হরমুজ প্রণালির আন্তর্জাতিক জলসীমা থেকে সব মাইন বিস্ফোরিত করে ধ্বংস অথবা সরিয়ে ফেলা হয়েছে বলে দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একই সঙ্গে ইরানকে সতর্ক করে তিনি বলেছেন, নতুন করে কোনো জাহাজ বা নৌযান থেকে মাইন পাতা হলে সেটি ধ্বংস করা হবে।
মঙ্গলবার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের স্পেস ফোর্স হরমুজ প্রণালির ‘প্রতিটি বর্গইঞ্চি’ পর্যবেক্ষণ করছে। গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথে মাইন পাতা ঠেকাতে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি কার্যকর রয়েছে বলেও জানান তিনি।
হরমুজ প্রণালি বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ। কয়েক সপ্তাহ ধরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সামরিক বাহিনী পরস্পরের ওপর বিমান হামলা না চালালেও প্রণালিতে জাহাজ চলাচল ঘিরে হামলা ও উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে। দুই দেশই কৌশলগত এই নৌপথের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে অবস্থান শক্ত করার চেষ্টা করছে।
জাহাজ চলাচল পর্যবেক্ষণকারী প্রতিষ্ঠান ভর্টেক্সার প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, সোমবার হরমুজ প্রণালি দিয়ে প্রতিদিন প্রায় ৫০ লাখ ব্যারেল তেল পরিবহন হয়েছে। যুদ্ধ শুরুর আগে এই পরিমাণ ছিল দৈনিক ২ কোটি ব্যারেলেরও বেশি। অর্থাৎ বর্তমানে বৈশ্বিকভাবে ব্যবহৃত প্রতি পাঁচ ব্যারেল তেলের মধ্যে প্রায় এক ব্যারেলের সমপরিমাণ তেল এই নৌপথ দিয়ে পরিবহন হচ্ছে।
হরমুজ প্রণালিতে নিরাপত্তা পরিস্থিতির এই অস্থিরতা অব্যাহত থাকলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ও আন্তর্জাতিক বাজারে এর প্রভাব আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ আগস্ট ২০২৬
হরমুজ প্রণালির আন্তর্জাতিক জলসীমা থেকে সব মাইন বিস্ফোরিত করে ধ্বংস অথবা সরিয়ে ফেলা হয়েছে বলে দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একই সঙ্গে ইরানকে সতর্ক করে তিনি বলেছেন, নতুন করে কোনো জাহাজ বা নৌযান থেকে মাইন পাতা হলে সেটি ধ্বংস করা হবে।
মঙ্গলবার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের স্পেস ফোর্স হরমুজ প্রণালির ‘প্রতিটি বর্গইঞ্চি’ পর্যবেক্ষণ করছে। গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথে মাইন পাতা ঠেকাতে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি কার্যকর রয়েছে বলেও জানান তিনি।
হরমুজ প্রণালি বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ। কয়েক সপ্তাহ ধরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সামরিক বাহিনী পরস্পরের ওপর বিমান হামলা না চালালেও প্রণালিতে জাহাজ চলাচল ঘিরে হামলা ও উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে। দুই দেশই কৌশলগত এই নৌপথের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে অবস্থান শক্ত করার চেষ্টা করছে।
জাহাজ চলাচল পর্যবেক্ষণকারী প্রতিষ্ঠান ভর্টেক্সার প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, সোমবার হরমুজ প্রণালি দিয়ে প্রতিদিন প্রায় ৫০ লাখ ব্যারেল তেল পরিবহন হয়েছে। যুদ্ধ শুরুর আগে এই পরিমাণ ছিল দৈনিক ২ কোটি ব্যারেলেরও বেশি। অর্থাৎ বর্তমানে বৈশ্বিকভাবে ব্যবহৃত প্রতি পাঁচ ব্যারেল তেলের মধ্যে প্রায় এক ব্যারেলের সমপরিমাণ তেল এই নৌপথ দিয়ে পরিবহন হচ্ছে।
হরমুজ প্রণালিতে নিরাপত্তা পরিস্থিতির এই অস্থিরতা অব্যাহত থাকলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ও আন্তর্জাতিক বাজারে এর প্রভাব আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন