ইরানের নিহত সর্বোচ্চ নেতা Ayatollah Ali Khamenei-এর শেষকৃত্য উপলক্ষে রাজধানী তেহরানে লাখো মানুষ শোক মিছিলে অংশ নিয়েছে। সোমবার (৬ জুলাই) অনুষ্ঠিত এই শোকযাত্রা ছিল সপ্তাহব্যাপী রাষ্ট্রীয় শোকানুষ্ঠানের সবচেয়ে বড় কর্মসূচি।
ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত ড্রোনচিত্রে রাজধানীর প্রধান সড়কজুড়ে বিপুল জনসমাগম দেখা গেছে। খামেনি ও তার পরিবারের আরও চার সদস্যের মরদেহ একটি বিশেষ শববাহী ট্রাকে বহন করা হয়। প্রচণ্ড গরমে শোকাহত মানুষের স্বস্তির জন্য দমকলের পানি ছিটানোর ব্যবস্থাও করা হয়।
শেষকৃত্য অনুষ্ঠানে খামেনির তিন ছেলে উপস্থিত থাকলেও তার উত্তরসূরি ও বর্তমান সর্বোচ্চ নেতা Mojtaba Khamenei জনসমক্ষে আসেননি। রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফেব্রুয়ারিতে হামলায় আহত হওয়ায় তিনি এখনও প্রকাশ্যে উপস্থিত হননি।
শোক মিছিলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন অংশগ্রহণকারীরা। অনেককে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের পতাকায় আগুন দিতে এবং প্রতিশোধমূলক স্লোগান দিতে দেখা যায়। মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump-কে লক্ষ্য করে বিভিন্ন ব্যানারও বহন করা হয়।
রয়টার্স জানিয়েছে, তেহরানের আনুষ্ঠানিকতা শেষে খামেনির মরদেহ ইরানের কুম এবং প্রতিবেশী ইরাকের কয়েকটি শিয়া ধর্মীয় স্থানে নেওয়া হবে। এরপর উত্তর-পূর্বাঞ্চলের মাশহাদে তাকে দাফন করা হবে।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ জুলাই ২০২৬
ইরানের নিহত সর্বোচ্চ নেতা Ayatollah Ali Khamenei-এর শেষকৃত্য উপলক্ষে রাজধানী তেহরানে লাখো মানুষ শোক মিছিলে অংশ নিয়েছে। সোমবার (৬ জুলাই) অনুষ্ঠিত এই শোকযাত্রা ছিল সপ্তাহব্যাপী রাষ্ট্রীয় শোকানুষ্ঠানের সবচেয়ে বড় কর্মসূচি।
ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত ড্রোনচিত্রে রাজধানীর প্রধান সড়কজুড়ে বিপুল জনসমাগম দেখা গেছে। খামেনি ও তার পরিবারের আরও চার সদস্যের মরদেহ একটি বিশেষ শববাহী ট্রাকে বহন করা হয়। প্রচণ্ড গরমে শোকাহত মানুষের স্বস্তির জন্য দমকলের পানি ছিটানোর ব্যবস্থাও করা হয়।
শেষকৃত্য অনুষ্ঠানে খামেনির তিন ছেলে উপস্থিত থাকলেও তার উত্তরসূরি ও বর্তমান সর্বোচ্চ নেতা Mojtaba Khamenei জনসমক্ষে আসেননি। রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফেব্রুয়ারিতে হামলায় আহত হওয়ায় তিনি এখনও প্রকাশ্যে উপস্থিত হননি।
শোক মিছিলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন অংশগ্রহণকারীরা। অনেককে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের পতাকায় আগুন দিতে এবং প্রতিশোধমূলক স্লোগান দিতে দেখা যায়। মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump-কে লক্ষ্য করে বিভিন্ন ব্যানারও বহন করা হয়।
রয়টার্স জানিয়েছে, তেহরানের আনুষ্ঠানিকতা শেষে খামেনির মরদেহ ইরানের কুম এবং প্রতিবেশী ইরাকের কয়েকটি শিয়া ধর্মীয় স্থানে নেওয়া হবে। এরপর উত্তর-পূর্বাঞ্চলের মাশহাদে তাকে দাফন করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন