শিক্ষক কেবল পাঠ্যবইয়ের জাদুকর নন, তিনি জীবনের পরম বাতিঘর। আদর্শ শিক্ষকের কোনো ভৌগোলিক সীমানা থাকে না; তিনি যেখানেই যান, নিজের মেধা ও প্রজ্ঞার চাদরে আগলে রাখেন শিক্ষার্থীদের। এমনই একজন প্রজ্ঞাবান শিক্ষক প্রফেসর ড. আসিফ মিজান, যিনি বর্তমানে সোমালিয়ার মোগাদিসুতে অবস্থিত ‘দারু সালাম বিশ্ববিদ্যালয়’-এর উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
ঢাকার এশিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের সাবেক শিক্ষার্থী হিসেবে ড. আসিফ মিজানকে আমি কাছ থেকে দেখেছি। তিনি শুধু একজন দক্ষ শিক্ষাবিদই নন, বরং একজন অভিভাবক। বর্তমানে তিনি সোমালিয়ার উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থার আধুনিকায়নে অনন্য অবদান রাখছেন। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তার এই নেতৃত্ব আমাদের জন্য গর্বের।
সম্প্রতি স্যারের ফেসবুক ওয়ালে একটি আবেগঘন পোস্ট আমার দৃষ্টি কাড়ে। সোমালিয়ার ‘সিটি ইউনিভার্সিটি অব মোগাদিসু’তে থাকাকালীন তাঁর এক ছাত্রী স্যারের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা জানিয়ে একটি পোস্ট লিখেছিলেন। সেই শিক্ষার্থীর ভাষায়:
"শ্রেণিকক্ষের পাঠদানের চেয়েও আপনি আমাদের শিখিয়েছেন কীভাবে একজন সত্যিকারের মানুষ হতে হয়। আফ্রিকার তপ্ত মাটিতে আপনার স্নেহ আর দিকনির্দেশনা আমাদের জন্য ছিল এক শীতল ছায়া। আপনি শুধু রাষ্ট্রবিজ্ঞান পড়াননি, আমাদের জীবনের দর্শন শিখিয়েছেন। আপনার মতো শিক্ষক পাওয়া আমাদের জীবনের অন্যতম সেরা উপহার।"
একজন শিক্ষার্থী হিসেবে আমি গর্ব করে বলতে পারি, ড. আসিফ মিজান স্যার শুধু আমাদের রাষ্ট্রবিজ্ঞানের পাঠ দেননি, শিখিয়েছেন কীভাবে স্বপ্ন দেখতে হয় এবং শত প্রতিকূলতার মাঝে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে হয়। কর্মজীবনের চরম ব্যস্ততার মাঝেও শিক্ষার্থীদের খোঁজখবর রাখার যে বিরল গুণ তার মধ্যে রয়েছে, তা আমাদের মতো প্রাক্তন ছাত্রদের জন্য বড় পাওনা।
দূর প্রবাসে বসে ড. আসিফ মিজান স্যার যেভাবে জ্ঞান বিতরণ ও মানবতার সেবায় নিজেকে বিলিয়ে দিচ্ছেন, তা নতুন প্রজন্মের জন্য এক চিরন্তন দৃষ্টান্ত। হে প্রিয় শিক্ষক, আপনার এই আলোর যাত্রা অব্যাহত থাকুক। আপনার দেখানো পথ ধরেই আমরা সমাজ ও দেশের কল্যাণে কাজ করে যেতে চাই। আপনার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করি।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ জুন ২০২৬
শিক্ষক কেবল পাঠ্যবইয়ের জাদুকর নন, তিনি জীবনের পরম বাতিঘর। আদর্শ শিক্ষকের কোনো ভৌগোলিক সীমানা থাকে না; তিনি যেখানেই যান, নিজের মেধা ও প্রজ্ঞার চাদরে আগলে রাখেন শিক্ষার্থীদের। এমনই একজন প্রজ্ঞাবান শিক্ষক প্রফেসর ড. আসিফ মিজান, যিনি বর্তমানে সোমালিয়ার মোগাদিসুতে অবস্থিত ‘দারু সালাম বিশ্ববিদ্যালয়’-এর উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
ঢাকার এশিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের সাবেক শিক্ষার্থী হিসেবে ড. আসিফ মিজানকে আমি কাছ থেকে দেখেছি। তিনি শুধু একজন দক্ষ শিক্ষাবিদই নন, বরং একজন অভিভাবক। বর্তমানে তিনি সোমালিয়ার উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থার আধুনিকায়নে অনন্য অবদান রাখছেন। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তার এই নেতৃত্ব আমাদের জন্য গর্বের।
সম্প্রতি স্যারের ফেসবুক ওয়ালে একটি আবেগঘন পোস্ট আমার দৃষ্টি কাড়ে। সোমালিয়ার ‘সিটি ইউনিভার্সিটি অব মোগাদিসু’তে থাকাকালীন তাঁর এক ছাত্রী স্যারের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা জানিয়ে একটি পোস্ট লিখেছিলেন। সেই শিক্ষার্থীর ভাষায়:
"শ্রেণিকক্ষের পাঠদানের চেয়েও আপনি আমাদের শিখিয়েছেন কীভাবে একজন সত্যিকারের মানুষ হতে হয়। আফ্রিকার তপ্ত মাটিতে আপনার স্নেহ আর দিকনির্দেশনা আমাদের জন্য ছিল এক শীতল ছায়া। আপনি শুধু রাষ্ট্রবিজ্ঞান পড়াননি, আমাদের জীবনের দর্শন শিখিয়েছেন। আপনার মতো শিক্ষক পাওয়া আমাদের জীবনের অন্যতম সেরা উপহার।"
একজন শিক্ষার্থী হিসেবে আমি গর্ব করে বলতে পারি, ড. আসিফ মিজান স্যার শুধু আমাদের রাষ্ট্রবিজ্ঞানের পাঠ দেননি, শিখিয়েছেন কীভাবে স্বপ্ন দেখতে হয় এবং শত প্রতিকূলতার মাঝে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে হয়। কর্মজীবনের চরম ব্যস্ততার মাঝেও শিক্ষার্থীদের খোঁজখবর রাখার যে বিরল গুণ তার মধ্যে রয়েছে, তা আমাদের মতো প্রাক্তন ছাত্রদের জন্য বড় পাওনা।
দূর প্রবাসে বসে ড. আসিফ মিজান স্যার যেভাবে জ্ঞান বিতরণ ও মানবতার সেবায় নিজেকে বিলিয়ে দিচ্ছেন, তা নতুন প্রজন্মের জন্য এক চিরন্তন দৃষ্টান্ত। হে প্রিয় শিক্ষক, আপনার এই আলোর যাত্রা অব্যাহত থাকুক। আপনার দেখানো পথ ধরেই আমরা সমাজ ও দেশের কল্যাণে কাজ করে যেতে চাই। আপনার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করি।

আপনার মতামত লিখুন