জুলাই আন্দোলনে গুরুতর আহত শেখ আজিজুর রহমান সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাথে সাক্ষাৎ করেছেন। সাক্ষাৎকালে তিনি আন্দোলনের সময় মাথায় বাঁধা সেই রক্তে ভেজা জাতীয় পতাকাটি প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দেন।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
শেখ আজিজুর রহমান নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার বাসিন্দা এবং সরকারি বাঙলা কলেজের সমাজকর্ম বিভাগের অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। তিনি কলেজ ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য। ২০২৪ সালের জুলাই গণ-আন্দোলনে মিরপুর-১০ ফ্লাইওভারে জাতীয় পতাকা হাতে তিনি আলোচনায় আসেন। আন্দোলনের একপর্যায়ে গুলিতে গুরুতর আহত হলে মাথার রক্ত বন্ধ করতে তিনি জাতীয় পতাকাটি মাথায় বেঁধেছিলেন। তার মাথায় গুলির ক্ষত এবং শরীরে ৩৬টি বুলেটের স্প্লিন্টার রয়েছে। ১৯ জুলাই তাকে পুলিশ গ্রেফতার করে এবং দুই দিনের রিমান্ড শেষে ২১ জুলাই তিনি মুক্তি পান।
সম্প্রতি তাকে নিয়ে "গুলিবিদ্ধ হওয়ার পরও শুধু ছাত্রদল করার কারণে মেলেনি জুলাই যোদ্ধার স্বীকৃতি" শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে তা প্রধানমন্ত্রীর নজরে আসে। পরে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে তাকে সাক্ষাতের জন্য নিয়ে আসা হয়।
সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রী মনোযোগ দিয়ে আজিজুরের আহত হওয়ার ঘটনা, চিকিৎসা, সিএনজি চালিয়ে লেখাপড়া চালানোসহ নানা জীবনসংগ্রামের কথা শেনেন। দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পূরণ হওয়ায় অনুভূতি প্রকাশ করে আজিজুর বলেন, "এই পতাকাটি প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দেওয়ার খুব ইচ্ছা ছিল। আজ সেই ইচ্ছা পূরণ হয়েছে।"
বন্ধ সরকারি শিল্পকারখানাগুলো চালু এবং বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বৃহস্পতিবার বিকেলে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে তিনি এ নির্দেশনা দেন। প্রধানমন্ত্রী ২০২৬ সালের মধ্যে বন্ধ কারখানা চালুর প্রক্রিয়া শেষ করার নির্দেশ দিয়েছেন।
বৈঠকে অর্থ উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম এবং বিডা-র নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরীসহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
শারীরিক ও দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী তিন ব্যক্তির হাতে সরকারি ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নিয়োগপত্র তুলে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার সকালে সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে প্রবেশের সময় তিনি তাদের হাতে এই নিয়োগপত্র তুলে দেন।
নিয়োগপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন জন্ম থেকেই হাত না থাকা সত্ত্বেও পা দিয়ে লিখে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করা গাইবান্ধার আয়শা আক্তার ও সিরাজগঞ্জের নীলা খাতুন। এছাড়া নড়াইলের দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী মো. হাসমত আলীকেও নিয়োগপত্র দেওয়া হয়।
নীলা খাতুনকে মিরপুরের জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশনে শিক্ষক পদে, আয়শা আক্তারকে গাইবান্ধার বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজে ক্লাস সুপারভাইজার পদে এবং মো. হাসমত আলীকে সমাজসেবা অধিদপ্তরের অধীন ইউনিয়ন সমাজকর্মী পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। নিয়োগদানকালে সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক এ জেড এম জাহিদ হোসেন ও প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন পুতুলসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ জুলাই ২০২৬
জুলাই আন্দোলনে গুরুতর আহত শেখ আজিজুর রহমান সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাথে সাক্ষাৎ করেছেন। সাক্ষাৎকালে তিনি আন্দোলনের সময় মাথায় বাঁধা সেই রক্তে ভেজা জাতীয় পতাকাটি প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দেন।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
শেখ আজিজুর রহমান নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার বাসিন্দা এবং সরকারি বাঙলা কলেজের সমাজকর্ম বিভাগের অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। তিনি কলেজ ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য। ২০২৪ সালের জুলাই গণ-আন্দোলনে মিরপুর-১০ ফ্লাইওভারে জাতীয় পতাকা হাতে তিনি আলোচনায় আসেন। আন্দোলনের একপর্যায়ে গুলিতে গুরুতর আহত হলে মাথার রক্ত বন্ধ করতে তিনি জাতীয় পতাকাটি মাথায় বেঁধেছিলেন। তার মাথায় গুলির ক্ষত এবং শরীরে ৩৬টি বুলেটের স্প্লিন্টার রয়েছে। ১৯ জুলাই তাকে পুলিশ গ্রেফতার করে এবং দুই দিনের রিমান্ড শেষে ২১ জুলাই তিনি মুক্তি পান।
সম্প্রতি তাকে নিয়ে "গুলিবিদ্ধ হওয়ার পরও শুধু ছাত্রদল করার কারণে মেলেনি জুলাই যোদ্ধার স্বীকৃতি" শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে তা প্রধানমন্ত্রীর নজরে আসে। পরে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে তাকে সাক্ষাতের জন্য নিয়ে আসা হয়।
সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রী মনোযোগ দিয়ে আজিজুরের আহত হওয়ার ঘটনা, চিকিৎসা, সিএনজি চালিয়ে লেখাপড়া চালানোসহ নানা জীবনসংগ্রামের কথা শেনেন। দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পূরণ হওয়ায় অনুভূতি প্রকাশ করে আজিজুর বলেন, "এই পতাকাটি প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দেওয়ার খুব ইচ্ছা ছিল। আজ সেই ইচ্ছা পূরণ হয়েছে।"
বন্ধ সরকারি শিল্পকারখানাগুলো চালু এবং বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বৃহস্পতিবার বিকেলে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে তিনি এ নির্দেশনা দেন। প্রধানমন্ত্রী ২০২৬ সালের মধ্যে বন্ধ কারখানা চালুর প্রক্রিয়া শেষ করার নির্দেশ দিয়েছেন।
বৈঠকে অর্থ উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম এবং বিডা-র নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরীসহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
শারীরিক ও দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী তিন ব্যক্তির হাতে সরকারি ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নিয়োগপত্র তুলে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার সকালে সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে প্রবেশের সময় তিনি তাদের হাতে এই নিয়োগপত্র তুলে দেন।
নিয়োগপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন জন্ম থেকেই হাত না থাকা সত্ত্বেও পা দিয়ে লিখে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করা গাইবান্ধার আয়শা আক্তার ও সিরাজগঞ্জের নীলা খাতুন। এছাড়া নড়াইলের দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী মো. হাসমত আলীকেও নিয়োগপত্র দেওয়া হয়।
নীলা খাতুনকে মিরপুরের জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশনে শিক্ষক পদে, আয়শা আক্তারকে গাইবান্ধার বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজে ক্লাস সুপারভাইজার পদে এবং মো. হাসমত আলীকে সমাজসেবা অধিদপ্তরের অধীন ইউনিয়ন সমাজকর্মী পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। নিয়োগদানকালে সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক এ জেড এম জাহিদ হোসেন ও প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন পুতুলসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন