স্বাস্থ্য ডেস্ক | ২১ ডিসেম্বর ২০২৫
সাম্প্রতিক এই গবেষণায় উঠে এসেছে যে, অতি-প্রক্রিয়াজাত খাবার শুধু ওজনই বাড়ায় না, এটি সরাসরি পুরুষদের শুক্রাণুর সংখ্যা এবং এর গুণগত মান নষ্ট করে। গবেষকদের মতে, একই পরিমাণ ক্যালোরি গ্রহণ করলেও সাধারণ খাবারের তুলনায় প্রক্রিয়াজাত খাবার দ্রুত মেদ বাড়ায় এবং হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট করে।
বিশেষজ্ঞ সারাংশ জৈনের মতে, যারা নিয়মিত উচ্চ ক্যালোরিযুক্ত অতি-প্রক্রিয়াজাত খাবার খান, তাদের শরীরে ফলিকল স্টিমুলেটিং হরমোন (FSH)-এর মাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়। উল্লেখ্য, শুক্রাণু উৎপাদনের জন্য এই হরমোন অপরিহার্য। ফলে:
শুক্রাণুর সংখ্যা দ্রুত কমে যায়।
শুক্রাণুর গতিশীলতা বা সচলতা বাধাগ্রস্ত হয়।
প্রজনন ক্ষমতা দীর্ঘমেয়াদে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
গবেষকরা এই সমস্যার জন্য cxMINP নামক এক ধরনের রাসায়নিককে দায়ী করছেন, যা প্রক্রিয়াজাত খাবারে পাওয়া যায়। এটি একটি এন্ডোক্রাইন ডিসরাপ্টর হিসেবে কাজ করে, যা শরীরের হরমোন ব্যবস্থায় বড় ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে এবং সামগ্রিক যৌন স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।
চিকিৎসকদের মতে, দীর্ঘমেয়াদী স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়াতে এবং প্রজনন ক্ষমতা অটুট রাখতে:
প্যাকেটজাত বা ফ্রোজেন ফুড এড়িয়ে চলা উচিত।
প্রাকৃতিক ও তাজা শাকসবজি, ফলমূল এবং ঘরে তৈরি খাবারকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।
কৃত্রিম স্বাদযুক্ত ও অতি-প্রক্রিয়াজাত পানীয় থেকে দূরে থাকতে হবে।
সূত্র: দ্য ওয়াল

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ ডিসেম্বর ২০২৫
স্বাস্থ্য ডেস্ক | ২১ ডিসেম্বর ২০২৫
সাম্প্রতিক এই গবেষণায় উঠে এসেছে যে, অতি-প্রক্রিয়াজাত খাবার শুধু ওজনই বাড়ায় না, এটি সরাসরি পুরুষদের শুক্রাণুর সংখ্যা এবং এর গুণগত মান নষ্ট করে। গবেষকদের মতে, একই পরিমাণ ক্যালোরি গ্রহণ করলেও সাধারণ খাবারের তুলনায় প্রক্রিয়াজাত খাবার দ্রুত মেদ বাড়ায় এবং হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট করে।
বিশেষজ্ঞ সারাংশ জৈনের মতে, যারা নিয়মিত উচ্চ ক্যালোরিযুক্ত অতি-প্রক্রিয়াজাত খাবার খান, তাদের শরীরে ফলিকল স্টিমুলেটিং হরমোন (FSH)-এর মাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়। উল্লেখ্য, শুক্রাণু উৎপাদনের জন্য এই হরমোন অপরিহার্য। ফলে:
শুক্রাণুর সংখ্যা দ্রুত কমে যায়।
শুক্রাণুর গতিশীলতা বা সচলতা বাধাগ্রস্ত হয়।
প্রজনন ক্ষমতা দীর্ঘমেয়াদে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
গবেষকরা এই সমস্যার জন্য cxMINP নামক এক ধরনের রাসায়নিককে দায়ী করছেন, যা প্রক্রিয়াজাত খাবারে পাওয়া যায়। এটি একটি এন্ডোক্রাইন ডিসরাপ্টর হিসেবে কাজ করে, যা শরীরের হরমোন ব্যবস্থায় বড় ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে এবং সামগ্রিক যৌন স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।
চিকিৎসকদের মতে, দীর্ঘমেয়াদী স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়াতে এবং প্রজনন ক্ষমতা অটুট রাখতে:
প্যাকেটজাত বা ফ্রোজেন ফুড এড়িয়ে চলা উচিত।
প্রাকৃতিক ও তাজা শাকসবজি, ফলমূল এবং ঘরে তৈরি খাবারকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।
কৃত্রিম স্বাদযুক্ত ও অতি-প্রক্রিয়াজাত পানীয় থেকে দূরে থাকতে হবে।
সূত্র: দ্য ওয়াল

আপনার মতামত লিখুন