ডিসির পুরাতন বাংলো থেকে বিপুল পরিমাণ সিল মারা ব্যালট উদ্ধার
নাটোরে জেলা প্রশাসকের (ডিসি) পুরাতন ডাক বাংলোর বাঁশঝাড়ের নিচের গর্ত থেকে বিপুল সংখ্যক সিল মারা ব্যালট পেপার উদ্ধার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। উদ্ধার হওয়া ব্যালটগুলো দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্যবহৃত হয়েছিল, যেখানে নাটোর-১ (লালপুর-বাগাতিপাড়া) আসনের বিভিন্ন প্রার্থীর প্রতীকে সিল মারা ছিল।
আজ শনিবার (৩০ মার্চ) দুপুর ১২টার দিকে জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) তথ্যের ভিত্তিতে কান্দিভিটা এলাকার জেলা প্রশাসকের বাংলোয় এ অভিযান পরিচালিত হয়। জেলা প্রশাসকের প্রতিনিধি নেজারত ডেপুটি কালেক্টর (এনডিসি) রাসেদুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, পুরাতন বাংলোর ভেতরের পুকুরে অস্ত্র উদ্ধারের সময় গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যদের নজরে পড়ে ব্যালট পেপারগুলো। পরে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে ব্যালটগুলো উদ্ধার করেন। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মতে, ২০২৪ সালের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ব্যালট পেপার ধ্বংসের জন্য এখানে আনা হয়েছিল।
এ ঘটনায় তদন্ত চলছে এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, পুরো বিষয়টি যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ডিসির পুরাতন বাংলো থেকে বিপুল পরিমাণ সিল মারা ব্যালট উদ্ধার
প্রকাশের তারিখ : ২৯ মার্চ ২০২৫
নাটোরে জেলা প্রশাসকের (ডিসি) পুরাতন ডাক বাংলোর বাঁশঝাড়ের নিচের গর্ত থেকে বিপুল সংখ্যক সিল মারা ব্যালট পেপার উদ্ধার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। উদ্ধার হওয়া ব্যালটগুলো দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্যবহৃত হয়েছিল, যেখানে নাটোর-১ (লালপুর-বাগাতিপাড়া) আসনের বিভিন্ন প্রার্থীর প্রতীকে সিল মারা ছিল।
আজ শনিবার (৩০ মার্চ) দুপুর ১২টার দিকে জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) তথ্যের ভিত্তিতে কান্দিভিটা এলাকার জেলা প্রশাসকের বাংলোয় এ অভিযান পরিচালিত হয়। জেলা প্রশাসকের প্রতিনিধি নেজারত ডেপুটি কালেক্টর (এনডিসি) রাসেদুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, পুরাতন বাংলোর ভেতরের পুকুরে অস্ত্র উদ্ধারের সময় গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যদের নজরে পড়ে ব্যালট পেপারগুলো। পরে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে ব্যালটগুলো উদ্ধার করেন। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মতে, ২০২৪ সালের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ব্যালট পেপার ধ্বংসের জন্য এখানে আনা হয়েছিল।
এ ঘটনায় তদন্ত চলছে এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, পুরো বিষয়টি যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল।
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম।
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।
আপনার মতামত লিখুন