বাংলাদেশ থেকে ৩ লাখ এবং মালয়েশিয়া থেকে ৫ হাজার রোহিঙ্গাকে ফেরত নিতে রাজি হয়েছে মিয়ানমার। মালয়েশিয়ার পশ্চিম উপকূলীয় প্রদেশ নেগেরি সেম্বিলানের চেন্নাহ শহরে আয়োজিত এক জনসভায় দেশটির প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম এ তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, মিয়ানমার আগে তাদের ফেরত নিতে রাজি ছিল না। তবে সাম্প্রতিক সতর্ক কূটনীতি ও আলোচনার মাধ্যমে তারা বাংলাদেশ থেকে ৩ লাখ এবং মালয়েশিয়া থেকে ৫ হাজার রোহিঙ্গাকে ফেরত নিতে সম্মত হয়েছে।
২০১৭ সালের আগস্টে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর নির্যাতনের মুখে টিকতে না পেরে হাজার হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশে প্রবেশ করে। বর্তমানে কক্সবাজারের টেকনাফ ও কুতুপালং শরণার্থী শিবিরে ১৫ লাখের বেশি রোহিঙ্গা বসবাস করছেন। এছাড়া জাতিসংঘের তথ্য অনুসারে, মালয়েশিয়াতেও প্রায় ১ লাখ ২৬ হাজার রোহিঙ্গা আশ্রয়ে রয়েছেন।
জনসভায় মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত শরণার্থীদের দেশের আইন মেনে চলার নির্দেশ দেন আনোয়ার ইব্রাহিম। নির্দেশ অমান্য করলে কিংবা অনুমোদিত এলাকা ব্যতীত অন্য কোথাও তাদের উপস্থিতি পাওয়া গেলে কঠোর পুলিশি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি হুঁশিয়ারি দেন।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ জুলাই ২০২৬
বাংলাদেশ থেকে ৩ লাখ এবং মালয়েশিয়া থেকে ৫ হাজার রোহিঙ্গাকে ফেরত নিতে রাজি হয়েছে মিয়ানমার। মালয়েশিয়ার পশ্চিম উপকূলীয় প্রদেশ নেগেরি সেম্বিলানের চেন্নাহ শহরে আয়োজিত এক জনসভায় দেশটির প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম এ তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, মিয়ানমার আগে তাদের ফেরত নিতে রাজি ছিল না। তবে সাম্প্রতিক সতর্ক কূটনীতি ও আলোচনার মাধ্যমে তারা বাংলাদেশ থেকে ৩ লাখ এবং মালয়েশিয়া থেকে ৫ হাজার রোহিঙ্গাকে ফেরত নিতে সম্মত হয়েছে।
২০১৭ সালের আগস্টে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর নির্যাতনের মুখে টিকতে না পেরে হাজার হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশে প্রবেশ করে। বর্তমানে কক্সবাজারের টেকনাফ ও কুতুপালং শরণার্থী শিবিরে ১৫ লাখের বেশি রোহিঙ্গা বসবাস করছেন। এছাড়া জাতিসংঘের তথ্য অনুসারে, মালয়েশিয়াতেও প্রায় ১ লাখ ২৬ হাজার রোহিঙ্গা আশ্রয়ে রয়েছেন।
জনসভায় মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত শরণার্থীদের দেশের আইন মেনে চলার নির্দেশ দেন আনোয়ার ইব্রাহিম। নির্দেশ অমান্য করলে কিংবা অনুমোদিত এলাকা ব্যতীত অন্য কোথাও তাদের উপস্থিতি পাওয়া গেলে কঠোর পুলিশি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি হুঁশিয়ারি দেন।

আপনার মতামত লিখুন