ভারতের উত্তরপ্রদেশে প্রেমের সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার জেরে মা ও দুই ভাই মিলে এক তরুণীকে হত্যা করার চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাটি ঢাকার উদ্দেশ্যে তারা বিষয়টিকে স্বাভাবিক অসুস্থতাজনিত মৃত্যু বলে দাবি করে রাতেই মরদেহ দাহ করে ফেলে। তবে প্রেমিকের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তদন্তে নেমে মা, দুই ভাই ও দুই চাচাসহ মোট পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে।
রোববার (২৬ জুলাই) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিিয়ার বরাতে এ তথ্য জানা গেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, গত শুক্রবার নিহত তরুণীর প্রেমিক হার্ষিত থানায় গিয়ে অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে তিনি জানান, তার প্রেমিকা ২০ বছর বয়সী হিমার্শীর সঙ্গে তার দেড় বছরের বেশি সময় ধরে সম্পর্ক ছিল। কিন্তু তারা ভিন্ন বর্ণের হওয়ার কারণে হিমার্শীর পরিবার শুরু থেকেই এ সম্পর্কের তীব্র বিরোধিতা করে আসছিল।
গত বৃহস্পতিবার হিমার্শীকে তার পরিবারের সদস্যরা মিলে হত্যা করে এবং ঘটনা ধামাচাপা দিতে ওই রাতেই মরদেহ দাহ করে ফেলে।
এদিকে ঘটনার একটি সিসিটিভি ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ফুটেজে দেখা যায়, হিমার্শী বাড়ি থেকে বের হয়ে একটি দোকানে গেলে সেখানে উপস্থিত থাকা প্রেমিক হার্ষিত ও তাকে হিমার্শীর পরিবারের লোকেরা মারধর করে।
প্রেমিক হার্ষিত পুলিশের কাছে অভিযোগের পাশাপাশি নিজের জীবন নিয়েও আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। পুলিশ ঘটনার সত্যতা পেয়ে অভিযুক্ত পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ শুরু করেছে।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ জুলাই ২০২৬
ভারতের উত্তরপ্রদেশে প্রেমের সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার জেরে মা ও দুই ভাই মিলে এক তরুণীকে হত্যা করার চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাটি ঢাকার উদ্দেশ্যে তারা বিষয়টিকে স্বাভাবিক অসুস্থতাজনিত মৃত্যু বলে দাবি করে রাতেই মরদেহ দাহ করে ফেলে। তবে প্রেমিকের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তদন্তে নেমে মা, দুই ভাই ও দুই চাচাসহ মোট পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে।
রোববার (২৬ জুলাই) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিিয়ার বরাতে এ তথ্য জানা গেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, গত শুক্রবার নিহত তরুণীর প্রেমিক হার্ষিত থানায় গিয়ে অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে তিনি জানান, তার প্রেমিকা ২০ বছর বয়সী হিমার্শীর সঙ্গে তার দেড় বছরের বেশি সময় ধরে সম্পর্ক ছিল। কিন্তু তারা ভিন্ন বর্ণের হওয়ার কারণে হিমার্শীর পরিবার শুরু থেকেই এ সম্পর্কের তীব্র বিরোধিতা করে আসছিল।
গত বৃহস্পতিবার হিমার্শীকে তার পরিবারের সদস্যরা মিলে হত্যা করে এবং ঘটনা ধামাচাপা দিতে ওই রাতেই মরদেহ দাহ করে ফেলে।
এদিকে ঘটনার একটি সিসিটিভি ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ফুটেজে দেখা যায়, হিমার্শী বাড়ি থেকে বের হয়ে একটি দোকানে গেলে সেখানে উপস্থিত থাকা প্রেমিক হার্ষিত ও তাকে হিমার্শীর পরিবারের লোকেরা মারধর করে।
প্রেমিক হার্ষিত পুলিশের কাছে অভিযোগের পাশাপাশি নিজের জীবন নিয়েও আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। পুলিশ ঘটনার সত্যতা পেয়ে অভিযুক্ত পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ শুরু করেছে।

আপনার মতামত লিখুন