১৮ সেপ্টেম্বর বন্ধ হচ্ছে রুশ কনস্যুলেট।
নজর বিডি | আন্তর্জাতিক ডেস্ক
জার্মানির পূর্বাঞ্চলীয় লাইপজিগ/হালে বিমানবন্দরে গত ৪ আগস্ট বিস্ফোরকবাহী ড্রোন দিয়ে হামলার চেষ্টার জন্য রাশিয়াকে দায়ী করেছে জার্মান সরকার। দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আলেকজান্ডার ডোব্রিন্ট জানিয়েছেন, পুলিশি তদন্ত, ব্যবহৃত প্রযুক্তি, হামলার ধরন এবং গোয়েন্দা তথ্য বিশ্লেষণ করে রুশ সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে জার্মানি নিশ্চিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) এক সংবাদ সম্মেলনে ডোব্রিন্ট বলেন, সরকার সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে যে ৪ আগস্ট লাইপজিগে সংঘটিত ‘হাইব্রিড হামলার’ জন্য রাশিয়া দায়ী। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ড্রোনের কনফিগারেশন, বিভিন্ন যন্ত্রাংশ, বিস্ফোরক ও বিস্ফোরণ ঘটানোর প্রযুক্তির সঙ্গে রাশিয়ার অন্যান্য কথিত হাইব্রিড অভিযানের মিল পাওয়া গেছে।
গত ৪ আগস্ট লাইপজিগ/হালে বিমানবন্দরের নিরাপত্তা এলাকার একটি ইউক্রেনীয় কার্গো বিমানের কাছে বিস্ফোরক বহনকারী একটি ড্রোন পাওয়া যায়। পরে সেটি নিষ্ক্রিয় করা হয়। ঘটনার কারণে বিমানবন্দরের কার্যক্রম সাময়িকভাবে ব্যাহত হয়েছিল।
ঘটনার পর রাশিয়ার বিরুদ্ধে একাধিক কূটনৈতিক ও নিরাপত্তামূলক পদক্ষেপ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে জার্মানি।
জার্মান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইয়োহান ভাডেফুল জানিয়েছেন, ১৮ সেপ্টেম্বর বন শহরে অবস্থিত রাশিয়ার জেনারেল কনস্যুলেট বন্ধ করে দেওয়া হবে। পাশাপাশি বার্লিনে অবস্থিত ‘রাশিয়ান হাউস’-এর সঙ্গে করা চুক্তিও বাতিল করা হবে। রুশ নাগরিকদের ক্ষেত্রে প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ আরও কঠোর করার কথাও জানিয়েছে জার্মানি।
এ ছাড়া ইউরোপীয় ইউনিয়নের মাধ্যমে আরও রুশ ব্যক্তির বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন জার্মান পররাষ্ট্রমন্ত্রী। রুশ রাষ্ট্রদূতকেও তলব করা হয়েছে।
তবে জার্মানির অভিযোগ অস্বীকার করেছে মস্কো। রাশিয়া এই অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে প্রত্যাখ্যান করেছে এবং জার্মানির পদক্ষেপের সমালোচনা করেছে।
লাইপজিগ বিমানবন্দরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে জার্মানি ও রাশিয়ার মধ্যে কূটনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। জার্মান সরকার ঘটনাটিকে ইউরোপে রাশিয়ার কথিত ‘হাইব্রিড কর্মকাণ্ডের’ বৃহত্তর ধারার অংশ হিসেবে দেখছে।
নজর বিডি | সত্য ও তথ্যের সঙ্গে সবসময়

বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
১৮ সেপ্টেম্বর বন্ধ হচ্ছে রুশ কনস্যুলেট।
নজর বিডি | আন্তর্জাতিক ডেস্ক
জার্মানির পূর্বাঞ্চলীয় লাইপজিগ/হালে বিমানবন্দরে গত ৪ আগস্ট বিস্ফোরকবাহী ড্রোন দিয়ে হামলার চেষ্টার জন্য রাশিয়াকে দায়ী করেছে জার্মান সরকার। দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আলেকজান্ডার ডোব্রিন্ট জানিয়েছেন, পুলিশি তদন্ত, ব্যবহৃত প্রযুক্তি, হামলার ধরন এবং গোয়েন্দা তথ্য বিশ্লেষণ করে রুশ সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে জার্মানি নিশ্চিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) এক সংবাদ সম্মেলনে ডোব্রিন্ট বলেন, সরকার সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে যে ৪ আগস্ট লাইপজিগে সংঘটিত ‘হাইব্রিড হামলার’ জন্য রাশিয়া দায়ী। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ড্রোনের কনফিগারেশন, বিভিন্ন যন্ত্রাংশ, বিস্ফোরক ও বিস্ফোরণ ঘটানোর প্রযুক্তির সঙ্গে রাশিয়ার অন্যান্য কথিত হাইব্রিড অভিযানের মিল পাওয়া গেছে।
গত ৪ আগস্ট লাইপজিগ/হালে বিমানবন্দরের নিরাপত্তা এলাকার একটি ইউক্রেনীয় কার্গো বিমানের কাছে বিস্ফোরক বহনকারী একটি ড্রোন পাওয়া যায়। পরে সেটি নিষ্ক্রিয় করা হয়। ঘটনার কারণে বিমানবন্দরের কার্যক্রম সাময়িকভাবে ব্যাহত হয়েছিল।
ঘটনার পর রাশিয়ার বিরুদ্ধে একাধিক কূটনৈতিক ও নিরাপত্তামূলক পদক্ষেপ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে জার্মানি।
জার্মান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইয়োহান ভাডেফুল জানিয়েছেন, ১৮ সেপ্টেম্বর বন শহরে অবস্থিত রাশিয়ার জেনারেল কনস্যুলেট বন্ধ করে দেওয়া হবে। পাশাপাশি বার্লিনে অবস্থিত ‘রাশিয়ান হাউস’-এর সঙ্গে করা চুক্তিও বাতিল করা হবে। রুশ নাগরিকদের ক্ষেত্রে প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ আরও কঠোর করার কথাও জানিয়েছে জার্মানি।
এ ছাড়া ইউরোপীয় ইউনিয়নের মাধ্যমে আরও রুশ ব্যক্তির বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন জার্মান পররাষ্ট্রমন্ত্রী। রুশ রাষ্ট্রদূতকেও তলব করা হয়েছে।
তবে জার্মানির অভিযোগ অস্বীকার করেছে মস্কো। রাশিয়া এই অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে প্রত্যাখ্যান করেছে এবং জার্মানির পদক্ষেপের সমালোচনা করেছে।
লাইপজিগ বিমানবন্দরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে জার্মানি ও রাশিয়ার মধ্যে কূটনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। জার্মান সরকার ঘটনাটিকে ইউরোপে রাশিয়ার কথিত ‘হাইব্রিড কর্মকাণ্ডের’ বৃহত্তর ধারার অংশ হিসেবে দেখছে।
নজর বিডি | সত্য ও তথ্যের সঙ্গে সবসময়

আপনার মতামত লিখুন