ইরান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পুনরায় শান্তি আলোচনা শুরু করার আগ্রহ প্রকাশ করায় সেখানে মার্কিন বাহিনীর সামরিক অভিযান স্থগিতের নির্দেশ দিয়েছেন বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
গতকাল মার্কিন প্রেসিডেন্টের সরকারি বিমান 'এয়ারফোর্স ওয়ান'-এ সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ইরান কর্তৃপক্ষের অনুরোধেই আপাতত অভিযান থামানো হয়েছে। তবে কোনো দ্বিপাক্ষিক চুক্তিতে পৌঁছাতে ব্যর্থ হলে মার্কিন বাহিনী পুনরায় কঠোর সামরিক পদক্ষেপে ফিরে যাবে বলে তিনি সতর্ক করেন।
উল্লেখ্য, গত জুলাইয়ের শুরুতে হরমুজ প্রণালীতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুটি তেলবাহী ট্যাংকারে ইরানি ড্রোন হামলার পর থেকে মধ্যপ্রাচ্যে দুই দেশের মধ্যে সংঘাত তীব্র রূপ নেয়। এর জবাবে মার্কিন কেন্দ্রীয় কমান্ড (সেন্টকম) ইরানের বিভিন্ন স্থাপনায় বিমান হামলা শুরু করে এবং বিপরীতে ইরানও মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে।
টানা ১৩ দিনের সামরিক উত্তেজনার পর গত ২৫ জুলাই থেকে উভয় পক্ষই সাময়িকভাবে হামলা স্থগিত রেখেছে।
ইরানের দায়িত্বশীল সূত্রগুলো যুক্তরাষ্ট্রের আক্রমণ বন্ধের শর্তে নিজেদের হামলা স্থগিত রাখার বার্তা দিলেও, দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মার্কিন প্রশাসনের সাথে এখনই কোনো আনুষ্ঠানিক বৈঠকে বসার বিষয়টি অস্বীকার করেছে।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ জুলাই ২০২৬
ইরান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পুনরায় শান্তি আলোচনা শুরু করার আগ্রহ প্রকাশ করায় সেখানে মার্কিন বাহিনীর সামরিক অভিযান স্থগিতের নির্দেশ দিয়েছেন বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
গতকাল মার্কিন প্রেসিডেন্টের সরকারি বিমান 'এয়ারফোর্স ওয়ান'-এ সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ইরান কর্তৃপক্ষের অনুরোধেই আপাতত অভিযান থামানো হয়েছে। তবে কোনো দ্বিপাক্ষিক চুক্তিতে পৌঁছাতে ব্যর্থ হলে মার্কিন বাহিনী পুনরায় কঠোর সামরিক পদক্ষেপে ফিরে যাবে বলে তিনি সতর্ক করেন।
উল্লেখ্য, গত জুলাইয়ের শুরুতে হরমুজ প্রণালীতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুটি তেলবাহী ট্যাংকারে ইরানি ড্রোন হামলার পর থেকে মধ্যপ্রাচ্যে দুই দেশের মধ্যে সংঘাত তীব্র রূপ নেয়। এর জবাবে মার্কিন কেন্দ্রীয় কমান্ড (সেন্টকম) ইরানের বিভিন্ন স্থাপনায় বিমান হামলা শুরু করে এবং বিপরীতে ইরানও মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে।
টানা ১৩ দিনের সামরিক উত্তেজনার পর গত ২৫ জুলাই থেকে উভয় পক্ষই সাময়িকভাবে হামলা স্থগিত রেখেছে।
ইরানের দায়িত্বশীল সূত্রগুলো যুক্তরাষ্ট্রের আক্রমণ বন্ধের শর্তে নিজেদের হামলা স্থগিত রাখার বার্তা দিলেও, দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মার্কিন প্রশাসনের সাথে এখনই কোনো আনুষ্ঠানিক বৈঠকে বসার বিষয়টি অস্বীকার করেছে।

আপনার মতামত লিখুন