ডেঙ্গুমুক্ত নগর গড়ার লক্ষ্যে নাগরিকদের নিজ নিজ বাসাবাড়ি ও আঙিনা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। তিনি বলেন, “আমাদের উদ্দেশ্য কাউকে জরিমানা কিংবা জেল দেওয়া নয়, বরং মানুষের জীবন বাঁচানো এবং নগরকে ডেঙ্গুমুক্ত করা।”
শুক্রবার (২৬ জুন) বনানীর ১৮, ২১ ও ২৪ নম্বর রোডে এডিস মশা অনুসন্ধান ও লার্ভা ধ্বংস অভিযানের কার্যক্রম পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী এ কথা বলেন। সারা দেশে মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে গঠিত টাস্ক ফোর্স কমিটির উদ্যোগে এই অভিযান পরিচালিত হয়।
প্রতিমন্ত্রী নগরবাসীকে অনুরোধ জানিয়ে বলেন, “বাড়ির ছাদ, ফুলের টব, ডাবের খোসা বা যেকোনো পাত্রে জমে থাকা পানি নিয়মিত পরিষ্কার করুন। আপনারা সচেতন হলেই আমাদের শহরকে ডেঙ্গুমুক্ত রাখা সম্ভব।” তিনি নাগরিকদের ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) আঞ্চলিক অফিস থেকে লার্ভা নিধনের ট্যাবলেট সংগ্রহ করে নিজ উদ্যোগে ব্যবহারের পরামর্শ দেন।
অভিযান শেষে ডিএনসিসির প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইমরুল কায়েস বলেন, “নগরবাসী সচেতন না হলে সিটি কর্পোরেশনের একার পক্ষে ডেঙ্গু নির্মূল সম্ভব নয়। বর্ষা মৌসুমকে সামনে রেখে আমাদের তিন মাসের বিশেষ কর্মসূচি চলমান রয়েছে।”
অভিযান চলাকালে ডিএনসিসির নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মারুফা আক্তার নেলী বনানীর ২৪ নম্বর রোডের একটি নির্মাণাধীন আবাসিক ভবনে এডিস মশার লার্ভা পাওয়ায় ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। একই সঙ্গে অনাদায়ে তিন মাসের কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়।
অভিযানে লার্ভা ধ্বংসের পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দাদের মাঝে লিফলেট বিতরণ ও মাইকিংয়ের মাধ্যমে সচেতনতামূলক প্রচারণা চালানো হয়।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ জুন ২০২৬
ডেঙ্গুমুক্ত নগর গড়ার লক্ষ্যে নাগরিকদের নিজ নিজ বাসাবাড়ি ও আঙিনা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। তিনি বলেন, “আমাদের উদ্দেশ্য কাউকে জরিমানা কিংবা জেল দেওয়া নয়, বরং মানুষের জীবন বাঁচানো এবং নগরকে ডেঙ্গুমুক্ত করা।”
শুক্রবার (২৬ জুন) বনানীর ১৮, ২১ ও ২৪ নম্বর রোডে এডিস মশা অনুসন্ধান ও লার্ভা ধ্বংস অভিযানের কার্যক্রম পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী এ কথা বলেন। সারা দেশে মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে গঠিত টাস্ক ফোর্স কমিটির উদ্যোগে এই অভিযান পরিচালিত হয়।
প্রতিমন্ত্রী নগরবাসীকে অনুরোধ জানিয়ে বলেন, “বাড়ির ছাদ, ফুলের টব, ডাবের খোসা বা যেকোনো পাত্রে জমে থাকা পানি নিয়মিত পরিষ্কার করুন। আপনারা সচেতন হলেই আমাদের শহরকে ডেঙ্গুমুক্ত রাখা সম্ভব।” তিনি নাগরিকদের ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) আঞ্চলিক অফিস থেকে লার্ভা নিধনের ট্যাবলেট সংগ্রহ করে নিজ উদ্যোগে ব্যবহারের পরামর্শ দেন।
অভিযান শেষে ডিএনসিসির প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইমরুল কায়েস বলেন, “নগরবাসী সচেতন না হলে সিটি কর্পোরেশনের একার পক্ষে ডেঙ্গু নির্মূল সম্ভব নয়। বর্ষা মৌসুমকে সামনে রেখে আমাদের তিন মাসের বিশেষ কর্মসূচি চলমান রয়েছে।”
অভিযান চলাকালে ডিএনসিসির নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মারুফা আক্তার নেলী বনানীর ২৪ নম্বর রোডের একটি নির্মাণাধীন আবাসিক ভবনে এডিস মশার লার্ভা পাওয়ায় ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। একই সঙ্গে অনাদায়ে তিন মাসের কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়।
অভিযানে লার্ভা ধ্বংসের পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দাদের মাঝে লিফলেট বিতরণ ও মাইকিংয়ের মাধ্যমে সচেতনতামূলক প্রচারণা চালানো হয়।

আপনার মতামত লিখুন