২১ জুন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে শান্তি আলোচনা শুরু করতে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স রোববার সুইজারল্যান্ডের পাহাড়চূড়ার অবকাশকেন্দ্র বুর্গেনস্টকে পৌঁছেছেন। সম্ভাব্য শান্তিচুক্তির অংশ হিসেবে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হলেও, একই সময়ে হরমুজ প্রণালি আবারও অবরুদ্ধ করার ইরানের ঘোষণায় কূটনৈতিক প্রচেষ্টা নতুন করে অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।
এক সপ্তাহ আগে যুদ্ধ অবসানের লক্ষ্যে যে সমঝোতা স্মারক হয়, তাতে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া এবং লেবাননসহ সব ধরনের সংঘাত বন্ধের কথা বলা হয়েছিল। তবে লেবাননে যুদ্ধ বন্ধের কোনো স্পষ্ট অগ্রগতি না থাকায় শনিবার ইরান জানায়, তারা আবারও হরমুজ প্রণালি বন্ধ করেছে।
যদিও যুক্তরাষ্ট্র এ দাবি অস্বীকার করেছে। মার্কিন কর্মকর্তাদের ভাষ্য, শনিবারও ৫৫টি বাণিজ্যিক জাহাজ হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করেছে। তবে রোববার ইরানের ফার্স নিউজ এজেন্সি এক সামরিক সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত জাহাজ চলাচলের জন্য নতুন কোনো অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না।
বিশ্ব অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথ ঘিরে নতুন অনিশ্চয়তা তৈরি হলেও বাজার বন্ধ থাকায় এর তাৎক্ষণিক প্রভাব বোঝা যাচ্ছে না। তবে বিশ্লেষকদের ধারণা, হরমুজ প্রণালি কার্যত আবারও অবরুদ্ধ হলে সোমবার বাজার খুললে তেলের দাম নতুন করে ঊর্ধ্বমুখী হতে পারে।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই জানিয়েছেন, কাতার ও পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের এই বৈঠক একদিনের হবে। তার ভাষ্য, লেবাননে যুদ্ধবিরতির নিশ্চয়তা দিতে ওয়াশিংটন ব্যর্থ হওয়ায় এবারের আলোচনা কেবল সমঝোতা স্মারক বাস্তবায়ন নিয়েই সীমাবদ্ধ থাকবে; পরবর্তী ধাপে আলোচ্য মূল বিষয়গুলো এতে অন্তর্ভুক্ত হবে না।
সমঝোতা স্মারকে পরবর্তী ৬০ দিনের আলোচনায় ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি সীমিত করার বিনিময়ে আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা শিথিল করার বিষয়টি রয়েছে। পাশাপাশি ইরান কিছু প্রাথমিক অর্থনৈতিক সুবিধাও পেতে পারে, যার মধ্যে নিষেধাজ্ঞা শিথিলকরণ এবং জব্দকৃত সম্পদ অবমুক্ত করার মতো পদক্ষেপ থাকতে পারে। সূত্র: রইটার্স।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ জুন ২০২৬
২১ জুন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে শান্তি আলোচনা শুরু করতে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স রোববার সুইজারল্যান্ডের পাহাড়চূড়ার অবকাশকেন্দ্র বুর্গেনস্টকে পৌঁছেছেন। সম্ভাব্য শান্তিচুক্তির অংশ হিসেবে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হলেও, একই সময়ে হরমুজ প্রণালি আবারও অবরুদ্ধ করার ইরানের ঘোষণায় কূটনৈতিক প্রচেষ্টা নতুন করে অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।
এক সপ্তাহ আগে যুদ্ধ অবসানের লক্ষ্যে যে সমঝোতা স্মারক হয়, তাতে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া এবং লেবাননসহ সব ধরনের সংঘাত বন্ধের কথা বলা হয়েছিল। তবে লেবাননে যুদ্ধ বন্ধের কোনো স্পষ্ট অগ্রগতি না থাকায় শনিবার ইরান জানায়, তারা আবারও হরমুজ প্রণালি বন্ধ করেছে।
যদিও যুক্তরাষ্ট্র এ দাবি অস্বীকার করেছে। মার্কিন কর্মকর্তাদের ভাষ্য, শনিবারও ৫৫টি বাণিজ্যিক জাহাজ হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করেছে। তবে রোববার ইরানের ফার্স নিউজ এজেন্সি এক সামরিক সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত জাহাজ চলাচলের জন্য নতুন কোনো অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না।
বিশ্ব অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথ ঘিরে নতুন অনিশ্চয়তা তৈরি হলেও বাজার বন্ধ থাকায় এর তাৎক্ষণিক প্রভাব বোঝা যাচ্ছে না। তবে বিশ্লেষকদের ধারণা, হরমুজ প্রণালি কার্যত আবারও অবরুদ্ধ হলে সোমবার বাজার খুললে তেলের দাম নতুন করে ঊর্ধ্বমুখী হতে পারে।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই জানিয়েছেন, কাতার ও পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের এই বৈঠক একদিনের হবে। তার ভাষ্য, লেবাননে যুদ্ধবিরতির নিশ্চয়তা দিতে ওয়াশিংটন ব্যর্থ হওয়ায় এবারের আলোচনা কেবল সমঝোতা স্মারক বাস্তবায়ন নিয়েই সীমাবদ্ধ থাকবে; পরবর্তী ধাপে আলোচ্য মূল বিষয়গুলো এতে অন্তর্ভুক্ত হবে না।
সমঝোতা স্মারকে পরবর্তী ৬০ দিনের আলোচনায় ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি সীমিত করার বিনিময়ে আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা শিথিল করার বিষয়টি রয়েছে। পাশাপাশি ইরান কিছু প্রাথমিক অর্থনৈতিক সুবিধাও পেতে পারে, যার মধ্যে নিষেধাজ্ঞা শিথিলকরণ এবং জব্দকৃত সম্পদ অবমুক্ত করার মতো পদক্ষেপ থাকতে পারে। সূত্র: রইটার্স।

আপনার মতামত লিখুন