নজর বিডি
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬

গোলহীন রোনালদো, জয়হীন পর্তুগাল

গোলহীন রোনালদো, জয়হীন পর্তুগাল

রোনালদোর ব্যর্থতার দিনেও পাশে কোচ মার্তিনেজ, ‘বিশ্বের সেরা গোলদাতাকে উঠিয়ে নেওয়ার অর্থ নেই’


বিশ্বকাপ মঞ্চে আর্লিং হালান্ড, কিলিয়ান এমবাপে ও লিওনেল মেসি নিজেদের অভিযান শুরু করেছেন দারুণভাবে। একই প্রত্যাশা ছিল ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর ভক্তদেরও। তবে ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে পর্তুগালের প্রথম ম্যাচে সেই প্রত্যাশা পূরণ হয়নি। বরং ৫২ বছর পর বিশ্বকাপে ফেরা ডিআর কঙ্গোর সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করে হতাশা নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছে পর্তুগালকে।


ম্যাচজুড়ে মলিন ছিলেন ৪১ বছর বয়সী রোনালদো। পুরো ৯০ মিনিট মাঠে থাকলেও তিনি কোনো শটই নিতে পারেননি। ফলে আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে তার গোলখরা আরও দীর্ঘ হয়েছে। বিশ্বকাপ ও ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপ মিলিয়ে টানা ১০ ম্যাচ ধরে গোলের দেখা পাননি পর্তুগিজ মহাতারকা।


রোনালদোর এমন পারফরম্যান্সের পর তাকে দ্বিতীয়ার্ধে বদলি করা উচিত ছিল কি না, তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে রোনালদোর পাশে দাঁড়িয়েছেন পর্তুগাল কোচ Roberto Martínez।


তিনি বলেন, “আমরা ক্রিশ্চিয়ানোকে তার বয়স দিয়ে বিচার করি না। সে কেমন অনুভব করছে এবং কতটা প্রস্তুত, সেটাই বিবেচনা করি। যে ম্যাচে আপনার গোল প্রয়োজন, সেখানে বিশ্বের অন্যতম সেরা গোলদাতাকে মাঠ থেকে তুলে নেওয়ার কোনো অর্থ হয় না।”


ম্যাচের শুরুটা অবশ্য ভালোই ছিল পর্তুগালের। ষষ্ঠ মিনিটে জোয়াও নেভাসের গোলে এগিয়ে যায় দলটি। তবে প্রথমার্ধেই সমতায় ফেরে ডিআর কঙ্গো। দ্বিতীয়ার্ধে সেড্রিক বাকাম্বুর একটি শট পোস্টে না লাগলে পর্তুগালকে হারও দেখতে হতে পারত।


তবুও প্রথম ম্যাচে পয়েন্ট হারানোকে বড় কোনো সংকট হিসেবে দেখছেন না মার্তিনেজ। উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, “বিশ্বকাপে এমন ঘটনা নতুন নয়। ২০২২ সালে সৌদি আরবের কাছে হেরে শুরু করেও আর্জেন্টিনা বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। ২০১০ সালে সুইজারল্যান্ডের কাছে হেরেও স্পেন শিরোপা জিতেছিল। বিশ্বকাপ জেতা একটি দীর্ঘ প্রক্রিয়া।”


ম্যাচ বিশ্লেষণ করতে গিয়ে পর্তুগাল কোচ বলেন, গোল করার পরই দলের ছন্দ নষ্ট হতে শুরু করে। “আমরা ভালো শুরু করেছিলাম, বলের নিয়ন্ত্রণ ছিল, সুযোগ তৈরি করেছি এবং গোলও পেয়েছি। কিন্তু এরপর আমরা প্রতিপক্ষকে পাল্টা আক্রমণের সুযোগ দিয়েছি এবং নিজেদের স্বাভাবিক খেলাও হারিয়ে ফেলেছি,” যোগ করেন তিনি।


বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে প্রত্যাশিত জয় না পেলেও পর্তুগাল এখন ঘুরে দাঁড়ানোর অপেক্ষায়। আর সেই প্রত্যাবর্তনের অন্যতম ভরসা হয়েই থাকছেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। Cristiano Ronaldo

বিষয় : গোলহীন রোনালদো, জয়হীন পর্তুগাল রোনালদোর থেলাধুলা পর্তুগাল

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
নজর বিডি

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬


গোলহীন রোনালদো, জয়হীন পর্তুগাল

প্রকাশের তারিখ : ১৮ জুন ২০২৬

featured Image

রোনালদোর ব্যর্থতার দিনেও পাশে কোচ মার্তিনেজ, ‘বিশ্বের সেরা গোলদাতাকে উঠিয়ে নেওয়ার অর্থ নেই’


বিশ্বকাপ মঞ্চে আর্লিং হালান্ড, কিলিয়ান এমবাপে ও লিওনেল মেসি নিজেদের অভিযান শুরু করেছেন দারুণভাবে। একই প্রত্যাশা ছিল ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর ভক্তদেরও। তবে ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে পর্তুগালের প্রথম ম্যাচে সেই প্রত্যাশা পূরণ হয়নি। বরং ৫২ বছর পর বিশ্বকাপে ফেরা ডিআর কঙ্গোর সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করে হতাশা নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছে পর্তুগালকে।


ম্যাচজুড়ে মলিন ছিলেন ৪১ বছর বয়সী রোনালদো। পুরো ৯০ মিনিট মাঠে থাকলেও তিনি কোনো শটই নিতে পারেননি। ফলে আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে তার গোলখরা আরও দীর্ঘ হয়েছে। বিশ্বকাপ ও ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপ মিলিয়ে টানা ১০ ম্যাচ ধরে গোলের দেখা পাননি পর্তুগিজ মহাতারকা।


রোনালদোর এমন পারফরম্যান্সের পর তাকে দ্বিতীয়ার্ধে বদলি করা উচিত ছিল কি না, তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে রোনালদোর পাশে দাঁড়িয়েছেন পর্তুগাল কোচ Roberto Martínez।


তিনি বলেন, “আমরা ক্রিশ্চিয়ানোকে তার বয়স দিয়ে বিচার করি না। সে কেমন অনুভব করছে এবং কতটা প্রস্তুত, সেটাই বিবেচনা করি। যে ম্যাচে আপনার গোল প্রয়োজন, সেখানে বিশ্বের অন্যতম সেরা গোলদাতাকে মাঠ থেকে তুলে নেওয়ার কোনো অর্থ হয় না।”


ম্যাচের শুরুটা অবশ্য ভালোই ছিল পর্তুগালের। ষষ্ঠ মিনিটে জোয়াও নেভাসের গোলে এগিয়ে যায় দলটি। তবে প্রথমার্ধেই সমতায় ফেরে ডিআর কঙ্গো। দ্বিতীয়ার্ধে সেড্রিক বাকাম্বুর একটি শট পোস্টে না লাগলে পর্তুগালকে হারও দেখতে হতে পারত।


তবুও প্রথম ম্যাচে পয়েন্ট হারানোকে বড় কোনো সংকট হিসেবে দেখছেন না মার্তিনেজ। উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, “বিশ্বকাপে এমন ঘটনা নতুন নয়। ২০২২ সালে সৌদি আরবের কাছে হেরে শুরু করেও আর্জেন্টিনা বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। ২০১০ সালে সুইজারল্যান্ডের কাছে হেরেও স্পেন শিরোপা জিতেছিল। বিশ্বকাপ জেতা একটি দীর্ঘ প্রক্রিয়া।”


ম্যাচ বিশ্লেষণ করতে গিয়ে পর্তুগাল কোচ বলেন, গোল করার পরই দলের ছন্দ নষ্ট হতে শুরু করে। “আমরা ভালো শুরু করেছিলাম, বলের নিয়ন্ত্রণ ছিল, সুযোগ তৈরি করেছি এবং গোলও পেয়েছি। কিন্তু এরপর আমরা প্রতিপক্ষকে পাল্টা আক্রমণের সুযোগ দিয়েছি এবং নিজেদের স্বাভাবিক খেলাও হারিয়ে ফেলেছি,” যোগ করেন তিনি।


বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে প্রত্যাশিত জয় না পেলেও পর্তুগাল এখন ঘুরে দাঁড়ানোর অপেক্ষায়। আর সেই প্রত্যাবর্তনের অন্যতম ভরসা হয়েই থাকছেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। Cristiano Ronaldo


নজর বিডি

উপদেষ্টা সম্পাদক: মো: ইব্রাহিম খলিল। 
সম্পাদক: মুহাম্মদ আমিনুল ইসলাম। 
লিগ্যাল এডভাইজার: মাহমুদুর রহমান সুইট- এম.কম, এল এল বি, এডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।


 

কপিরাইট © ২০২৬ নজর বিডি সর্বস্ব সংরক্ষিত