রাজধানীর তুরাগ ও উত্তরা এলাকায় রাতের আঁধারে ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ইট, বালি ও পাথর চুরির শক্তিশালী একটি সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছে। স্থানীয় একটি রাজনৈতিক প্রভাবশালী মহলের আশ্রয়ে চালকদের সহযোগিতায় প্রকাশ্যে চলছে এই অপকর্ম।
সরেজমিনে অনুসন্ধানে জানা যায়, চোর চক্রটি রাতের আঁধারে সড়কে চলাচলরত ইটবোঝাই ট্রাক থামিয়ে চালকের সহযোগিতায় ৩০০ থেকে ১,০০০টি পর্যন্ত ইট বাজারমূল্যের চেয়ে অনেক কমে (৭-৮ টাকা দরে) কিনে নেয়। পরে দিনের আলোতে ব্যবসায়ী মো. রফিকসহ অন্যান্যরা এসব চোরাই ইট তুরাগের ভাটুলিয়া মহিলা মাদ্রাসা সড়ক এবং উত্তরা ১০ নম্বর সেক্টরের ২০ নম্বর রোডের 'হাজী এন্টারপ্রাইজ' সংলগ্ন স্পটে রেখে বাজারমূল্যে বিক্রি করেন।
এছাড়া কামারপাড়া কাঁচাবাজারের সামনে 'করিম এন্টারপ্রাইজ' ও দিয়াবাড়ির ৫ নম্বর ব্রিজ এলাকায় একই কায়দায় ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নির্মাণসামগ্রী ও ব্যক্তিগত ভবনের জন্য আনা ইট-বালি রাতের আঁধারে নামিয়ে নেওয়া হয়।
গভীর রাতে ট্রাকের বিকট শব্দ ও বেপরোয়া চলাচলে স্থানীয় বাসিন্দারা চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, রাজনৈতিক অসাধু নেতা ও প্রশাসনকে ম্যানেজ করে চক্রটি এই অপরাধ চালিয়ে আসছে এবং প্রতিবাদ করলে মিলছে হুমকি-ধমকি।
এ বিষয়ে তুরাগ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান জানান, লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং কোনো ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ডের সুযোগ দেওয়া হবে না।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ জুলাই ২০২৬
রাজধানীর তুরাগ ও উত্তরা এলাকায় রাতের আঁধারে ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ইট, বালি ও পাথর চুরির শক্তিশালী একটি সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছে। স্থানীয় একটি রাজনৈতিক প্রভাবশালী মহলের আশ্রয়ে চালকদের সহযোগিতায় প্রকাশ্যে চলছে এই অপকর্ম।
সরেজমিনে অনুসন্ধানে জানা যায়, চোর চক্রটি রাতের আঁধারে সড়কে চলাচলরত ইটবোঝাই ট্রাক থামিয়ে চালকের সহযোগিতায় ৩০০ থেকে ১,০০০টি পর্যন্ত ইট বাজারমূল্যের চেয়ে অনেক কমে (৭-৮ টাকা দরে) কিনে নেয়। পরে দিনের আলোতে ব্যবসায়ী মো. রফিকসহ অন্যান্যরা এসব চোরাই ইট তুরাগের ভাটুলিয়া মহিলা মাদ্রাসা সড়ক এবং উত্তরা ১০ নম্বর সেক্টরের ২০ নম্বর রোডের 'হাজী এন্টারপ্রাইজ' সংলগ্ন স্পটে রেখে বাজারমূল্যে বিক্রি করেন।
এছাড়া কামারপাড়া কাঁচাবাজারের সামনে 'করিম এন্টারপ্রাইজ' ও দিয়াবাড়ির ৫ নম্বর ব্রিজ এলাকায় একই কায়দায় ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নির্মাণসামগ্রী ও ব্যক্তিগত ভবনের জন্য আনা ইট-বালি রাতের আঁধারে নামিয়ে নেওয়া হয়।
গভীর রাতে ট্রাকের বিকট শব্দ ও বেপরোয়া চলাচলে স্থানীয় বাসিন্দারা চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, রাজনৈতিক অসাধু নেতা ও প্রশাসনকে ম্যানেজ করে চক্রটি এই অপরাধ চালিয়ে আসছে এবং প্রতিবাদ করলে মিলছে হুমকি-ধমকি।
এ বিষয়ে তুরাগ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান জানান, লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং কোনো ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ডের সুযোগ দেওয়া হবে না।

আপনার মতামত লিখুন