নজর বিডি | : আজারবাইজানের ফার্স্ট ভাইস-প্রেসিডেন্ট ও হায়দার আলিয়েভা ফাউন্ডেশনের প্রেসিডেন্ট মেহরিবান আলিয়েভা দেশটির সায়েন্টিফিক রিসার্চ ইনস্টিটিউট অব পেডিয়াট্রিকস পরিদর্শন করেছেন। ২৬ আগস্ট তিনি তাঁর দুই মেয়ে লায়লা আলিয়েভা ও আরজু আলিয়েভাকে সঙ্গে নিয়ে প্রতিষ্ঠানটি পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শনকালে আজারবাইজানের স্বাস্থ্যমন্ত্রী তৈমুর মুসায়েভ ইনস্টিটিউটের বিভিন্ন কার্যক্রম ও সেবার বিষয়ে ফার্স্ট ভাইস-প্রেসিডেন্টকে অবহিত করেন।
শিশুদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় প্রতিষ্ঠানটি এক শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। ১৯২৫ সালে ২০০ শয্যার একটি শিশু হাসপাতালের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম শুরু হয়। পরে ১৯২৭ সালে এটি মা ও শিশু সুরক্ষা ইনস্টিটিউট হিসেবে পুনর্গঠিত হয়।
বর্তমানে ইনস্টিটিউটটি শিশুদের রোগ নির্ণয়, চিকিৎসা ও প্রতিরোধের পাশাপাশি শিশু চিকিৎসায় দক্ষ জনবল তৈরির প্রশিক্ষণ, বৈজ্ঞানিক গবেষণা এবং চিকিৎসা শিক্ষার উন্নয়নে কাজ করছে।
প্রতিষ্ঠানটির ক্লিনিক্যাল বিভাগগুলোতে মোট ২৫৫টি শয্যা রয়েছে। পাশাপাশি রয়েছে বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক ও প্যারাক্লিনিক্যাল বিভাগ। এর মধ্যে ৬০ শয্যার নবজাতক পুনরুজ্জীবন ও নিবিড় পরিচর্যা বিভাগটি পুরো আজারবাইজানের জন্য একটি কেন্দ্রীয় চিকিৎসাসেবা হিসেবে কাজ করছে।
পরিদর্শনকালে মেহরিবান আলিয়েভা ও তাঁর দুই মেয়ে শিশুদের চিকিৎসার জন্য ইনস্টিটিউটে থাকা বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা ঘুরে দেখেন। এ সময় প্রতিষ্ঠানটির ভবিষ্যৎ কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে মেকানিক্যাল ভেন্টিলেটরসহ বিভিন্ন চিকিৎসা সরঞ্জাম প্রদান করা হয়।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, শিশুদের উন্নত ও আধুনিক চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে এ উদ্যোগ আজারবাইজানের স্বাস্থ্য খাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ আগস্ট ২০২৬
নজর বিডি | : আজারবাইজানের ফার্স্ট ভাইস-প্রেসিডেন্ট ও হায়দার আলিয়েভা ফাউন্ডেশনের প্রেসিডেন্ট মেহরিবান আলিয়েভা দেশটির সায়েন্টিফিক রিসার্চ ইনস্টিটিউট অব পেডিয়াট্রিকস পরিদর্শন করেছেন। ২৬ আগস্ট তিনি তাঁর দুই মেয়ে লায়লা আলিয়েভা ও আরজু আলিয়েভাকে সঙ্গে নিয়ে প্রতিষ্ঠানটি পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শনকালে আজারবাইজানের স্বাস্থ্যমন্ত্রী তৈমুর মুসায়েভ ইনস্টিটিউটের বিভিন্ন কার্যক্রম ও সেবার বিষয়ে ফার্স্ট ভাইস-প্রেসিডেন্টকে অবহিত করেন।
শিশুদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় প্রতিষ্ঠানটি এক শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। ১৯২৫ সালে ২০০ শয্যার একটি শিশু হাসপাতালের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম শুরু হয়। পরে ১৯২৭ সালে এটি মা ও শিশু সুরক্ষা ইনস্টিটিউট হিসেবে পুনর্গঠিত হয়।
বর্তমানে ইনস্টিটিউটটি শিশুদের রোগ নির্ণয়, চিকিৎসা ও প্রতিরোধের পাশাপাশি শিশু চিকিৎসায় দক্ষ জনবল তৈরির প্রশিক্ষণ, বৈজ্ঞানিক গবেষণা এবং চিকিৎসা শিক্ষার উন্নয়নে কাজ করছে।
প্রতিষ্ঠানটির ক্লিনিক্যাল বিভাগগুলোতে মোট ২৫৫টি শয্যা রয়েছে। পাশাপাশি রয়েছে বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক ও প্যারাক্লিনিক্যাল বিভাগ। এর মধ্যে ৬০ শয্যার নবজাতক পুনরুজ্জীবন ও নিবিড় পরিচর্যা বিভাগটি পুরো আজারবাইজানের জন্য একটি কেন্দ্রীয় চিকিৎসাসেবা হিসেবে কাজ করছে।
পরিদর্শনকালে মেহরিবান আলিয়েভা ও তাঁর দুই মেয়ে শিশুদের চিকিৎসার জন্য ইনস্টিটিউটে থাকা বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা ঘুরে দেখেন। এ সময় প্রতিষ্ঠানটির ভবিষ্যৎ কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে মেকানিক্যাল ভেন্টিলেটরসহ বিভিন্ন চিকিৎসা সরঞ্জাম প্রদান করা হয়।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, শিশুদের উন্নত ও আধুনিক চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে এ উদ্যোগ আজারবাইজানের স্বাস্থ্য খাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

আপনার মতামত লিখুন