প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বিলাসপুর ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান কুদ্দুস বেপারী ও স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা জলিল মাদবরের সমর্থকদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক বিরোধ চলছে। উভয়েই একসময় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। চার বছর আগের সেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকেই তাদের মধ্যে উত্তেজনা বাড়তে থাকে। সাম্প্রতিক উত্তেজনার জেরে শনিবার সকালে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষ মুখোমুখি হয়। এসময় উভয় পক্ষ বোমা ও দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়ায়। সংঘর্ষের একটি ১৫ সেকেন্ডের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে, যেখানে দেখা যায়—হেলমেট ও বালতি হাতে থাকা ব্যক্তিরা মাঠের মধ্যে হাতবোমা নিক্ষেপ করছেন, যা বিকট শব্দে বিস্ফোরিত হচ্ছে এবং চারপাশে ধোঁয়ার সৃষ্টি করছে। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় চেয়ারম্যান কুদ্দুস বেপারী জানান, "গত কয়েকদিন ধরে এলাকায় উত্তেজনা চলছে, বিষয়টি আমি একাধিকবার থানাকে জানিয়েছি। আজকের সংঘর্ষের সঙ্গে আমার কোনো সম্পৃক্ততা নেই।" এদিকে জলিল মাদবর ও তার ঘনিষ্ঠ সহযোগী সলাউদ্দিন মাস্টারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তারা ফোন রিসিভ করেননি, ফলে তাদের বক্তব্য জানা যায়নি। জাজিরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দুলাল আখন্দ জানান, “আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। বর্তমানে এলাকা শান্ত রয়েছে। ঘটনার তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” ঘটনার পর থেকে এলাকাজুড়ে আতঙ্ক বিরাজ করছে, এবং পুলিশের টহল জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ এপ্রিল ২০২৫
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বিলাসপুর ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান কুদ্দুস বেপারী ও স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা জলিল মাদবরের সমর্থকদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক বিরোধ চলছে। উভয়েই একসময় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। চার বছর আগের সেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকেই তাদের মধ্যে উত্তেজনা বাড়তে থাকে। সাম্প্রতিক উত্তেজনার জেরে শনিবার সকালে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষ মুখোমুখি হয়। এসময় উভয় পক্ষ বোমা ও দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়ায়। সংঘর্ষের একটি ১৫ সেকেন্ডের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে, যেখানে দেখা যায়—হেলমেট ও বালতি হাতে থাকা ব্যক্তিরা মাঠের মধ্যে হাতবোমা নিক্ষেপ করছেন, যা বিকট শব্দে বিস্ফোরিত হচ্ছে এবং চারপাশে ধোঁয়ার সৃষ্টি করছে। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় চেয়ারম্যান কুদ্দুস বেপারী জানান, "গত কয়েকদিন ধরে এলাকায় উত্তেজনা চলছে, বিষয়টি আমি একাধিকবার থানাকে জানিয়েছি। আজকের সংঘর্ষের সঙ্গে আমার কোনো সম্পৃক্ততা নেই।" এদিকে জলিল মাদবর ও তার ঘনিষ্ঠ সহযোগী সলাউদ্দিন মাস্টারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তারা ফোন রিসিভ করেননি, ফলে তাদের বক্তব্য জানা যায়নি। জাজিরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দুলাল আখন্দ জানান, “আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। বর্তমানে এলাকা শান্ত রয়েছে। ঘটনার তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” ঘটনার পর থেকে এলাকাজুড়ে আতঙ্ক বিরাজ করছে, এবং পুলিশের টহল জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

আপনার মতামত লিখুন