নজর বিডি
প্রকাশ : সোমবার, ১৭ মার্চ ২০২৫

শিক্ষকদের টাইমস্কেল কর্তন সংক্রান্ত চিঠি প্রত্যাহারসহ ৩ দফা দাবি

শিক্ষকদের টাইমস্কেল কর্তন সংক্রান্ত চিঠি প্রত্যাহারসহ ৩ দফা দাবি
২০২০ সালে অর্থ মন্ত্রণালয়ের টাইমস্কেল কর্তন সংক্রান্ত চিঠি প্রত্যাহারসহ ৩ দফা দাবি বাস্তবায়নের দাবিতে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধান উপদেষ্টা বরাবর অধিগ্রহণকৃত প্রাথমিক শিক্ষকদের স্মারকলিপি পেশ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১৭ মার্চ) সকালে দিনাজপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ( শিক্ষা ও আইসিটি) এস এম হাসিবুল হাসানের কাছে স্মারকলিপি তুলে দেন প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দ। এসময় প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির দিনাজপুর শাখার সভাপতি মোমিনুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক অধীন চন্দ্র সরকারসহ অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, জাতীয়করণকৃত শিক্ষকগণ বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলাতান্ত্রিক বৈষম্যের শিকার। অধিগ্রহনকৃত বে-সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক (চাকুরি শর্তাদি নির্ধারণ) বিধিমালা এসআরও ৩১৫নং আইন ২০১৩ এর বিধি-২ উপবিধি-গ, বিধি ৯ উপবিধি (১) (২) (৩) অনুযায়ী কার্যকর চাকুরীকালের ভিত্তিত জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণ, পদোন্নতি, সিলেকশন গ্রেড এবং প্রযোজ্য টাইমস্কেল প্রাপ্য হবেন। কিন্তু পরিতাপের বিষয় প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর গত ২০১৭ সালের ৮ অক্টোবর পত্রের মাধ্যমে জরুরী ভিত্তিতে বিভাগ ওয়ারী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারদেরকে ডেকে এনে কার্যকর চাকুরীকালের ভিত্তিতে হিসাব না ধরে বিধি ৯ উপবিধি ১ এর ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে বেআইনি ভাবে কার্যকর চাকুরীকালের তারিখের পরিবর্তে ২০১৩ সালের ১ জানুয়ারি (জাতীয়করণের তারিখ) ধরে জ্যেষ্ঠতার তালিকা করার মৌখিক নির্দেশ দিয়ে জাতীয়করণকৃত সহকারী শিক্ষকদের প্রধান শিক্ষক পদে চলতি দায়িত্ব প্রদান থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। জাতীয়করণকৃত শিক্ষকদের জন্য যতগুলো আইন ও পরিপত্র মন্ত্রণালয় কর্তৃক জারী করা হয়েছে তার কোনটাতেই জাতীয়করণের তারিখ অর্থাৎ ১০১৩ সালের ১ জানুয়ারি থেকে চাকুরীকাল গণনা করার কথা বলা হয় নাই। যে সকল শিক্ষক অবসরে যাচ্ছেন বেআইনি ভাবে তাদের টাইমস্কেল কেটে নিচ্ছেন বিষয়টি খুবই দুঃখজনক তারই ধারাবাহিকতায় ২০২০ সালের ১২ই আগস্ট অর্থ মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রায় আট বছর পর উত্তোলিত টাইমস্কেল সংক্রান্ত পরিপত্র সংশোধন করে আদায় করার জন্য পত্র জারী করেন। যার দরুন ৪৮ হাজার ৭২০ জন টাইমস্কেল উত্তোলনকৃত শিক্ষক চরম হতাশাগ্রন্থ ও ক্ষতির সম্মুখিন হয়েছে। এমতাবস্থায় অর্থমন্ত্রণালয় কর্তৃক জারীকৃত পত্রটি প্রত্যাহারের পাশাপাশি সমস্যগুলো স্থায়ী সমাধানের ব্যবস্থা গ্রহণে মহোদয়ের সদয় হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়। স্মারকলিপিতে আরো উল্লেখ করা হয়, ৪৮ হাজার ৭২০ জন শিক্ষকের উত্তোলিত টাইমস্কেল সংক্রান্ত জটিলতার স্থায়ী সমাধানে ১২ আগষ্ট ২০২০ তারিখে অর্থ মন্ত্রাণলয় কর্তৃক জারীকৃত পত্রটি বাতিল, অধিগ্রহণকৃত বে-সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক (চাকুরী শর্তাদি নির্ধারণ) বিধিমালা ২০১৩ এর বিধি ২ (গ) অনুযায়ী জ্যেষ্ঠতা, পদোন্নতি প্রদান করি এবং অধিগ্রহণকৃত বে-সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এসএমসি কর্তৃক নিয়োগ প্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে নাম গেজেট থেকে বাদ পড়ায় গেজেটে অন্তর্ভূক্ত করার দাবি জানানো হয়।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
নজর বিডি

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬


শিক্ষকদের টাইমস্কেল কর্তন সংক্রান্ত চিঠি প্রত্যাহারসহ ৩ দফা দাবি

প্রকাশের তারিখ : ১৭ মার্চ ২০২৫

featured Image
২০২০ সালে অর্থ মন্ত্রণালয়ের টাইমস্কেল কর্তন সংক্রান্ত চিঠি প্রত্যাহারসহ ৩ দফা দাবি বাস্তবায়নের দাবিতে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধান উপদেষ্টা বরাবর অধিগ্রহণকৃত প্রাথমিক শিক্ষকদের স্মারকলিপি পেশ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১৭ মার্চ) সকালে দিনাজপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ( শিক্ষা ও আইসিটি) এস এম হাসিবুল হাসানের কাছে স্মারকলিপি তুলে দেন প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দ। এসময় প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির দিনাজপুর শাখার সভাপতি মোমিনুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক অধীন চন্দ্র সরকারসহ অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, জাতীয়করণকৃত শিক্ষকগণ বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলাতান্ত্রিক বৈষম্যের শিকার। অধিগ্রহনকৃত বে-সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক (চাকুরি শর্তাদি নির্ধারণ) বিধিমালা এসআরও ৩১৫নং আইন ২০১৩ এর বিধি-২ উপবিধি-গ, বিধি ৯ উপবিধি (১) (২) (৩) অনুযায়ী কার্যকর চাকুরীকালের ভিত্তিত জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণ, পদোন্নতি, সিলেকশন গ্রেড এবং প্রযোজ্য টাইমস্কেল প্রাপ্য হবেন। কিন্তু পরিতাপের বিষয় প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর গত ২০১৭ সালের ৮ অক্টোবর পত্রের মাধ্যমে জরুরী ভিত্তিতে বিভাগ ওয়ারী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারদেরকে ডেকে এনে কার্যকর চাকুরীকালের ভিত্তিতে হিসাব না ধরে বিধি ৯ উপবিধি ১ এর ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে বেআইনি ভাবে কার্যকর চাকুরীকালের তারিখের পরিবর্তে ২০১৩ সালের ১ জানুয়ারি (জাতীয়করণের তারিখ) ধরে জ্যেষ্ঠতার তালিকা করার মৌখিক নির্দেশ দিয়ে জাতীয়করণকৃত সহকারী শিক্ষকদের প্রধান শিক্ষক পদে চলতি দায়িত্ব প্রদান থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। জাতীয়করণকৃত শিক্ষকদের জন্য যতগুলো আইন ও পরিপত্র মন্ত্রণালয় কর্তৃক জারী করা হয়েছে তার কোনটাতেই জাতীয়করণের তারিখ অর্থাৎ ১০১৩ সালের ১ জানুয়ারি থেকে চাকুরীকাল গণনা করার কথা বলা হয় নাই। যে সকল শিক্ষক অবসরে যাচ্ছেন বেআইনি ভাবে তাদের টাইমস্কেল কেটে নিচ্ছেন বিষয়টি খুবই দুঃখজনক তারই ধারাবাহিকতায় ২০২০ সালের ১২ই আগস্ট অর্থ মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রায় আট বছর পর উত্তোলিত টাইমস্কেল সংক্রান্ত পরিপত্র সংশোধন করে আদায় করার জন্য পত্র জারী করেন। যার দরুন ৪৮ হাজার ৭২০ জন টাইমস্কেল উত্তোলনকৃত শিক্ষক চরম হতাশাগ্রন্থ ও ক্ষতির সম্মুখিন হয়েছে। এমতাবস্থায় অর্থমন্ত্রণালয় কর্তৃক জারীকৃত পত্রটি প্রত্যাহারের পাশাপাশি সমস্যগুলো স্থায়ী সমাধানের ব্যবস্থা গ্রহণে মহোদয়ের সদয় হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়। স্মারকলিপিতে আরো উল্লেখ করা হয়, ৪৮ হাজার ৭২০ জন শিক্ষকের উত্তোলিত টাইমস্কেল সংক্রান্ত জটিলতার স্থায়ী সমাধানে ১২ আগষ্ট ২০২০ তারিখে অর্থ মন্ত্রাণলয় কর্তৃক জারীকৃত পত্রটি বাতিল, অধিগ্রহণকৃত বে-সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক (চাকুরী শর্তাদি নির্ধারণ) বিধিমালা ২০১৩ এর বিধি ২ (গ) অনুযায়ী জ্যেষ্ঠতা, পদোন্নতি প্রদান করি এবং অধিগ্রহণকৃত বে-সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এসএমসি কর্তৃক নিয়োগ প্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে নাম গেজেট থেকে বাদ পড়ায় গেজেটে অন্তর্ভূক্ত করার দাবি জানানো হয়।

নজর বিডি

উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল। 
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম। 
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।


 

কপিরাইট © ২০২৬ নজর বিডি সর্বস্ব সংরক্ষিত