ভারতের হায়দরাবাদে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ভুয়া ডিগ্রি ব্যবহার করে চিকিৎসা দেওয়ার অভিযোগে ১২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে হায়দরাবাদ টাস্ক ফোর্স পুলিশ। মঙ্গলবার তেলুগু ভাষার দৈনিক ঈনাডু এ তথ্য জানিয়েছে।
পুলিশের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের যথাযথ চিকিৎসা-সংক্রান্ত যোগ্যতা বা অভিজ্ঞতা ছিল না। তবুও তারা জুবিলি হিলস ও সেকেন্দ্রাবাদ এলাকায় ক্লিনিক স্থাপন করে রোগীদের চিকিৎসা দিয়ে আসছিলেন।
অভিযোগ রয়েছে, তারা প্রয়োজনীয় অনুমোদন বা লাইসেন্স ছাড়াই রোগীদের স্যালাইন ও ইনজেকশন দেওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন ওষুধ লিখে দিতেন।
গ্রেপ্তারদের মধ্যে একজন নারীও রয়েছেন। তার প্যারামেডিক্যাল প্রশিক্ষণ থাকলেও প্রয়োজনীয় অনুমতি ছাড়াই তিনি প্রায় চার বছর ধরে একটি ক্লিনিক পরিচালনা করে আসছিলেন বলে অভিযোগ।
অভিযানের সময় বিভিন্ন ক্লিনিক থেকে স্যালাইনের বোতল, রক্তচাপ মাপার যন্ত্র, ওষুধ, অস্ত্রোপচারের কাঁচি এবং অন্যান্য চিকিৎসা সরঞ্জাম জব্দ করা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তরা প্রতিদিন প্রায় ৫০ থেকে ১০০ জন রোগী দেখতেন। রোগীপ্রতি ৫০ রুপি থেকে ২০০ রুপি
এ ঘটনায় বিভিন্ন থানায় মামলা করা হয়েছে। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ আগস্ট ২০২৬
ভারতের হায়দরাবাদে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ভুয়া ডিগ্রি ব্যবহার করে চিকিৎসা দেওয়ার অভিযোগে ১২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে হায়দরাবাদ টাস্ক ফোর্স পুলিশ। মঙ্গলবার তেলুগু ভাষার দৈনিক ঈনাডু এ তথ্য জানিয়েছে।
পুলিশের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের যথাযথ চিকিৎসা-সংক্রান্ত যোগ্যতা বা অভিজ্ঞতা ছিল না। তবুও তারা জুবিলি হিলস ও সেকেন্দ্রাবাদ এলাকায় ক্লিনিক স্থাপন করে রোগীদের চিকিৎসা দিয়ে আসছিলেন।
অভিযোগ রয়েছে, তারা প্রয়োজনীয় অনুমোদন বা লাইসেন্স ছাড়াই রোগীদের স্যালাইন ও ইনজেকশন দেওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন ওষুধ লিখে দিতেন।
গ্রেপ্তারদের মধ্যে একজন নারীও রয়েছেন। তার প্যারামেডিক্যাল প্রশিক্ষণ থাকলেও প্রয়োজনীয় অনুমতি ছাড়াই তিনি প্রায় চার বছর ধরে একটি ক্লিনিক পরিচালনা করে আসছিলেন বলে অভিযোগ।
অভিযানের সময় বিভিন্ন ক্লিনিক থেকে স্যালাইনের বোতল, রক্তচাপ মাপার যন্ত্র, ওষুধ, অস্ত্রোপচারের কাঁচি এবং অন্যান্য চিকিৎসা সরঞ্জাম জব্দ করা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তরা প্রতিদিন প্রায় ৫০ থেকে ১০০ জন রোগী দেখতেন। রোগীপ্রতি ৫০ রুপি থেকে ২০০ রুপি
এ ঘটনায় বিভিন্ন থানায় মামলা করা হয়েছে। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন