প্রখ্যাত আইনজীবী ও বিচারপতি মোহাম্মদ আনসার আলীর ৩১তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ রোববার (৫ জুলাই)। মহান ভাষা আন্দোলনের অন্যতম এই সংগঠক ও বিশিষ্ট বিচারকের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে নানা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।
মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আজ রাজধানীর বনানীতে মরহুমের কবর প্রাঙ্গণে এবং তার গ্রামের বাড়ি নওগাঁয় বিশেষ দোয়া মাহফিল, কোরআনখানি ও মোনাজাতের আয়োজন করা হয়েছে। গতকাল সুপ্রিম কোর্টের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিচারপতি মোহাম্মদ আনসার আলী ১৯৬২ সালে ঢাকা হাইকোর্ট ও তদানীন্তন পাকিস্তান সুপ্রিম কোর্টে আইন পেশায় নিয়োজিত হন। ছাত্রজীবনে তিনি ভাষা আন্দোলন ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় সক্রিয় নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। ভাষা আন্দোলনে অনন্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০০১ সালে তাকে মরণোত্তর ‘মাতৃভাষা পদক’ প্রদান করা হয়। এছাড়া ১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতা সংগ্রামেও তিনি সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছিলেন।
পেশাগত জীবনে তিনি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট বারের সিনিয়র সহ-সভাপতি, তৎকালীন রংপুর হাইকোর্ট বারের দুবার নির্বাচিত সভাপতি এবং বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড সোসাইটির সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় তিনি আমৃত্যু কাজ করে গেছেন। তার বিচারিক জীবনের বহু রায় আজও আইনাঙ্গনে তার দক্ষতা ও বিচক্ষণতার সাক্ষ্য বহন করে।
উল্লেখ্য, বিচারপতি মোহাম্মদ আনসার আলীর কনিষ্ঠ পুত্র বিচারপতি আহমেদ সোহেল বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে বিচারক হিসেবে কর্মরত আছেন।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ জুলাই ২০২৬
প্রখ্যাত আইনজীবী ও বিচারপতি মোহাম্মদ আনসার আলীর ৩১তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ রোববার (৫ জুলাই)। মহান ভাষা আন্দোলনের অন্যতম এই সংগঠক ও বিশিষ্ট বিচারকের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে নানা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।
মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আজ রাজধানীর বনানীতে মরহুমের কবর প্রাঙ্গণে এবং তার গ্রামের বাড়ি নওগাঁয় বিশেষ দোয়া মাহফিল, কোরআনখানি ও মোনাজাতের আয়োজন করা হয়েছে। গতকাল সুপ্রিম কোর্টের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিচারপতি মোহাম্মদ আনসার আলী ১৯৬২ সালে ঢাকা হাইকোর্ট ও তদানীন্তন পাকিস্তান সুপ্রিম কোর্টে আইন পেশায় নিয়োজিত হন। ছাত্রজীবনে তিনি ভাষা আন্দোলন ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় সক্রিয় নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। ভাষা আন্দোলনে অনন্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০০১ সালে তাকে মরণোত্তর ‘মাতৃভাষা পদক’ প্রদান করা হয়। এছাড়া ১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতা সংগ্রামেও তিনি সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছিলেন।
পেশাগত জীবনে তিনি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট বারের সিনিয়র সহ-সভাপতি, তৎকালীন রংপুর হাইকোর্ট বারের দুবার নির্বাচিত সভাপতি এবং বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড সোসাইটির সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় তিনি আমৃত্যু কাজ করে গেছেন। তার বিচারিক জীবনের বহু রায় আজও আইনাঙ্গনে তার দক্ষতা ও বিচক্ষণতার সাক্ষ্য বহন করে।
উল্লেখ্য, বিচারপতি মোহাম্মদ আনসার আলীর কনিষ্ঠ পুত্র বিচারপতি আহমেদ সোহেল বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে বিচারক হিসেবে কর্মরত আছেন।

আপনার মতামত লিখুন