মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের প্রভাবে দ্রব্যমূল্যের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি এবং চরম অর্থনৈতিক সংকটের প্রতিবাদে পাকিস্তানের করাচিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন শত শত রূপান্তরকামী ও তাদের সমর্থকেরা।
চরম আর্থিক ঝুঁকিতে থাকা অনগ্রসর এই জনগোষ্ঠীর ওপর মূল্যস্ফীতি মারাত্মক প্রভাব ফেলায় তারা এই কর্মসূচি পালন করেন।
আইনি সুরক্ষা সত্ত্বেও সামাজিক ও পারিবারিক বৈষম্যের কারণে পাকিস্তানে তৃতীয় লিঙ্গের মানুষ প্রায়ই চরম অর্থনৈতিক সংকটে পড়েন এবং অনেকেই ভিক্ষাবৃত্তির মতো পথ বেছে নিতে বাধ্য হন। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার সংকটের কারণে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি পরিবহনে বাধা সৃষ্টি হয়ে পাকিস্তানে মূল্যস্ফীতি তীব্র আকার ধারণ করেছে, যা দেশের অর্থনীতিকে আরও সংকটাপন্ন করেছে।
করাচিতে আয়োজিত এই বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারীরা আকাশছোঁয়া জ্বালানির দাম ও জীবনযাত্রার ব্যয়ের প্রতিবাদ জানিয়ে অবিলম্বে নিত্যপণ্যের দাম কমানো এবং নিরাপদ কর্মসংস্থানের দাবি জানান। আইএমএফের ওপর পাকিস্তানের নির্ভরশীলতার দিকে ইঙ্গিত করে বিক্ষোভকারীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
আয়োজক সংস্থা জেন্ডার ইন্টারেক্টিভ অ্যালায়েন্সের নেতারা খাজা সিরা নামে পরিচিত এই সম্প্রদায়কে উপযুক্ত সম্মান ও মর্যাদা দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। সরকারি তথ্যমতে, মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের প্রভাবে মাত্র তিন মাসে দেশটির মূল্যস্ফীতি ৫.৫ শতাংশ থেকে বেড়ে ১০ শতাংশে পৌঁছেছে এবং গত জুন মাসে তা আগের বছরের তুলনায় ১১.১ শতাংশে গিয়ে দাঁড়িয়েছে।
রূপান্তরকামী মানবাধিকারকর্মীরা জানান, কর্মসংস্থানের অভাব এবং লাগামহীন দ্রব্যমূল্যের কারণে সাধারণ মানুষের চেয়েও তাঁদের জীবনধারণ এখন বহু গুণ কঠিন হয়ে পড়েছে।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ জুলাই ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের প্রভাবে দ্রব্যমূল্যের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি এবং চরম অর্থনৈতিক সংকটের প্রতিবাদে পাকিস্তানের করাচিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন শত শত রূপান্তরকামী ও তাদের সমর্থকেরা।
চরম আর্থিক ঝুঁকিতে থাকা অনগ্রসর এই জনগোষ্ঠীর ওপর মূল্যস্ফীতি মারাত্মক প্রভাব ফেলায় তারা এই কর্মসূচি পালন করেন।
আইনি সুরক্ষা সত্ত্বেও সামাজিক ও পারিবারিক বৈষম্যের কারণে পাকিস্তানে তৃতীয় লিঙ্গের মানুষ প্রায়ই চরম অর্থনৈতিক সংকটে পড়েন এবং অনেকেই ভিক্ষাবৃত্তির মতো পথ বেছে নিতে বাধ্য হন। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার সংকটের কারণে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি পরিবহনে বাধা সৃষ্টি হয়ে পাকিস্তানে মূল্যস্ফীতি তীব্র আকার ধারণ করেছে, যা দেশের অর্থনীতিকে আরও সংকটাপন্ন করেছে।
করাচিতে আয়োজিত এই বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারীরা আকাশছোঁয়া জ্বালানির দাম ও জীবনযাত্রার ব্যয়ের প্রতিবাদ জানিয়ে অবিলম্বে নিত্যপণ্যের দাম কমানো এবং নিরাপদ কর্মসংস্থানের দাবি জানান। আইএমএফের ওপর পাকিস্তানের নির্ভরশীলতার দিকে ইঙ্গিত করে বিক্ষোভকারীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
আয়োজক সংস্থা জেন্ডার ইন্টারেক্টিভ অ্যালায়েন্সের নেতারা খাজা সিরা নামে পরিচিত এই সম্প্রদায়কে উপযুক্ত সম্মান ও মর্যাদা দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। সরকারি তথ্যমতে, মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের প্রভাবে মাত্র তিন মাসে দেশটির মূল্যস্ফীতি ৫.৫ শতাংশ থেকে বেড়ে ১০ শতাংশে পৌঁছেছে এবং গত জুন মাসে তা আগের বছরের তুলনায় ১১.১ শতাংশে গিয়ে দাঁড়িয়েছে।
রূপান্তরকামী মানবাধিকারকর্মীরা জানান, কর্মসংস্থানের অভাব এবং লাগামহীন দ্রব্যমূল্যের কারণে সাধারণ মানুষের চেয়েও তাঁদের জীবনধারণ এখন বহু গুণ কঠিন হয়ে পড়েছে।

আপনার মতামত লিখুন