নড়াইল সদর উপজেলায় পাঁচ বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত একই গ্রামের রবিউল শিকদার ওরফে রবিকে (৩৫) কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। আজ মঙ্গলবার (২১ জুলাই) দুপুরে তাকে নড়াইল সদর আমলি আদালতে হাজির করা হলে বিচারক মারুফ হাসান কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এরআগে মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে সদর উপজেলার আউড়িয়া ইউনিয়নের দত্তপাড়া এলাকা থেকে স্থানীয় লোকজন রবিউলকে আটক করেন। খবর পেয়ে নড়াইল সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে রবিউলকে হেফাজতে নেয়। রবিউল ইসলাম রামচন্দ্রপুর গ্রামের আতিয়ার সিকদারের ছেলে। তিনি পেশায় রাজমিস্ত্রী।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার (২০ জুলাই) সন্ধ্যায় সদর উপজেলার আউড়িয়া ইউনিয়নের এক গ্রামে পাঁচ বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ ওঠে রবিউল শিকদার ওরফে রবি নামে ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে। স্বজনরা অভিযোগ করেন, রবিউলের ঘরের ভেতর শিশুটিকে কাঁথা দিয়ে ঢাকা অবস্থায় দেখতে পান। সে মেয়েটিকে ধর্ষণের পর হত্যা করেছে বলে তাদের অভিযোগ। পরে অভিযুক্ত রবিউল শিকদার ওরফে রবিকে মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে দত্তপাড়া এলাকা থেকে স্থানীয় লোকজন আটক করে গণধোলাই দেন। খবর পেয়ে নড়াইল সদর থানা পুলিশের একটি দল দ্রæত ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে আটক করা হয়।
আটকের পর রবিউলকে প্রথমে নড়াইল সদর থানায় নেওয়া হয়। পরে একটি মাইক্রোবাসে করে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে নেওয়ার পথে শহরের টার্মিনাল এলাকায় আগে থেকেই অবস্থান নেওয়া ছাত্র-জনতা ও সাধারণ মানুষ গাড়িটির গতিরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন। তারা অভিযুক্তের সর্বোচ্চ শাস্তি ও ফাঁসির দাবি জানান। পরে বিক্ষোভকারীরা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সামনে জড়ো হয়ে বিভিন্ন ¯েøাগান দেন এবং নড়াইল-মাগুরা মহাসড়ক অবরোধ করেন।
একই দাবিতে দত্তপাড়া এলাকায় কালনা-নড়াইল-যশোর মহাসড়কেও বিক্ষোভ ও অবরোধ করেন শিক্ষার্থী ও স্থানীয় জনসাধারণ। বৃষ্টির মধ্যেও তারা সড়কে অবস্থান নিয়ে বিভিন্ন ¯েøাগান দেন। এতে ওই সড়কগুলোতে যান চলাচল ব্যাহত হয়। এদিকে অতিরিক্ত পুলিশ পাহারায় রবিউলকে আদালতে নেওয়ার সময় প্রবল বৃষ্টির মধ্যেও বিপুলসংখ্যক মানুষ আদালত চত্বরে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ করেন। পরে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।#

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ জুলাই ২০২৬
নড়াইল সদর উপজেলায় পাঁচ বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত একই গ্রামের রবিউল শিকদার ওরফে রবিকে (৩৫) কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। আজ মঙ্গলবার (২১ জুলাই) দুপুরে তাকে নড়াইল সদর আমলি আদালতে হাজির করা হলে বিচারক মারুফ হাসান কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এরআগে মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে সদর উপজেলার আউড়িয়া ইউনিয়নের দত্তপাড়া এলাকা থেকে স্থানীয় লোকজন রবিউলকে আটক করেন। খবর পেয়ে নড়াইল সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে রবিউলকে হেফাজতে নেয়। রবিউল ইসলাম রামচন্দ্রপুর গ্রামের আতিয়ার সিকদারের ছেলে। তিনি পেশায় রাজমিস্ত্রী।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার (২০ জুলাই) সন্ধ্যায় সদর উপজেলার আউড়িয়া ইউনিয়নের এক গ্রামে পাঁচ বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ ওঠে রবিউল শিকদার ওরফে রবি নামে ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে। স্বজনরা অভিযোগ করেন, রবিউলের ঘরের ভেতর শিশুটিকে কাঁথা দিয়ে ঢাকা অবস্থায় দেখতে পান। সে মেয়েটিকে ধর্ষণের পর হত্যা করেছে বলে তাদের অভিযোগ। পরে অভিযুক্ত রবিউল শিকদার ওরফে রবিকে মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে দত্তপাড়া এলাকা থেকে স্থানীয় লোকজন আটক করে গণধোলাই দেন। খবর পেয়ে নড়াইল সদর থানা পুলিশের একটি দল দ্রæত ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে আটক করা হয়।
আটকের পর রবিউলকে প্রথমে নড়াইল সদর থানায় নেওয়া হয়। পরে একটি মাইক্রোবাসে করে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে নেওয়ার পথে শহরের টার্মিনাল এলাকায় আগে থেকেই অবস্থান নেওয়া ছাত্র-জনতা ও সাধারণ মানুষ গাড়িটির গতিরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন। তারা অভিযুক্তের সর্বোচ্চ শাস্তি ও ফাঁসির দাবি জানান। পরে বিক্ষোভকারীরা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সামনে জড়ো হয়ে বিভিন্ন ¯েøাগান দেন এবং নড়াইল-মাগুরা মহাসড়ক অবরোধ করেন।
একই দাবিতে দত্তপাড়া এলাকায় কালনা-নড়াইল-যশোর মহাসড়কেও বিক্ষোভ ও অবরোধ করেন শিক্ষার্থী ও স্থানীয় জনসাধারণ। বৃষ্টির মধ্যেও তারা সড়কে অবস্থান নিয়ে বিভিন্ন ¯েøাগান দেন। এতে ওই সড়কগুলোতে যান চলাচল ব্যাহত হয়। এদিকে অতিরিক্ত পুলিশ পাহারায় রবিউলকে আদালতে নেওয়ার সময় প্রবল বৃষ্টির মধ্যেও বিপুলসংখ্যক মানুষ আদালত চত্বরে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ করেন। পরে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।#

আপনার মতামত লিখুন