গোপালগঞ্জ জেলার মুকসুদপুর উপজেলার এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশের দাবি, ইজিবাইক ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যা করা হয়।
বুধবার (১০ জুন) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে মাদারীপুর জেলার রাজৈর উপজেলার কবিরাজপুর ইউনিয়নের পান্থাপাড়া এলাকার একটি নির্জন ঝোপ থেকে শহিদুলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত শহিদুল মাতুব্বর মুকসুদপুর উপজেলার কমলাপুর গ্রামের মৃত আব্দুল ছালাম মাতুব্বরের ছেলে। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়া দুজন হলেন একই উপজেলার কমলাপুর গ্রামের নুর হোসেন ও পলাশ শেখ। পুলিশ জানায়, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তদন্ত চালিয়ে এই ক্লু-লেস হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করা হয়েছে।
মুকসুদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন ইজিবাইক চালকের মরদেহ উদ্ধারের পাশাপাশি দুই আসামিকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত ৬ জুন সকালে জীবিকার উদ্দেশ্যে নিজের ইজিবাইক নিয়ে বাড়ি থেকে বের হন শহিদুল। কিন্তু দিন শেষে রাত পর্যন্ত তিনি বাড়ি ফিরে না আসায় পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। একই সঙ্গে তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটিও বন্ধ পাওয়া যায়। পরদিন ৭ জুন শহিদুলের ভাই শাহিদুল ইসলাম মুকসুদপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
জিডি পাওয়ার পর পুলিশ তদন্ত শুরু করে এবং তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ঘটনার সূত্র খুঁজতে থাকে। একপর্যায়ে সন্দেহভাজন হিসেবে নুর হোসেন ও পলাশ শেখকে আটক করা হয়। পরে জিজ্ঞাসাবাদে তারা হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
আসামিদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বুধবার বিকেলে রাজৈর উপজেলার কাটাগাং সংলগ্ন পান্থাপাড়া এলাকার একটি জঙ্গল থেকে শহিদুলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, ইজিবাইক ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে শহিদুলকে কৌশলে একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে শ্বাসরোধ করে তাকে হত্যা করার পর মরদেহ গোপন করা হয়। পরে পুলিশের অভিযানে ছিনতাই হওয়া ইজিবাইকটিও উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।
ঘটনার পর এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ জুন ২০২৬
গোপালগঞ্জ জেলার মুকসুদপুর উপজেলার এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশের দাবি, ইজিবাইক ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যা করা হয়।
বুধবার (১০ জুন) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে মাদারীপুর জেলার রাজৈর উপজেলার কবিরাজপুর ইউনিয়নের পান্থাপাড়া এলাকার একটি নির্জন ঝোপ থেকে শহিদুলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত শহিদুল মাতুব্বর মুকসুদপুর উপজেলার কমলাপুর গ্রামের মৃত আব্দুল ছালাম মাতুব্বরের ছেলে। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়া দুজন হলেন একই উপজেলার কমলাপুর গ্রামের নুর হোসেন ও পলাশ শেখ। পুলিশ জানায়, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তদন্ত চালিয়ে এই ক্লু-লেস হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করা হয়েছে।
মুকসুদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন ইজিবাইক চালকের মরদেহ উদ্ধারের পাশাপাশি দুই আসামিকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত ৬ জুন সকালে জীবিকার উদ্দেশ্যে নিজের ইজিবাইক নিয়ে বাড়ি থেকে বের হন শহিদুল। কিন্তু দিন শেষে রাত পর্যন্ত তিনি বাড়ি ফিরে না আসায় পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। একই সঙ্গে তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটিও বন্ধ পাওয়া যায়। পরদিন ৭ জুন শহিদুলের ভাই শাহিদুল ইসলাম মুকসুদপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
জিডি পাওয়ার পর পুলিশ তদন্ত শুরু করে এবং তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ঘটনার সূত্র খুঁজতে থাকে। একপর্যায়ে সন্দেহভাজন হিসেবে নুর হোসেন ও পলাশ শেখকে আটক করা হয়। পরে জিজ্ঞাসাবাদে তারা হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
আসামিদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বুধবার বিকেলে রাজৈর উপজেলার কাটাগাং সংলগ্ন পান্থাপাড়া এলাকার একটি জঙ্গল থেকে শহিদুলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, ইজিবাইক ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে শহিদুলকে কৌশলে একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে শ্বাসরোধ করে তাকে হত্যা করার পর মরদেহ গোপন করা হয়। পরে পুলিশের অভিযানে ছিনতাই হওয়া ইজিবাইকটিও উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।
ঘটনার পর এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন