খুলনার ডুমুরিয়ায় মে মাসের মাঝামাঝি সময়ে কাঁচাবাজারে গরুর মাংস, পেঁয়াজ ও কাঁচা মরিচের দাম সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের বাইরে চলে গেছে।
সাম্প্রতিক বৃষ্টিপাত এবং জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির ফলে পরিবহন খরচ বেড়ে যাওয়াকে এই ঊর্ধ্বগতির প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা।
মে মাসের শুরু থেকে কেজিতে ২০ থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত বেড়ে বর্তমানে প্রতি কেজি ৮০০ থেকে ৮২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ব্যবসায়ীদের দাবি, খামার থেকে গরু পরিবহনে খরচ বেড়ে যাওয়ায় এই মূল্যবৃদ্ধি।
গত সপ্তাহের তুলনায় বাজারে দেশি পেঁয়াজের দামে অস্থিরতা দেখা গেছে। প্রতি কেজি ৭৫ থেকে ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা গত সপ্তাহে ছিল ৬০-৬৫ টাকা।
সবজির বাজারে সবচেয়ে অস্থিতিশীল পণ্যটি হলো কাঁচা মরিচ। অতিবৃষ্টিতে ক্ষেত নষ্ট হওয়ায় সরবরাহ কমে গিয়ে বর্তমানে প্রতি কেজি ১০০ থেকে ১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
বাজার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ডুমুরিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মিজ সবিতা সরকার নিয়মিত তদারকি ও বাজার মনিটরিং কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। তিনি ব্যবসায়ীদের পাইকারি ও খুচরা মূল্যের মধ্যে সামঞ্জস্য রেখে যৌক্তিক লাভে পণ্য বিক্রির নির্দেশনা দিয়েছেন।
ইউএনও সবিতা সরকার স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, "কোনো ব্যবসায়ী কৃত্রিম সংকট তৈরি করে বা সিন্ডিকেট করে সাধারণ ক্রেতাদের জিম্মি করতে পারবে না। মূল্য তালিকা দৃশ্যমান স্থানে না টাঙালে বা অতিরিক্ত দাম নিলে জরিমানা ও দোকান সিলগালাসহ কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
ইতিমধ্যেই ডুমুরিয়া ও চুকনগরসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বাজারে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হচ্ছে।
সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখতে আড়তদারদের মজুত পরিস্থিতি নিয়মিত যাচাই করছে উপজেলা প্রশাসন। এছাড়া সাধারণ ক্রেতাদের কোনো অসংগতি দেখলে তাৎক্ষণিকভাবে প্রশাসনকে অবহিত করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ মে ২০২৬
খুলনার ডুমুরিয়ায় মে মাসের মাঝামাঝি সময়ে কাঁচাবাজারে গরুর মাংস, পেঁয়াজ ও কাঁচা মরিচের দাম সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের বাইরে চলে গেছে।
সাম্প্রতিক বৃষ্টিপাত এবং জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির ফলে পরিবহন খরচ বেড়ে যাওয়াকে এই ঊর্ধ্বগতির প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা।
মে মাসের শুরু থেকে কেজিতে ২০ থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত বেড়ে বর্তমানে প্রতি কেজি ৮০০ থেকে ৮২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ব্যবসায়ীদের দাবি, খামার থেকে গরু পরিবহনে খরচ বেড়ে যাওয়ায় এই মূল্যবৃদ্ধি।
গত সপ্তাহের তুলনায় বাজারে দেশি পেঁয়াজের দামে অস্থিরতা দেখা গেছে। প্রতি কেজি ৭৫ থেকে ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা গত সপ্তাহে ছিল ৬০-৬৫ টাকা।
সবজির বাজারে সবচেয়ে অস্থিতিশীল পণ্যটি হলো কাঁচা মরিচ। অতিবৃষ্টিতে ক্ষেত নষ্ট হওয়ায় সরবরাহ কমে গিয়ে বর্তমানে প্রতি কেজি ১০০ থেকে ১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
বাজার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ডুমুরিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মিজ সবিতা সরকার নিয়মিত তদারকি ও বাজার মনিটরিং কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। তিনি ব্যবসায়ীদের পাইকারি ও খুচরা মূল্যের মধ্যে সামঞ্জস্য রেখে যৌক্তিক লাভে পণ্য বিক্রির নির্দেশনা দিয়েছেন।
ইউএনও সবিতা সরকার স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, "কোনো ব্যবসায়ী কৃত্রিম সংকট তৈরি করে বা সিন্ডিকেট করে সাধারণ ক্রেতাদের জিম্মি করতে পারবে না। মূল্য তালিকা দৃশ্যমান স্থানে না টাঙালে বা অতিরিক্ত দাম নিলে জরিমানা ও দোকান সিলগালাসহ কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
ইতিমধ্যেই ডুমুরিয়া ও চুকনগরসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বাজারে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হচ্ছে।
সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখতে আড়তদারদের মজুত পরিস্থিতি নিয়মিত যাচাই করছে উপজেলা প্রশাসন। এছাড়া সাধারণ ক্রেতাদের কোনো অসংগতি দেখলে তাৎক্ষণিকভাবে প্রশাসনকে অবহিত করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন