গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলার ডুমরিয়া ইউনিয়নে চলমান খাল খনন ও পুনঃখনন প্রকল্পের কাজ সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন গোপালগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. আরিফ-উজ-জামান।
শুক্রবার (১৯ জুন ২০২৬) তিনি উপজেলার ডুমরিয়া ইউনিয়নের “পারঝনঝনিয়া নিজাম শেখের ঘের হতে ঠান্ডা মজুমদারের সীমানা পর্যন্ত বার খাল খনন ও পুনঃখনন প্রকল্প” এলাকা পরিদর্শন করেন এবং প্রকল্পের বাস্তবায়ন অগ্রগতি, কাজের গুণগত মান ও ভবিষ্যৎ উপকারিতা সম্পর্কে বিস্তারিত খোঁজখবর নেন।
সূত্র বলছে, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ অগ্রাধিকার প্রকল্পের আওতায় এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচি (ইজিপিপি) এর মাধ্যমে খালটি খনন ও পুনঃখননের কাজ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। প্রকল্পের আওতায় খালটির মোট দৈর্ঘ্য ১ দশমিক ৮ কিলোমিটার, উপরিভাগে প্রস্থ ৩০ ফুট এবং গভীরতা ১০ ফুট নির্ধারণ করা হয়েছে।
পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসককে জানানো হয় যে, প্রকল্পটির বাস্তবায়ন কাজ ইতোমধ্যে প্রায় ৯০ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে। একইসঙ্গে পরিবেশ সংরক্ষণ ও সবুজায়নের অংশ হিসেবে প্রকল্প এলাকায় ১০০টি বৃক্ষরোপণ করা হয়েছে, যা স্থানীয় পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং দীর্ঘমেয়াদে এলাকার সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।সরেজমিনে খালের বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখে জেলা প্রশাসক খনন ও পুনঃখনন কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা করেন। তিনি কাজের মান, পরিকল্পনা অনুযায়ী বাস্তবায়ন এবং প্রকল্পের নির্ধারিত লক্ষ্য অর্জনের বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করেন। এ সময় তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন এবং প্রকল্পের সুফল দ্রুত জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক শোভন সরকার, টুঙ্গিপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার জহিরুল আলম, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা, সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
সংশ্লিষ্টরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, খাল খনন ও পুনঃখনন কার্যক্রম সম্পন্ন হলে এলাকায় জলাবদ্ধতা নিরসনে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। পাশাপাশি কৃষি জমিতে সেচ সুবিধা বৃদ্ধি পাবে এবং ঘেরভিত্তিক মাছ চাষ, হাঁস পালন, সবজি উৎপাদন ও কৃষিপণ্য পরিবহন ব্যবস্থা আরও সহজ হবে।
এর ফলে স্থানীয় অতি দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে এবং সামগ্রিকভাবে এলাকার আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
বিষয় : গোপালগঞ্জ টুঙ্গীপাড়া খাল খনন প্রকল্প

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ জুন ২০২৬
গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলার ডুমরিয়া ইউনিয়নে চলমান খাল খনন ও পুনঃখনন প্রকল্পের কাজ সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন গোপালগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. আরিফ-উজ-জামান।
শুক্রবার (১৯ জুন ২০২৬) তিনি উপজেলার ডুমরিয়া ইউনিয়নের “পারঝনঝনিয়া নিজাম শেখের ঘের হতে ঠান্ডা মজুমদারের সীমানা পর্যন্ত বার খাল খনন ও পুনঃখনন প্রকল্প” এলাকা পরিদর্শন করেন এবং প্রকল্পের বাস্তবায়ন অগ্রগতি, কাজের গুণগত মান ও ভবিষ্যৎ উপকারিতা সম্পর্কে বিস্তারিত খোঁজখবর নেন।
সূত্র বলছে, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ অগ্রাধিকার প্রকল্পের আওতায় এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচি (ইজিপিপি) এর মাধ্যমে খালটি খনন ও পুনঃখননের কাজ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। প্রকল্পের আওতায় খালটির মোট দৈর্ঘ্য ১ দশমিক ৮ কিলোমিটার, উপরিভাগে প্রস্থ ৩০ ফুট এবং গভীরতা ১০ ফুট নির্ধারণ করা হয়েছে।
পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসককে জানানো হয় যে, প্রকল্পটির বাস্তবায়ন কাজ ইতোমধ্যে প্রায় ৯০ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে। একইসঙ্গে পরিবেশ সংরক্ষণ ও সবুজায়নের অংশ হিসেবে প্রকল্প এলাকায় ১০০টি বৃক্ষরোপণ করা হয়েছে, যা স্থানীয় পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং দীর্ঘমেয়াদে এলাকার সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।সরেজমিনে খালের বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখে জেলা প্রশাসক খনন ও পুনঃখনন কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা করেন। তিনি কাজের মান, পরিকল্পনা অনুযায়ী বাস্তবায়ন এবং প্রকল্পের নির্ধারিত লক্ষ্য অর্জনের বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করেন। এ সময় তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন এবং প্রকল্পের সুফল দ্রুত জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক শোভন সরকার, টুঙ্গিপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার জহিরুল আলম, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা, সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
সংশ্লিষ্টরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, খাল খনন ও পুনঃখনন কার্যক্রম সম্পন্ন হলে এলাকায় জলাবদ্ধতা নিরসনে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। পাশাপাশি কৃষি জমিতে সেচ সুবিধা বৃদ্ধি পাবে এবং ঘেরভিত্তিক মাছ চাষ, হাঁস পালন, সবজি উৎপাদন ও কৃষিপণ্য পরিবহন ব্যবস্থা আরও সহজ হবে।
এর ফলে স্থানীয় অতি দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে এবং সামগ্রিকভাবে এলাকার আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

আপনার মতামত লিখুন