গাজীপুর সিটি করপোরেশনের কাশিমপুর থানার গোবিন্দবাড়ি দেওয়ানপাড়া এলাকায় স্ত্রী খাদিজা আক্তার ও ৪ বছরের শিশুকন্যার নাদিয়া আক্তার এর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশের ধারণা, স্বামী নাজমুল ইসলাম (২৯) প্রথমে তার স্ত্রী খাদিজা আক্তার (২২) ও চার বছরের মেয়ে নাদিয়া আক্তারকে শ্বাসরোধে হত্যা করে পরে নিজে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন।
নাজমুল ইসলাম টাঙ্গাইলের সখিপুর উপজেলার শুলপ্রতিমা গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। তিনি কোনো কাজ করতেন না এবং মাদকাসক্ত ছিলেন বলে পুলিশ জানিয়েছে। নাজমুল তার শ্বশুরের দেওয়া বাড়িতে স্ত্রী ও সন্তান নিয়ে বসবাস করতেন।
শনিবার রাত ১১টার দিকে তারা ঘুমাতে যান। সকালে তাদের কোনো সাড়া-শব্দ না পেয়ে নাজমুলের শ্বশুর ঘরের পেছনের জানালা খুলে মেয়ের জামাইয়ের ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান। পরে দরজা ভেঙে ঘরের ভেতরে ঢুকে মেয়ে খাদিজা ও তাদের সন্তান নাদিয়ার লাশ পড়ে থাকতে দেখে থানায় খবর দেন এলাকাবাসী।
পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহগুলো উদ্ধার করে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
এই মর্মান্তিক ঘটনার পর পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পারিবারিক কলহ ও মাদকাসক্তির কারণে এই ঘটনা ঘটতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
গাজীপুর সিটি করপোরেশনের কাশিমপুর থানার গোবিন্দবাড়ি দেওয়ানপাড়া এলাকায় স্ত্রী খাদিজা আক্তার ও ৪ বছরের শিশুকন্যার নাদিয়া আক্তার এর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশের ধারণা, স্বামী নাজমুল ইসলাম (২৯) প্রথমে তার স্ত্রী খাদিজা আক্তার (২২) ও চার বছরের মেয়ে নাদিয়া আক্তারকে শ্বাসরোধে হত্যা করে পরে নিজে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন।
নাজমুল ইসলাম টাঙ্গাইলের সখিপুর উপজেলার শুলপ্রতিমা গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। তিনি কোনো কাজ করতেন না এবং মাদকাসক্ত ছিলেন বলে পুলিশ জানিয়েছে। নাজমুল তার শ্বশুরের দেওয়া বাড়িতে স্ত্রী ও সন্তান নিয়ে বসবাস করতেন।
শনিবার রাত ১১টার দিকে তারা ঘুমাতে যান। সকালে তাদের কোনো সাড়া-শব্দ না পেয়ে নাজমুলের শ্বশুর ঘরের পেছনের জানালা খুলে মেয়ের জামাইয়ের ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান। পরে দরজা ভেঙে ঘরের ভেতরে ঢুকে মেয়ে খাদিজা ও তাদের সন্তান নাদিয়ার লাশ পড়ে থাকতে দেখে থানায় খবর দেন এলাকাবাসী।
পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহগুলো উদ্ধার করে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
এই মর্মান্তিক ঘটনার পর পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পারিবারিক কলহ ও মাদকাসক্তির কারণে এই ঘটনা ঘটতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল।
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম।
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।
আপনার মতামত লিখুন