ঢাকা, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬: মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিতে (মক্কা প্যাক্ট) বাংলাদেশের অংশগ্রহণের বিষয়ে আরও যাচাই-বাছাই করা হবে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান।
শামা ওবায়েদ বলেন, বহুপক্ষীয় কোনো ফোরাম বা জোটে অংশ নেওয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ‘ফার্স্ট নীতি’ অনুসরণ করে। মক্কা চুক্তিতে যুক্ত হলে বাংলাদেশের কী সুবিধা হবে এবং দেশের জনগণ কীভাবে উপকৃত হবে—এসব বিষয় যাচাই-বাছাই করেই সরকার সিদ্ধান্ত নেবে।
তিনি বলেন, ‘আমরা এখনো অফিসিয়ালি কিছু পাইনি। তবে বিষয়টি উন্মুক্ত আছে, দেখা যাক।’
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, যেকোনো আন্তর্জাতিক জোট বা চুক্তিতে অংশ নেওয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ ও জনগণের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের মধ্যে ২০২৬ সালের ৭ আগস্ট মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তিটির মূল ভিত্তি হলো পারস্পরিক প্রতিরক্ষা সহযোগিতা।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬: মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিতে (মক্কা প্যাক্ট) বাংলাদেশের অংশগ্রহণের বিষয়ে আরও যাচাই-বাছাই করা হবে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান।
শামা ওবায়েদ বলেন, বহুপক্ষীয় কোনো ফোরাম বা জোটে অংশ নেওয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ‘ফার্স্ট নীতি’ অনুসরণ করে। মক্কা চুক্তিতে যুক্ত হলে বাংলাদেশের কী সুবিধা হবে এবং দেশের জনগণ কীভাবে উপকৃত হবে—এসব বিষয় যাচাই-বাছাই করেই সরকার সিদ্ধান্ত নেবে।
তিনি বলেন, ‘আমরা এখনো অফিসিয়ালি কিছু পাইনি। তবে বিষয়টি উন্মুক্ত আছে, দেখা যাক।’
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, যেকোনো আন্তর্জাতিক জোট বা চুক্তিতে অংশ নেওয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ ও জনগণের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের মধ্যে ২০২৬ সালের ৭ আগস্ট মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তিটির মূল ভিত্তি হলো পারস্পরিক প্রতিরক্ষা সহযোগিতা।

আপনার মতামত লিখুন