২৩ ডিসেম্বর ২০২৫

শীতের ঠান্ডা বাতাস সরাসরি হাঁটুতে লাগলে রক্ত সঞ্চালন বাধাগ্রস্ত হয়। তাই সবসময় হাঁটু ঢেকে রাখুন। বাইরে বের হলে বা ঘরেও ভালো মানের নি-ক্যাপ (Knee Cap) বা গরম কাপড় ব্যবহার করুন। এটি রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক রেখে ব্যথা কমাতে সাহায্য করে।
হাঁটু ব্যথায় গরম সেঁক বা হিট থেরাপি জাদুর মতো কাজ করে। হট ওয়াটার ব্যাগ বা গরম কাপড়ের সাহায্যে দিনে অন্তত দুবার সেঁক দিন। এটি হাঁটু ও জয়েন্টের পেশিকে শিথিল করে এবং হাড়ের জড়তা কাটিয়ে যন্ত্রণা কমিয়ে দেয়।
শীতকালে ঠান্ডা জলে স্নান করা জয়েন্টের ব্যথার রোগীদের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। সবসময় কুসুম গরম জলে স্নান করার অভ্যাস করুন। এটি শরীরের স্বাভাবিক তাপমাত্রা বজায় রাখে এবং জয়েন্টের স্টিফনেস বা শক্ত হয়ে যাওয়া ভাব দূর করে।
যাদের হাঁটুতে দীর্ঘদিনের ব্যথা আছে, তারা সিঁড়ি ব্যবহারের সময় সচেতন হোন। সিঁড়ি ওঠানামা করলে হাঁটুতে শরীরের কয়েক গুণ বেশি চাপ পড়ে। খুব প্রয়োজন না হলে এই সময় সমতল জায়গায় হাঁটাচলা করা ভালো।
ব্যথা কমাতে হলুদের জুড়ি নেই। হলুদে থাকা ‘কারকিউমিন’ (Curcumin) উপাদান প্রাকৃতিকভাবে প্রদাহবিরোধী হিসেবে কাজ করে। রাতে ঘুমানোর আগে এক গ্লাস দুধে সামান্য হলুদ মিশিয়ে খেতে পারেন, যা জয়েন্টের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী।

শনিবার, ১৬ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫
২৩ ডিসেম্বর ২০২৫

শীতের ঠান্ডা বাতাস সরাসরি হাঁটুতে লাগলে রক্ত সঞ্চালন বাধাগ্রস্ত হয়। তাই সবসময় হাঁটু ঢেকে রাখুন। বাইরে বের হলে বা ঘরেও ভালো মানের নি-ক্যাপ (Knee Cap) বা গরম কাপড় ব্যবহার করুন। এটি রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক রেখে ব্যথা কমাতে সাহায্য করে।
হাঁটু ব্যথায় গরম সেঁক বা হিট থেরাপি জাদুর মতো কাজ করে। হট ওয়াটার ব্যাগ বা গরম কাপড়ের সাহায্যে দিনে অন্তত দুবার সেঁক দিন। এটি হাঁটু ও জয়েন্টের পেশিকে শিথিল করে এবং হাড়ের জড়তা কাটিয়ে যন্ত্রণা কমিয়ে দেয়।
শীতকালে ঠান্ডা জলে স্নান করা জয়েন্টের ব্যথার রোগীদের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। সবসময় কুসুম গরম জলে স্নান করার অভ্যাস করুন। এটি শরীরের স্বাভাবিক তাপমাত্রা বজায় রাখে এবং জয়েন্টের স্টিফনেস বা শক্ত হয়ে যাওয়া ভাব দূর করে।
যাদের হাঁটুতে দীর্ঘদিনের ব্যথা আছে, তারা সিঁড়ি ব্যবহারের সময় সচেতন হোন। সিঁড়ি ওঠানামা করলে হাঁটুতে শরীরের কয়েক গুণ বেশি চাপ পড়ে। খুব প্রয়োজন না হলে এই সময় সমতল জায়গায় হাঁটাচলা করা ভালো।
ব্যথা কমাতে হলুদের জুড়ি নেই। হলুদে থাকা ‘কারকিউমিন’ (Curcumin) উপাদান প্রাকৃতিকভাবে প্রদাহবিরোধী হিসেবে কাজ করে। রাতে ঘুমানোর আগে এক গ্লাস দুধে সামান্য হলুদ মিশিয়ে খেতে পারেন, যা জয়েন্টের স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী।

আপনার মতামত লিখুন