অফিসার্স এসোসিয়েশনের স্ট্যান্ড ফর এনআইডি কর্মসূচি পালন
বাংলাদেশ ইলেকশন কমিশন অফিসার্স এসোসিয়েশন কর্তৃক ঘোষিত সারাদেশের ন্যয় দিনাজপুরেও স্ট্যান্ড ফর এনআইডি কর্মসূচি পালিত হয়েছে।
জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) সেবা কার্যক্রম বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের অধীনে রাখার দাবিতে এই কর্মসূচি পালন করে এসোসিয়েশন। আজ বৃহস্পতিবার বেলা ১১টা থেকে ১টা পর্যন্ত জেলা নির্বাচন অফিসের সামনে বাংলাদেশ ইলেকশন কমিশন অফিসার্স এসোসিয়েশন ঘোষিত সারাদেশের ন্যায় দিনাজপুর জেলায় 'স্ট্যান্ড ফর এনআইডি কর্মসূচী পালিত হচ্ছে।
কর্মসূচীতে দিনাজপুর জেলার নির্বাচন পরিবারের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী অংশগ্রহণ করেছে। কর্মসূচিতে এসোসিয়েশনের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা বক্তব্যে বলেন,ভোটার তালিকার ডাটাবেজ হতে জাতীয় পরিচয়পত্রের উৎপত্তি। গত ১৭বছর ধরে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনই ভোটার তালিকার পাশাপাশি জাতীয় পরিচয়পত্রের সকল কার্যক্রম সাফল্যের সাথে সম্পন্ন করে আসছে। বিগত সরকার জাতীয় পরিচয়পত্র প্রথমে সুরক্ষা সেবা বিভাগে নেওয়ার উদ্যোগ নেয়। কিন্তু রাজনৈতিক দলসহ বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের সকল স্টোক হোল্ডাররা চায় এটি নির্বাচন কমিশনের অধীনেই থাকুক।
বক্তারা বলেন,অতিসম্প্রতি অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ জাতীয় পরিচয়পত্র স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে নেয়ার আইন বাতিল করে তা বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন- এর অধীনেই ন্যস্ত করার সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু ইদানিং লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, আরেকটি কুচক্রী মহল আলাদা কমিশন গঠন করে জাতীয় পরিচয়পত্র পরিচালনার ক্ষমতা হস্তগত করার পায়তারা করছে। এর প্রেক্ষিতে গত ৫ মার্চ জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন-এর অধীনেই রাখার দৃশ্যমান উদ্যোগ নিতে নির্বাচন কমিশনের কাছে স্মারকলিপি দেয়া হয়েছিল সরকার ও কমিশনের দৃশ্যমান উদ্যোগ গ্রহণের জন্য। কমিশন একমত পোষণ করে গেল ৯ মার্চ সরকারকে চিঠিও দিয়েছে। কমিশনের কাছ থেকে সাড়া পেলেও সরকারের পক্ষ হতে আমরা এখনও কোনো কার্যকর সাড়া পাইনি তাই পূর্বঘোষিত কর্মসূচীর অংশ হিসেবে আজ ১৩ মার্চ বৃহস্পতিবার বেলা ১১ টা থেকে ১ টা পর্যন্ত বাংলাদেশ ইলেকশন কমিশন অফিসার্স এসোসিয়েশন কর্তৃক ঘোষিত সময়সূচী অনুযায়ী সারাদেশের ন্যায় দিনাজপুর জেলায় জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে 'স্ট্যান্ড ফর এনআইডি” কর্মসূচী পালন হচ্ছে। এর মধ্যে সরকারের পক্ষ হতে কার্যকর কোনো সাড়া না পেলে বাংলাদেশ ইলেকশন কমিশন অফিসার্স এসোসিয়েশন কর্তৃক পরবর্তী সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে এমনটা জানান ইলেকশন কমিশন অফিসার্স এসোসিয়েশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
অফিসার্স এসোসিয়েশনের স্ট্যান্ড ফর এনআইডি কর্মসূচি পালন
প্রকাশের তারিখ : ১৩ মার্চ ২০২৫
বাংলাদেশ ইলেকশন কমিশন অফিসার্স এসোসিয়েশন কর্তৃক ঘোষিত সারাদেশের ন্যয় দিনাজপুরেও স্ট্যান্ড ফর এনআইডি কর্মসূচি পালিত হয়েছে।
জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) সেবা কার্যক্রম বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের অধীনে রাখার দাবিতে এই কর্মসূচি পালন করে এসোসিয়েশন। আজ বৃহস্পতিবার বেলা ১১টা থেকে ১টা পর্যন্ত জেলা নির্বাচন অফিসের সামনে বাংলাদেশ ইলেকশন কমিশন অফিসার্স এসোসিয়েশন ঘোষিত সারাদেশের ন্যায় দিনাজপুর জেলায় 'স্ট্যান্ড ফর এনআইডি কর্মসূচী পালিত হচ্ছে।
কর্মসূচীতে দিনাজপুর জেলার নির্বাচন পরিবারের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী অংশগ্রহণ করেছে। কর্মসূচিতে এসোসিয়েশনের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা বক্তব্যে বলেন,ভোটার তালিকার ডাটাবেজ হতে জাতীয় পরিচয়পত্রের উৎপত্তি। গত ১৭বছর ধরে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনই ভোটার তালিকার পাশাপাশি জাতীয় পরিচয়পত্রের সকল কার্যক্রম সাফল্যের সাথে সম্পন্ন করে আসছে। বিগত সরকার জাতীয় পরিচয়পত্র প্রথমে সুরক্ষা সেবা বিভাগে নেওয়ার উদ্যোগ নেয়। কিন্তু রাজনৈতিক দলসহ বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের সকল স্টোক হোল্ডাররা চায় এটি নির্বাচন কমিশনের অধীনেই থাকুক।
বক্তারা বলেন,অতিসম্প্রতি অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ জাতীয় পরিচয়পত্র স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে নেয়ার আইন বাতিল করে তা বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন- এর অধীনেই ন্যস্ত করার সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু ইদানিং লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, আরেকটি কুচক্রী মহল আলাদা কমিশন গঠন করে জাতীয় পরিচয়পত্র পরিচালনার ক্ষমতা হস্তগত করার পায়তারা করছে। এর প্রেক্ষিতে গত ৫ মার্চ জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন-এর অধীনেই রাখার দৃশ্যমান উদ্যোগ নিতে নির্বাচন কমিশনের কাছে স্মারকলিপি দেয়া হয়েছিল সরকার ও কমিশনের দৃশ্যমান উদ্যোগ গ্রহণের জন্য। কমিশন একমত পোষণ করে গেল ৯ মার্চ সরকারকে চিঠিও দিয়েছে। কমিশনের কাছ থেকে সাড়া পেলেও সরকারের পক্ষ হতে আমরা এখনও কোনো কার্যকর সাড়া পাইনি তাই পূর্বঘোষিত কর্মসূচীর অংশ হিসেবে আজ ১৩ মার্চ বৃহস্পতিবার বেলা ১১ টা থেকে ১ টা পর্যন্ত বাংলাদেশ ইলেকশন কমিশন অফিসার্স এসোসিয়েশন কর্তৃক ঘোষিত সময়সূচী অনুযায়ী সারাদেশের ন্যায় দিনাজপুর জেলায় জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে 'স্ট্যান্ড ফর এনআইডি” কর্মসূচী পালন হচ্ছে। এর মধ্যে সরকারের পক্ষ হতে কার্যকর কোনো সাড়া না পেলে বাংলাদেশ ইলেকশন কমিশন অফিসার্স এসোসিয়েশন কর্তৃক পরবর্তী সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে এমনটা জানান ইলেকশন কমিশন অফিসার্স এসোসিয়েশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল।
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম।
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।
আপনার মতামত লিখুন