‘বৃক্ষরোপণে সাজাই দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে গোপালগঞ্জে শুরু হয়েছে বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা-২০২৬।
এ উপলক্ষে রবিবার (২৬ জুলাই) জেলা প্রশাসন ও বন বিভাগ, গোপালগঞ্জের যৌথ উদ্যোগে নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
গোপালগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য ডা. কে এম বাবর
জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. আরিফ-উজ-জামানের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জেলা পুলিশ সুপার মো. হাবীবুল্লাহ এবং সামাজিক বন বিভাগ, ফরিদপুরের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. তারিকুল ইসলাম।
জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. আরিফ-উজ-জামান
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য ডা. কে এম বাবর বলেন, পরিবেশের ভারসাম্যহীনতা ও জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় বৃক্ষরোপণ আন্দোলনের কোনো বিকল্প নেই। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সবুজ, নিরাপদ ও সুন্দর বাংলাদেশ গড়ে তুলতে প্রত্যেক নাগরিকের অন্তত একটি ফলজ বা ঔষধি গাছ লাগানো এবং তার যথাযথ পরিচর্যা করা প্রয়োজন।
সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মো. আরিফ-উজ-জামান বলেন, বনজ সম্পদ সংরক্ষণ, জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং গোপালগঞ্জসহ সারাদেশকে পরিচ্ছন্ন ও সবুজ জনপদে পরিণত করতে প্রশাসনিক উদ্যোগের পাশাপাশি ব্যক্তিগত ও সামাজিক উদ্যোগও জরুরি। বৃক্ষরোপণের এ কার্যক্রম শুধু মেলা চলাকালীন সীমাবদ্ধ না রেখে বর্ষা মৌসুমে প্রতিটি উপযুক্ত খালি জায়গায় গাছ লাগানোর অভ্যাস অব্যাহত রাখতে হবে।
গোপালগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার মো. হাবীবুল্লাহ
পরে সদর পৌরপার্ক প্রাঙ্গণে ফিতা কেটে বৃক্ষমেলা-২০২৬-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন অতিথিরা। উদ্বোধন শেষে তাঁরা মেলার বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন এবং নার্সারি মালিক ও দর্শনার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
আয়োজকরা জানান, সপ্তাহব্যাপী এ বৃক্ষমেলায় দেশি-বিদেশি বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ, বনজ, ঔষধি ও শোভাবর্ধনকারী গাছের চারা প্রদর্শন ও সুলভ মূল্যে বিক্রির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। পাশাপাশি মেলায় আগত দর্শনার্থী ও শিক্ষার্থীদের পরিবেশ সুরক্ষায় সচেতনতামূলক দিকনির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ জুলাই ২০২৬
‘বৃক্ষরোপণে সাজাই দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে গোপালগঞ্জে শুরু হয়েছে বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা-২০২৬।
এ উপলক্ষে রবিবার (২৬ জুলাই) জেলা প্রশাসন ও বন বিভাগ, গোপালগঞ্জের যৌথ উদ্যোগে নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
গোপালগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য ডা. কে এম বাবর
জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. আরিফ-উজ-জামানের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জেলা পুলিশ সুপার মো. হাবীবুল্লাহ এবং সামাজিক বন বিভাগ, ফরিদপুরের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. তারিকুল ইসলাম।
জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. আরিফ-উজ-জামান
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য ডা. কে এম বাবর বলেন, পরিবেশের ভারসাম্যহীনতা ও জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় বৃক্ষরোপণ আন্দোলনের কোনো বিকল্প নেই। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সবুজ, নিরাপদ ও সুন্দর বাংলাদেশ গড়ে তুলতে প্রত্যেক নাগরিকের অন্তত একটি ফলজ বা ঔষধি গাছ লাগানো এবং তার যথাযথ পরিচর্যা করা প্রয়োজন।
সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মো. আরিফ-উজ-জামান বলেন, বনজ সম্পদ সংরক্ষণ, জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং গোপালগঞ্জসহ সারাদেশকে পরিচ্ছন্ন ও সবুজ জনপদে পরিণত করতে প্রশাসনিক উদ্যোগের পাশাপাশি ব্যক্তিগত ও সামাজিক উদ্যোগও জরুরি। বৃক্ষরোপণের এ কার্যক্রম শুধু মেলা চলাকালীন সীমাবদ্ধ না রেখে বর্ষা মৌসুমে প্রতিটি উপযুক্ত খালি জায়গায় গাছ লাগানোর অভ্যাস অব্যাহত রাখতে হবে।
গোপালগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার মো. হাবীবুল্লাহ
পরে সদর পৌরপার্ক প্রাঙ্গণে ফিতা কেটে বৃক্ষমেলা-২০২৬-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন অতিথিরা। উদ্বোধন শেষে তাঁরা মেলার বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন এবং নার্সারি মালিক ও দর্শনার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
আয়োজকরা জানান, সপ্তাহব্যাপী এ বৃক্ষমেলায় দেশি-বিদেশি বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ, বনজ, ঔষধি ও শোভাবর্ধনকারী গাছের চারা প্রদর্শন ও সুলভ মূল্যে বিক্রির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। পাশাপাশি মেলায় আগত দর্শনার্থী ও শিক্ষার্থীদের পরিবেশ সুরক্ষায় সচেতনতামূলক দিকনির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন