেচ্ছাসেবী কার্যক্রম চলবে।"

আপনার মতামত লিখুন