" সিয়াম সাধনার মাস রমজান। আত্মশুদ্ধির মাস রমজান। তারাবির মাস রমজান। মানুষ মানুষকে ভালোবাসার মাস রমজান " দীর্ঘ এক বছর অপেক্ষার পর আবারও আসলো পবিত্র মাহে রমজান। আশা করা যায় পহেলা মার্চ দিবাগত রাত্রে সেহেরি খাওয়ার মাধ্যমে শুরু হবে পবিত্র মাহে রমজান।
পবিত্র মাহে রমজানে ধর্মপ্রাণ মুসলমানগণ রোজা রাখে সিয়াম সাধনার মাধ্যমে মাসটি অতিবাহিত করেন। তবে কষ্ট হয়ে দাড়ায় নিত্যপন্যের বাজার। সবসময়ই দাম চড়া থাকলেও রমজানে যেনো দাম আরো কয়েকগুণ বাড়িয়ে দেয় ব্যবসয়ীরা।
অনান্য দেশে রমজান মাস আসলে দাম কমানোর হিরিক পড়লেও বাংলাদেশের ঠিক তার উল্টো চিত্র। অনেক সময় দেখা যায় নিত্য পণ্যের বাজার এত চড়া হওয়ার কারণে সাধারণ মানুষ তা ক্রয় করতে পারছে না। বিগত বছরগুলোতে ছিল এর দাম অত্যন্ত চড়া। কিন্তু এবছর তুলনামূলকভাবে অনেকটাই শিথিল। বাজার ঘুরে দেখা গেছে নিত্য পণ্যের দাম তুলনামূলক গতবছরের তুলনা এ বছর অনেকটাই কম। চলুন জেনে আসি কোন পন্যের দাম কেমন? ইফতারিতে সবসময় বেগুনে আগুন লাগলেও এ বছর প্রথম বৃষ্টির সাথে সাথে দাম আপাতত ক্রয় ক্ষমতার মাঝে আছে। তবে লেবুর দাম চড়া। রোজা শুরু হওয়ার তিন-চারদিন আগেই ১০০ টাকা পর্যন্ত লেবুর হালি উঠে গেছে। বর্তমানে সর্বনিম্ন ৫০ টাকা থেকে শুর করতে হবে লেবুর হালি। তারপর আছে আরো দামি। লেবুর শরবত খাওয়া মনে হচ্ছে অনেকটাই কমাতে হবে সাধারণ মানুষদের।
ছোলা বুট বিক্রি হচ্ছে ১১০- ১২০ টাকা কেজি দরে,এংকারের বপসন ৮০-৯০ টাকা কেজি, বুটের বেসন ১৬০ টাকা কেজি,মুড়ি বিক্রি হচ্ছে ৮০-৯০ টাকায়,পিয়াজ ৪০-৪৫ টাকা কেজি, রসুন ১১০-১২০ টাকা , চায়না রসুন ১৩০-১৪০ টাকা কেজি,আদা ১০০-১২০ টাকা,আলু ২০ টাকা, খেসারি ডাল -১২০, ডাবলি - ৭০ টাকা, এংকার ডাল ৭০ টাকা, মসুর ডাল ১১০- ১১৫ টাকা, ক্যাঙ্গারু ডাল, ১৪০ কেজি দরে পাওয়া যাচ্ছে। এবার আসুন চাউলের বাজার থেকে ঘুরে আসা যাক। বিভিন্ন দামে চাল থাকলেও সর্বনিম্ন ৬০ টাকা থেকে শুরু করে ৮০-৮৫ টাকা দরে ভাতের চাল পাওয়া যাচ্ছে। পোলাও বা তেহেরি খাবেন? তাহলে প্রিয় এরফান চাল কিনতে গেলে ১৩০ টাকা খুচরা মূল্যে কিনতে হবে। খোলা আটা ৩৮-৪০ টাকা কেজি, পেকেট আটা ৬০ -৬৫ টাকা কেজি, খোলা তেল ২০০ কেজি, বোতল জাত সয়াবিন তেল -১৯৫-২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গরুর মাংশের দাম মুটামুটি আগের মতই ৭৫০ টাকা কেজি ও খাসির মাংশের মূল্য ১২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
এছাড়াও টমেটো ১০-২০ টাকা কেজি, কাঁচা মরিচ ৬০ টাকা গোল বেগুন ৩০ টাকা কেজি, সিম ৩০-৪০ টাকা সহ মুটামুটি ক্রয় ক্ষমতার মাঝে আছে বলে জানান অনেক ক্রেতা। এ বিষয়ে গাজীপুরের জয়দেবপুর বাজারে শহিদ নামে এক সবজি বিক্রেতা জানান,, গত কয়েক বছরের তুলনায় এ বছর সবজি সহ নিত্য পন্যের দাম অনেকটাই সহনশীল রয়েছে। সম্পূর্ণ রমজান জুরে যদি এভাবে দাম থাকে তবে সকলের জন্য ই বেশ ভালো হতো। এবং আরো নজরদারি করলে বাজার ব্যবস্হাপনা আরো ভালো হবে বলে জানান তিনি।
" সিয়াম সাধনার মাস রমজান। আত্মশুদ্ধির মাস রমজান। তারাবির মাস রমজান। মানুষ মানুষকে ভালোবাসার মাস রমজান " দীর্ঘ এক বছর অপেক্ষার পর আবারও আসলো পবিত্র মাহে রমজান। আশা করা যায় পহেলা মার্চ দিবাগত রাত্রে সেহেরি খাওয়ার মাধ্যমে শুরু হবে পবিত্র মাহে রমজান।
পবিত্র মাহে রমজানে ধর্মপ্রাণ মুসলমানগণ রোজা রাখে সিয়াম সাধনার মাধ্যমে মাসটি অতিবাহিত করেন। তবে কষ্ট হয়ে দাড়ায় নিত্যপন্যের বাজার। সবসময়ই দাম চড়া থাকলেও রমজানে যেনো দাম আরো কয়েকগুণ বাড়িয়ে দেয় ব্যবসয়ীরা।
অনান্য দেশে রমজান মাস আসলে দাম কমানোর হিরিক পড়লেও বাংলাদেশের ঠিক তার উল্টো চিত্র। অনেক সময় দেখা যায় নিত্য পণ্যের বাজার এত চড়া হওয়ার কারণে সাধারণ মানুষ তা ক্রয় করতে পারছে না। বিগত বছরগুলোতে ছিল এর দাম অত্যন্ত চড়া। কিন্তু এবছর তুলনামূলকভাবে অনেকটাই শিথিল। বাজার ঘুরে দেখা গেছে নিত্য পণ্যের দাম তুলনামূলক গতবছরের তুলনা এ বছর অনেকটাই কম। চলুন জেনে আসি কোন পন্যের দাম কেমন? ইফতারিতে সবসময় বেগুনে আগুন লাগলেও এ বছর প্রথম বৃষ্টির সাথে সাথে দাম আপাতত ক্রয় ক্ষমতার মাঝে আছে। তবে লেবুর দাম চড়া। রোজা শুরু হওয়ার তিন-চারদিন আগেই ১০০ টাকা পর্যন্ত লেবুর হালি উঠে গেছে। বর্তমানে সর্বনিম্ন ৫০ টাকা থেকে শুর করতে হবে লেবুর হালি। তারপর আছে আরো দামি। লেবুর শরবত খাওয়া মনে হচ্ছে অনেকটাই কমাতে হবে সাধারণ মানুষদের।
ছোলা বুট বিক্রি হচ্ছে ১১০- ১২০ টাকা কেজি দরে,এংকারের বপসন ৮০-৯০ টাকা কেজি, বুটের বেসন ১৬০ টাকা কেজি,মুড়ি বিক্রি হচ্ছে ৮০-৯০ টাকায়,পিয়াজ ৪০-৪৫ টাকা কেজি, রসুন ১১০-১২০ টাকা , চায়না রসুন ১৩০-১৪০ টাকা কেজি,আদা ১০০-১২০ টাকা,আলু ২০ টাকা, খেসারি ডাল -১২০, ডাবলি - ৭০ টাকা, এংকার ডাল ৭০ টাকা, মসুর ডাল ১১০- ১১৫ টাকা, ক্যাঙ্গারু ডাল, ১৪০ কেজি দরে পাওয়া যাচ্ছে। এবার আসুন চাউলের বাজার থেকে ঘুরে আসা যাক। বিভিন্ন দামে চাল থাকলেও সর্বনিম্ন ৬০ টাকা থেকে শুরু করে ৮০-৮৫ টাকা দরে ভাতের চাল পাওয়া যাচ্ছে। পোলাও বা তেহেরি খাবেন? তাহলে প্রিয় এরফান চাল কিনতে গেলে ১৩০ টাকা খুচরা মূল্যে কিনতে হবে। খোলা আটা ৩৮-৪০ টাকা কেজি, পেকেট আটা ৬০ -৬৫ টাকা কেজি, খোলা তেল ২০০ কেজি, বোতল জাত সয়াবিন তেল -১৯৫-২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গরুর মাংশের দাম মুটামুটি আগের মতই ৭৫০ টাকা কেজি ও খাসির মাংশের মূল্য ১২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
এছাড়াও টমেটো ১০-২০ টাকা কেজি, কাঁচা মরিচ ৬০ টাকা গোল বেগুন ৩০ টাকা কেজি, সিম ৩০-৪০ টাকা সহ মুটামুটি ক্রয় ক্ষমতার মাঝে আছে বলে জানান অনেক ক্রেতা। এ বিষয়ে গাজীপুরের জয়দেবপুর বাজারে শহিদ নামে এক সবজি বিক্রেতা জানান,, গত কয়েক বছরের তুলনায় এ বছর সবজি সহ নিত্য পন্যের দাম অনেকটাই সহনশীল রয়েছে। সম্পূর্ণ রমজান জুরে যদি এভাবে দাম থাকে তবে সকলের জন্য ই বেশ ভালো হতো। এবং আরো নজরদারি করলে বাজার ব্যবস্হাপনা আরো ভালো হবে বলে জানান তিনি।
উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল।
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম।
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।
আপনার মতামত লিখুন